দুর্গাপুরের সেই ওসি বদলি
jugantor
দুর্গাপুরের সেই ওসি বদলি

  রাজশাহী ব্যুরো  

১৮ জুলাই ২০১৯, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

‘স্বামীর লাথিতে গর্ভের সন্তানের মৃত্যু, ওসি নেননি মামলা’ শিরোনামে বুধবার যুগান্তরে সংবাদ প্রকাশের পর পুলিশ প্রশাসন নড়েচড়ে বসেছে। দুর্গাপুর থানার ওসি আবদুল মোতালেবকে বুধবার সকালে পুলিশ সুপার কার্যালয়ে বদলি করা হয়েছে। রাজশাহী জেলা পুলিশের মুখপাত্র অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর) ইফতেখায়ের আলম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

ইফতেখায়ের আলম বলেন, সকালে ওসি মোতালেব সম্পর্কে সংবাদটি নজরে আসার পর এসপি মো. শহীদুল্লাহ তাকে পুলিশ সুপার কার্যালয়ে বদলি করেন। তিনি বুধবার দুপুরেই এসপি কার্যালয়ে যোগ দিয়েছেন। তাকে জনস্বার্থে বদলি করা হয়েছে।

রাজশাহীর দুর্গাপুরের মহিপাড়ার বাসিন্দা সোহেল রানা ১৯ জুন বিকালে স্ত্রী শিমু ইয়াসমিন লিপির তলপেটে লাথি মারেন। তার রক্তপাত শুরু হলে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওসিসিতে ভর্তি করা হয় তাকে। তার চার মাসের গর্ভের সন্তান মারা গেলে গর্ভপাত করানো হয়। ২ জুলাই লিপি দুর্গাপুর থানায় মামলা করতে গেলে ওসি মোতালেব মামলা নেননি। বরং লিপিকে বিষয়টি মীমাংসা করে নিতে চাপ সৃষ্টি করেন। এছাড়া ওসির বিরুদ্ধে ‘উৎকোচ’ নিয়ে সোহেলকে দেশ ছাড়তে সহযোগিতার অভিযোগ ওঠে। সম্প্রতি ওসি মোতালেবের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানাভুক্ত আসামিদের সঙ্গে গোপন বৈঠকেরও অভিযোগ ওঠে।

দুর্গাপুরের সেই ওসি বদলি

 রাজশাহী ব্যুরো 
১৮ জুলাই ২০১৯, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

‘স্বামীর লাথিতে গর্ভের সন্তানের মৃত্যু, ওসি নেননি মামলা’ শিরোনামে বুধবার যুগান্তরে সংবাদ প্রকাশের পর পুলিশ প্রশাসন নড়েচড়ে বসেছে। দুর্গাপুর থানার ওসি আবদুল মোতালেবকে বুধবার সকালে পুলিশ সুপার কার্যালয়ে বদলি করা হয়েছে। রাজশাহী জেলা পুলিশের মুখপাত্র অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর) ইফতেখায়ের আলম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

ইফতেখায়ের আলম বলেন, সকালে ওসি মোতালেব সম্পর্কে সংবাদটি নজরে আসার পর এসপি মো. শহীদুল্লাহ তাকে পুলিশ সুপার কার্যালয়ে বদলি করেন। তিনি বুধবার দুপুরেই এসপি কার্যালয়ে যোগ দিয়েছেন। তাকে জনস্বার্থে বদলি করা হয়েছে।

রাজশাহীর দুর্গাপুরের মহিপাড়ার বাসিন্দা সোহেল রানা ১৯ জুন বিকালে স্ত্রী শিমু ইয়াসমিন লিপির তলপেটে লাথি মারেন। তার রক্তপাত শুরু হলে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওসিসিতে ভর্তি করা হয় তাকে। তার চার মাসের গর্ভের সন্তান মারা গেলে গর্ভপাত করানো হয়। ২ জুলাই লিপি দুর্গাপুর থানায় মামলা করতে গেলে ওসি মোতালেব মামলা নেননি। বরং লিপিকে বিষয়টি মীমাংসা করে নিতে চাপ সৃষ্টি করেন। এছাড়া ওসির বিরুদ্ধে ‘উৎকোচ’ নিয়ে সোহেলকে দেশ ছাড়তে সহযোগিতার অভিযোগ ওঠে। সম্প্রতি ওসি মোতালেবের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানাভুক্ত আসামিদের সঙ্গে গোপন বৈঠকেরও অভিযোগ ওঠে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন