ডেঙ্গু দমন নিয়ে হাইকোর্টের অসন্তোষ

সময়মতো পদক্ষেপ নিলে পরিস্থিতি এমন হতো না

  যুগান্তর রিপোর্ট ১৯ আগস্ট ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

ডেঙ্গু দমন নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন হাইকোর্ট। আদালত বলেছেন, ডেঙ্গু দমনে সময়মতো পদক্ষেপ নিলে এমন পরিস্থিতি হতো না। ডেঙ্গু নিধনে মানসিকতা ও দক্ষতার অভাব রয়েছে। কাগজেকলমে সবকিছুই ঠিক আছে, আদতে ডেঙ্গু নিধনে কিছুই পুরোপুরি ঠিক নেই। মিডিয়ায় এসেছে, কিছু কিছু হাসপাতালেই এডিস মশার লার্ভা পাওয়া গেছে। বিচারপতি এফআরএম নাজমুল আহাসান ও বিচারপতি কেএম কামরুল কাদেরের হাইকোর্ট বেঞ্চ রোববার এ সংক্রান্ত শুনানিতে এমন মন্ত্রব্য করেন।

২৫ জুলাই ডেঙ্গু পরীক্ষায় বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকগুলোর অতিরিক্ত ফি আদায় বন্ধে কী পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে, তা জানাতে স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালককে নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। বিষয়টি আদালতকে অবহিত করতে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেলকে নির্দেশ দেয়া হয়। সেই মোতাবেক স্বাস্থ্য অধিদফতর প্রতিবেদন দাখিল করে। রোববার প্রতিবেদন তুলে ধরেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার আবদুল্লাহ আল মাহমুদ বাশার। তিনি বলেন, ডেঙ্গু নিয়ে বর্তমান পরিস্থিতি ইতঃপূর্বে আর হয়নি। ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে সরকারের পক্ষ থেকে সব ধরনের চেষ্টা করা হয়েছে। সারা দেশে সব ডাক্তারের ছুটি বাতিল করা হয়েছে। তারা ঈদের মধ্যেও রোগীদের সেবা দিয়েছেন। সর্বমহল থেকে এর প্রশংসা করা হয়েছে। ৪০টি হাসপাতালে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়েছে। এই দুর্যোগ মোকাবেলায় সরকারের চেষ্টা এখনও অব্যাহত। তিনি বলেন, বিদেশ থেকে যে ওষুধ আমদানি করা হচ্ছে, তার শুল্ক প্রত্যাহার করা হয়েছে। এসব ওষুধ দ্রুত হাসপাতালে সরবরাহ করা হচ্ছে। সরকারি হাসপাতাল থেকে বিনামূল্যে চিকিৎসা দেয় হচ্ছে। এ পর্যায়ে আদালত বলেন, ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মৃতের সংখ্যা নিয়ে সরকারি ও বেসরকারি হিসাবে কোনো মিল নেই। এমন গরমিল কেন। আদালত বলেন, ইতোমধ্যে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা ৫০ হাজার ছাড়িয়েছে। শরীয়তপুর থেকে একজন ঢাকায় এসে মারা গেল। হাসপাতালে সাধারণ মানুষ সেবা পাচ্ছে না। আমাদের একজন স্টাফ চিকিৎসা না পেয়ে হাসপাতাল থেকে ফেরত এসেছে। কাগজেকলমে সবকিছুই বলে ঠিক আছে, কিন্তু গোয়ালে তো গরু নেই। ডেঙ্গু এখন মহামারী পর্যায়ে চলে এসেছে। কিন্তু এটা মোকাবেলা করার জন্য দক্ষতা ও মানসিকতা দেখা যাচ্ছে না। সিটি কর্পোরেশনের যে দায়িত্ব ছিল, সেটা তারা যথাযথ পালন করেনি। ওষুধে মশা মরছে না। এমনকি বাজারের মশা মারার ওষুধেও কাজ করছে না।

আদালত বলেন, ডেঙ্গু মশার লার্ভা ও ডিম থাকে পানিতে। ওনারা সেটা পরিষ্কার না করে রাস্তায় ময়লা ফেলে পরিষ্কার করলেন। এটা নেহায়েতই হাস্যকর।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×