এবার টেকনাফ-উখিয়ায় থ্রিজি ফোরজি সেবা পুরোপুরি বন্ধ
jugantor
এবার টেকনাফ-উখিয়ায় থ্রিজি ফোরজি সেবা পুরোপুরি বন্ধ

  যুগান্তর রিপোর্ট  

১২ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

এবার টেকনাফ ও উখিয়ায় অনির্দিষ্টকালের জন্য থ্রিজি ও ফোরজি সেবা বন্ধ করেছে মোবাইল ফোন অপারেটরগুলো। টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসির নির্দেশনায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন অপারেটররা।

বিটিআরসির জ্যেষ্ঠ সহকারী পরিচালক (গণমাধ্যম) জাকির হোসেন খান যুগান্তরকে বলেন, সোমবার এ নির্দেশনা দেয়ার পর অপারেটররা মঙ্গলবার থেকে তা কার্যকর করছে।

‘রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তার স্বার্থে’ দেয়া এ নির্দেশনার ফলে টেকনাফ ও উখিয়ার গ্রাহকরা শুধু মোবাইল ফোনে কথা বলতে পারলেও ইন্টারনেট সেবা পাচ্ছেন না। কক্সবাজারের এই দুই উপজেলাতেই রয়েছে রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবির। রোহিঙ্গাদের পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দারাও এই সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

এর আগে ৩ সেপ্টেম্বর শরণার্থী শিবির এলাকায় বিকাল ৫টা থেকে ভোর ৬টা পর্যন্ত ১৩ ঘণ্টা থ্রিজি, ফোরজি সেবা বন্ধ করে দেয় নিয়ন্ত্রক সংস্থা। তার আগের দিন বিটিআরসির আরেক নির্দেশনায় রোহিঙ্গারা যাতে মোবাইল ফোনের সুবিধা না পায় তা সাত দিনের মধ্যে নিশ্চিত করতে বলা হয় সব মোবাইল অপারেটরকে।

বাংলাদেশে মোবাইল ফোনের অনিবন্ধিত সিম বিক্রি বেআইনি। আর মোবাইল সিম নিবন্ধনের জন্য প্রয়োজন হয় জাতীয় পরিচয়পত্র। নির্বাচন কমিশনে সংরক্ষিত জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য ভাণ্ডারের সঙ্গে আঙ্গুলের ছাপ মেলানোর পর ‘বায়োমেট্রিক’ নিবন্ধনের কাজ শেষ হয়। এ নিয়ম অনুসরণ করা হলে মিয়ানমার থেকে পালিয়ে এসে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গাদের বৈধভাবে মোবাইল ফোন ব্যবহারের সুযোগ পাওয়ার কথা নয়।

কিন্তু কক্সবাজারের বিভিন্ন রোহিঙ্গা ক্যাম্পে থাকা সাড়ে ১১ লাখ রোহিঙ্গার একটি বড় অংশের হাতে মোবাইল ফোন রয়েছে বলে গণমাধ্যমে খবর এসেছে বিভিন্ন সময়ে। এসব অবৈধ মোবাইল সিম চাঁদাবাজি, মাদক চোরাচালানসহ বিভিন্ন ধরনের অপরাধমূলক কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে বলেও উদ্বেগ প্রকাশ করে আসছেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তারা। শরণার্থী হিসেবে বাংলাদেশে থাকা রোহিঙ্গাদের কেউ কেউ ভুয়া ঠিকানা ব্যবহার করে জাতীয় পরিচয়পত্র এমনকি পাসপোর্টও করিয়েছেন বলে ইতিমধ্যে তথ্য বেরিয়ে এসেছে। এসব কারণে সরকার এই দুই উপজেলায় সব ধরনের ইন্টারনেট সেবা বন্ধ করে দিয়েছে।

এবার টেকনাফ-উখিয়ায় থ্রিজি ফোরজি সেবা পুরোপুরি বন্ধ

 যুগান্তর রিপোর্ট 
১২ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

এবার টেকনাফ ও উখিয়ায় অনির্দিষ্টকালের জন্য থ্রিজি ও ফোরজি সেবা বন্ধ করেছে মোবাইল ফোন অপারেটরগুলো। টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসির নির্দেশনায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন অপারেটররা।

বিটিআরসির জ্যেষ্ঠ সহকারী পরিচালক (গণমাধ্যম) জাকির হোসেন খান যুগান্তরকে বলেন, সোমবার এ নির্দেশনা দেয়ার পর অপারেটররা মঙ্গলবার থেকে তা কার্যকর করছে।

‘রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তার স্বার্থে’ দেয়া এ নির্দেশনার ফলে টেকনাফ ও উখিয়ার গ্রাহকরা শুধু মোবাইল ফোনে কথা বলতে পারলেও ইন্টারনেট সেবা পাচ্ছেন না। কক্সবাজারের এই দুই উপজেলাতেই রয়েছে রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবির। রোহিঙ্গাদের পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দারাও এই সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

এর আগে ৩ সেপ্টেম্বর শরণার্থী শিবির এলাকায় বিকাল ৫টা থেকে ভোর ৬টা পর্যন্ত ১৩ ঘণ্টা থ্রিজি, ফোরজি সেবা বন্ধ করে দেয় নিয়ন্ত্রক সংস্থা। তার আগের দিন বিটিআরসির আরেক নির্দেশনায় রোহিঙ্গারা যাতে মোবাইল ফোনের সুবিধা না পায় তা সাত দিনের মধ্যে নিশ্চিত করতে বলা হয় সব মোবাইল অপারেটরকে।

বাংলাদেশে মোবাইল ফোনের অনিবন্ধিত সিম বিক্রি বেআইনি। আর মোবাইল সিম নিবন্ধনের জন্য প্রয়োজন হয় জাতীয় পরিচয়পত্র। নির্বাচন কমিশনে সংরক্ষিত জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য ভাণ্ডারের সঙ্গে আঙ্গুলের ছাপ মেলানোর পর ‘বায়োমেট্রিক’ নিবন্ধনের কাজ শেষ হয়। এ নিয়ম অনুসরণ করা হলে মিয়ানমার থেকে পালিয়ে এসে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গাদের বৈধভাবে মোবাইল ফোন ব্যবহারের সুযোগ পাওয়ার কথা নয়।

কিন্তু কক্সবাজারের বিভিন্ন রোহিঙ্গা ক্যাম্পে থাকা সাড়ে ১১ লাখ রোহিঙ্গার একটি বড় অংশের হাতে মোবাইল ফোন রয়েছে বলে গণমাধ্যমে খবর এসেছে বিভিন্ন সময়ে। এসব অবৈধ মোবাইল সিম চাঁদাবাজি, মাদক চোরাচালানসহ বিভিন্ন ধরনের অপরাধমূলক কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে বলেও উদ্বেগ প্রকাশ করে আসছেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তারা। শরণার্থী হিসেবে বাংলাদেশে থাকা রোহিঙ্গাদের কেউ কেউ ভুয়া ঠিকানা ব্যবহার করে জাতীয় পরিচয়পত্র এমনকি পাসপোর্টও করিয়েছেন বলে ইতিমধ্যে তথ্য বেরিয়ে এসেছে। এসব কারণে সরকার এই দুই উপজেলায় সব ধরনের ইন্টারনেট সেবা বন্ধ করে দিয়েছে।