ধুনটে শ্রেণীকক্ষে ছাত্রদের চুল কেটে দিলেন শিক্ষক
jugantor
ধুনটে শ্রেণীকক্ষে ছাত্রদের চুল কেটে দিলেন শিক্ষক
প্রতিবাদে পরীক্ষা বর্জন

  বগুড়া ব্যুরো  

৩০ জুন ২০১৯, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বগুড়ার ধুনটে পরীক্ষা চলাকালে বিদ্যালয়ের শ্রেণীকক্ষে ঢুকে অর্ধশত ছাত্রের মাথার চুল কেটে দিয়েছেন দুই শিক্ষক। এতে বিক্ষুব্ধ ছাত্ররা পরীক্ষা বর্জন করেছে। ধুনট আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ে শনিবার সকালে এ ঘটনায় অভিভাবকদের মাঝে বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। প্রধান শিক্ষক অভিযোগটি অস্বীকার করলেও অভিযুক্ত এক শিক্ষক তা স্বীকার করেছেন।

অভিযোগে জানা গেছে, ধুনট আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ে অর্ধবার্ষিক পরীক্ষা চলছে। শনিবার সকালে নবম ও দশম শ্রেণীর গণিত পরীক্ষায় ৯০ ছাত্রছাত্রী অংশ নেয়। পরীক্ষা শুরুর আধা ঘণ্টা পর বিদ্যালয়ের কারিগরি শাখার কম্পিউটার ইন্সট্রাক্টর সাজ্জাদ হোসেন ও রিক্তা আকতার শ্রেণীকক্ষে ঢুকে অর্ধশত ছাত্রকে গালিগালাজ ও মারধর করেন। এরপর কাঁচি দিয়ে তাদের মাথার সামনের চুল কেটে দেন। বিদ্যালয়ে পরীক্ষা চলাকালে মারধরের পর মাথার চুল কেটে দেয়ায় ছাত্র ও তাদের অভিভাবকদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।

বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আবদুল্লাহ হেল বাকী জানান, তার প্রতিষ্ঠানে শনিবার এমন কোনো ঘটনা ঘটেনি। ছাত্ররা সাংবাদিকদের কাছে মিথ্যা অভিযোগ করেছে। অভিযুক্ত ইন্সট্রাক্টর সাজ্জাদ হোসেন জানান, ছাত্ররা মাসের পর মাস চুল কাটে না; ঠিকমতো স্কুলে আসে না। বৃহস্পতিবার সবাইকে চুল কাটতে বলা হয়; অন্যথায় শনিবার ব্যবস্থা নেয়ার ভয় দেখানো হয়েছিল। কিন্তু কেউ কথা না শোনায় বাধ্য হয়ে ৫০ ছাত্রের মাথার সামনের অংশের চুল কেটে দেয়া হয়েছে। এরপর কেউ কেউ পরীক্ষা না দিয়ে বাড়িতে চলে যায়। তিনি আরও জানান, আমরা কোনো ছাত্রকে মারধর করিনি। শুধু চুল কেটে দিয়েছি; তাই এটা কোনো অপরাধ নয়। প্রধান শিক্ষক না থাকায় বিষয়টি ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি শহিদুর রহমানকে অবহিত করা হয়েছে।

এ প্রসঙ্গে ধুনট উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এসএম জিন্নাহ্ জানান, পরীক্ষা চলাকালীন ছাত্রদের মাথার চুল কেটে দেয়ার ঘটনা খুবই দুঃখজনক। এ বিষয়ে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

ধুনট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রাজিয়া সুলতানা বলেন, পরীক্ষার হলে ছাত্রদের মাথার চুল কেটে দেয়া হলে ঘটনাটি তদন্ত করে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

ধুনটে শ্রেণীকক্ষে ছাত্রদের চুল কেটে দিলেন শিক্ষক

প্রতিবাদে পরীক্ষা বর্জন
 বগুড়া ব্যুরো 
৩০ জুন ২০১৯, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বগুড়ার ধুনটে পরীক্ষা চলাকালে বিদ্যালয়ের শ্রেণীকক্ষে ঢুকে অর্ধশত ছাত্রের মাথার চুল কেটে দিয়েছেন দুই শিক্ষক। এতে বিক্ষুব্ধ ছাত্ররা পরীক্ষা বর্জন করেছে। ধুনট আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ে শনিবার সকালে এ ঘটনায় অভিভাবকদের মাঝে বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। প্রধান শিক্ষক অভিযোগটি অস্বীকার করলেও অভিযুক্ত এক শিক্ষক তা স্বীকার করেছেন।

অভিযোগে জানা গেছে, ধুনট আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ে অর্ধবার্ষিক পরীক্ষা চলছে। শনিবার সকালে নবম ও দশম শ্রেণীর গণিত পরীক্ষায় ৯০ ছাত্রছাত্রী অংশ নেয়। পরীক্ষা শুরুর আধা ঘণ্টা পর বিদ্যালয়ের কারিগরি শাখার কম্পিউটার ইন্সট্রাক্টর সাজ্জাদ হোসেন ও রিক্তা আকতার শ্রেণীকক্ষে ঢুকে অর্ধশত ছাত্রকে গালিগালাজ ও মারধর করেন। এরপর কাঁচি দিয়ে তাদের মাথার সামনের চুল কেটে দেন। বিদ্যালয়ে পরীক্ষা চলাকালে মারধরের পর মাথার চুল কেটে দেয়ায় ছাত্র ও তাদের অভিভাবকদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।

বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আবদুল্লাহ হেল বাকী জানান, তার প্রতিষ্ঠানে শনিবার এমন কোনো ঘটনা ঘটেনি। ছাত্ররা সাংবাদিকদের কাছে মিথ্যা অভিযোগ করেছে। অভিযুক্ত ইন্সট্রাক্টর সাজ্জাদ হোসেন জানান, ছাত্ররা মাসের পর মাস চুল কাটে না; ঠিকমতো স্কুলে আসে না। বৃহস্পতিবার সবাইকে চুল কাটতে বলা হয়; অন্যথায় শনিবার ব্যবস্থা নেয়ার ভয় দেখানো হয়েছিল। কিন্তু কেউ কথা না শোনায় বাধ্য হয়ে ৫০ ছাত্রের মাথার সামনের অংশের চুল কেটে দেয়া হয়েছে। এরপর কেউ কেউ পরীক্ষা না দিয়ে বাড়িতে চলে যায়। তিনি আরও জানান, আমরা কোনো ছাত্রকে মারধর করিনি। শুধু চুল কেটে দিয়েছি; তাই এটা কোনো অপরাধ নয়। প্রধান শিক্ষক না থাকায় বিষয়টি ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি শহিদুর রহমানকে অবহিত করা হয়েছে।

এ প্রসঙ্গে ধুনট উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এসএম জিন্নাহ্ জানান, পরীক্ষা চলাকালীন ছাত্রদের মাথার চুল কেটে দেয়ার ঘটনা খুবই দুঃখজনক। এ বিষয়ে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

ধুনট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রাজিয়া সুলতানা বলেন, পরীক্ষার হলে ছাত্রদের মাথার চুল কেটে দেয়া হলে ঘটনাটি তদন্ত করে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।