সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ

গণধর্ষণ শেষে নার্স বিলকিসকে হত্যা করা হয়

  কুষ্টিয়া প্রতিনিধি ২৬ আগস্ট ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

কুষ্টিয়ায় নার্স বিলকিস আক্তারকে গণধর্ষণ শেষে হত্যা করা হয় বলে দাবি করেছেন তার স্বজনরা। জড়িত সন্দেহভাজনদের নাম উল্লেখসহ এজাহার দিলেও তা আমলে না নিয়ে নিজেদের পছন্দমতো জসিম নামে একজনকে আসামি করে মামলা রেকর্ড করেছে পুলিশ। এমন অভিযোগ তুলে এবং প্রকৃত জড়িতদের গ্রেফতার দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছে বিলকিসের পরিবার।

রোববার কুষ্টিয়া প্রেস ক্লাবের এমএ রাজ্জাক মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন মামলার বাদী বিলকিসের ভাই পারভেজ হোসেন এবং স্বামী রফিকুল ইসলাম। সেখানে উপস্থিত ছিলেন বিলকিসের মা মর্জিনা খাতুন, পালিত কন্যা কুয়াসা ইয়াসমিনসহ অনেকে।

বিলিকিসের মা মর্জিনা খাতুনের অভিযোগ, বিলকিসকে তার কর্মস্থল কুষ্টিয়া শহরের কাটাইখানা মোড়ে ল্যাবএইড নামের ক্লিনিকের মালিক ইয়ারুল ইসলাম, তার ভাগ্নে উজ্জল এবং সহকর্মী জসিমসহ একাধিক ব্যক্তি বিভিন্ন সময় অনৈতিক প্রস্তাব দিত। তাতে সাড়া না দেয়ায় বিলকিসকে নানাভাবে হেনস্তা করত তারা।

কুমারখালী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শুভ্র প্রকাশ দাস বলেন, মামলাটি এখনও তদন্তাধীন। পরিবারের দেয়া অভিযোগের বিষয়গুলোও খতিয়ে দেখা হবে। এজাহারনামীয় আসামির বাইরেও কারও সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যায় তা অবশ্যই তদন্ত প্রতিবেদনে ওঠে আসবে। কুমারখালী থানার ওসি জাহাঙ্গীর আলম বলেন, বাদীর অভিযোগ আমলে না নেয়ার মতো কোনো ঘটনা ঘটেনি। আদালতে জসিম জবানবন্দি দিয়েছে, সে প্রথমে বিলকিসের বুকের ওপর লাথি মারে। পরে একাই তাকে গলাটিপে হত্যা শেষে লাশ বস্তাবন্দি করে ক্যানেলে ভাসিয়ে দেয়।

১৬ আগস্ট বিকাল থেকে নিখোঁজের চার দিন পর ২০ আগস্ট কুমারখালী উপজেলার কাঞ্চনপুর বাঁশের সাঁকো নামক এলাকায় জিকে খাল থেকে নার্স বিলকিসের অর্ধগলিত বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×