লঞ্চের সুপারভাইজারকে পেটালেন ইজারাদার
jugantor
এমপির নামে কেবিন না পাওয়ার জের
লঞ্চের সুপারভাইজারকে পেটালেন ইজারাদার

  পটুয়াখালী (দ.) প্রতিনিধি  

১৮ আগস্ট ২০১৯, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

পটুয়াখালী লঞ্চঘাটে ঢাকাগামী কুয়াকাটা-১ লঞ্চের সুপারভাইজাই ফারুক হোসেন, তার ছেলে আবদুল্লাহ আল আজমির ও টিকিট বিক্রেতা সুমনকে মারধর করা হয়েছে। এমপির নামে ভিআইপি কেবিন না পাওয়ায় শনিবার বিকালে ঘাটের ইজারাদার গাজী হাফিজুর রহমান সবির ওরফে সবির গাজী ও তার লোকজন এ হামলা চালান। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শেখ বিলাল হোসেন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। আহত সুপারভাইজার এসএম ফারুক পটুয়াখালী পৌরসভার দুই নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ঈদ শেষে পটুয়াখালী লঞ্চঘাটে কর্মস্থলমুখী লোকজনের উপচেপড়া ভিড়। শনিবার পটুয়াখালী থেকে যাত্রী নিয়ে ৮টি লঞ্চ ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে যায়। বিকালে ৬টি লঞ্চ ছেড়ে যাওয়ার পর সুন্দরবন-৭ ও কুয়াকাটা-১ লঞ্চ দুটি যাত্রী নিতে ঘাটে আসে। এ সময় ইজাদার গাজী হাফিজুর রহমান সবির ওরফে সবির গাজী টার্মিনালে আসেন এবং এমপি কানিজ সুলতানা হেলেনের বরাত দিয়ে কুয়াকাটা-১ লঞ্চে একটি ভিআইপি কেবিন চান। যাত্রী অতিরিক্ত হওয়ায় ইজাদারের দাবি মেটাতে ব্যর্থ হন লঞ্চের সুপারভাইজার ফারুক ও টিকিট বিক্রেতা সুমন। এতে সবির গাজী ও তার লোক ফারুক হোসেন, তার ছেলে আবদুল্লাহ আল আজমির ও টিকিট বিক্রেতা সুমনকে মারধর করেন। লঞ্চ শ্রমিকদের একটি অংশ প্রহৃতদের পক্ষে অবস্থান নিলে বাকবিতণ্ডা ও ধস্তাধস্তি চলতে থাকে।

ইজারাদার হাফিজুর রহমান সবির জানান, মহিলা এমপি হেলেনের ভিআইপি কেবিন লঞ্চের সুপারভাইজার অন্যের কাছে বিক্রি করেছেন। তাই ঝামেলা হয়েছে। তাকে মারধর করা হয়নি। উল্টো ফারুকের লোকেরা রতন ও তার ভাইয়ের ছেলে শুভকে মারধর করেছেন। জানতে চাইলে মহিলা এমপি কানিজ সুলতানা হেলেন ওরফে কাজী হেলেন মোবাইল ফোনে জানান, তিনি নিজে বা কারও মাধ্যমে লঞ্চের কেবিন চাননি।

এমপির নামে কেবিন না পাওয়ার জের

লঞ্চের সুপারভাইজারকে পেটালেন ইজারাদার

 পটুয়াখালী (দ.) প্রতিনিধি 
১৮ আগস্ট ২০১৯, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

পটুয়াখালী লঞ্চঘাটে ঢাকাগামী কুয়াকাটা-১ লঞ্চের সুপারভাইজাই ফারুক হোসেন, তার ছেলে আবদুল্লাহ আল আজমির ও টিকিট বিক্রেতা সুমনকে মারধর করা হয়েছে। এমপির নামে ভিআইপি কেবিন না পাওয়ায় শনিবার বিকালে ঘাটের ইজারাদার গাজী হাফিজুর রহমান সবির ওরফে সবির গাজী ও তার লোকজন এ হামলা চালান। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শেখ বিলাল হোসেন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। আহত সুপারভাইজার এসএম ফারুক পটুয়াখালী পৌরসভার দুই নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ঈদ শেষে পটুয়াখালী লঞ্চঘাটে কর্মস্থলমুখী লোকজনের উপচেপড়া ভিড়। শনিবার পটুয়াখালী থেকে যাত্রী নিয়ে ৮টি লঞ্চ ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে যায়। বিকালে ৬টি লঞ্চ ছেড়ে যাওয়ার পর সুন্দরবন-৭ ও কুয়াকাটা-১ লঞ্চ দুটি যাত্রী নিতে ঘাটে আসে। এ সময় ইজাদার গাজী হাফিজুর রহমান সবির ওরফে সবির গাজী টার্মিনালে আসেন এবং এমপি কানিজ সুলতানা হেলেনের বরাত দিয়ে কুয়াকাটা-১ লঞ্চে একটি ভিআইপি কেবিন চান। যাত্রী অতিরিক্ত হওয়ায় ইজাদারের দাবি মেটাতে ব্যর্থ হন লঞ্চের সুপারভাইজার ফারুক ও টিকিট বিক্রেতা সুমন। এতে সবির গাজী ও তার লোক ফারুক হোসেন, তার ছেলে আবদুল্লাহ আল আজমির ও টিকিট বিক্রেতা সুমনকে মারধর করেন। লঞ্চ শ্রমিকদের একটি অংশ প্রহৃতদের পক্ষে অবস্থান নিলে বাকবিতণ্ডা ও ধস্তাধস্তি চলতে থাকে।

ইজারাদার হাফিজুর রহমান সবির জানান, মহিলা এমপি হেলেনের ভিআইপি কেবিন লঞ্চের সুপারভাইজার অন্যের কাছে বিক্রি করেছেন। তাই ঝামেলা হয়েছে। তাকে মারধর করা হয়নি। উল্টো ফারুকের লোকেরা রতন ও তার ভাইয়ের ছেলে শুভকে মারধর করেছেন। জানতে চাইলে মহিলা এমপি কানিজ সুলতানা হেলেন ওরফে কাজী হেলেন মোবাইল ফোনে জানান, তিনি নিজে বা কারও মাধ্যমে লঞ্চের কেবিন চাননি।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন