মা ও নবজাতকের মৃত্যু রোধে বাংলাদেশের অগ্রগতি
jugantor
জাতিসংঘের প্রতিবেদন
মা ও নবজাতকের মৃত্যু রোধে বাংলাদেশের অগ্রগতি

  যুগান্তর ডেস্ক  

২১ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

প্রসূতি ও নবজাতকের মৃত্যুর হার কমানোর ক্ষেত্রে দারুণ অগ্রগতি সাধন করেছে বাংলাদেশ। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও জাতিসংঘ শিশু তহবিলের (ইউনিসেফ) করা এক যৌথ প্রতিবেদনে এ কথা জানানো হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মা ও শিশু মৃত্যু রোধে বৈশ্বিকভাবেই পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি উন্নতি হয়েছে দক্ষিণ এশিয়ায়। এরপরও বিশ্বব্যাপী এখনও প্রতি ১১ সেকেন্ডে একজন প্রসূতি বা নবজাতকের মৃত্যু হচ্ছে। যৌথ প্রতিবেদনটি বৃহস্পতিবার প্রকাশ করা হয়। এতে বলা হয়েছে, ১৯৯০ সালে বিশ্বব্যাপী ১৫ বছরের কম বয়সী শিশুর মৃত্যুর সংখ্যা ছিল ১ কোটি ৪২ লাখ। ২০১৮ সালে তা ৬২ লাখে এসে দাঁড়িয়েছে। পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলো এক্ষেত্রে সবচেয়ে অগ্রগতি অর্জন করেছে। সেখানে শিশু মৃত্যুর হার ৮০ শতাংশ কমেছে। দক্ষিণ এশিয়ায় ২০০০ সালের তুলনায় ২০১৭ সালে মাতৃত্বজনিত সমস্যায় মৃত্যুর হার ৩৮ শতাংশ কমেছে। প্রসূতি ও নবজাতকের মৃত্যুর হার কমানোর ক্ষেত্রে বেলারুশ, বাংলাদেশ, কম্বোডিয়া, কাজাখস্তান, মালাওয়ি, মরক্কো, মঙ্গোলিয়া, রুয়ান্ডা, তিমুর-লেস্তে ও জাম্বিয়া দ্রুত উন্নতি করেছে। সেখানে স্বাস্থ্যসেবা ও অবকাঠামোগত ক্ষেত্রে বেশ উন্নতি হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিশ্বব্যাপী এখনও সন্তান জন্মদানের সময় ২৮ লাখ নারীর মৃত্যু হচ্ছে। এর মধ্যে বেশিরভাগেরই মৃত্যু হচ্ছে নিরাময়যোগ্য রোগে। শিশুদের মধ্যে ৫৩ লাখেরই মৃত্যু হয় ৫ বছর বয়সের আগে। এদের অর্ধেকেরই আবার মৃত্যু হয় জন্মের প্রথম মাসেই।

জাতিসংঘের প্রতিবেদন

মা ও নবজাতকের মৃত্যু রোধে বাংলাদেশের অগ্রগতি

 যুগান্তর ডেস্ক 
২১ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

প্রসূতি ও নবজাতকের মৃত্যুর হার কমানোর ক্ষেত্রে দারুণ অগ্রগতি সাধন করেছে বাংলাদেশ। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও জাতিসংঘ শিশু তহবিলের (ইউনিসেফ) করা এক যৌথ প্রতিবেদনে এ কথা জানানো হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মা ও শিশু মৃত্যু রোধে বৈশ্বিকভাবেই পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি উন্নতি হয়েছে দক্ষিণ এশিয়ায়। এরপরও বিশ্বব্যাপী এখনও প্রতি ১১ সেকেন্ডে একজন প্রসূতি বা নবজাতকের মৃত্যু হচ্ছে। যৌথ প্রতিবেদনটি বৃহস্পতিবার প্রকাশ করা হয়। এতে বলা হয়েছে, ১৯৯০ সালে বিশ্বব্যাপী ১৫ বছরের কম বয়সী শিশুর মৃত্যুর সংখ্যা ছিল ১ কোটি ৪২ লাখ। ২০১৮ সালে তা ৬২ লাখে এসে দাঁড়িয়েছে। পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলো এক্ষেত্রে সবচেয়ে অগ্রগতি অর্জন করেছে। সেখানে শিশু মৃত্যুর হার ৮০ শতাংশ কমেছে। দক্ষিণ এশিয়ায় ২০০০ সালের তুলনায় ২০১৭ সালে মাতৃত্বজনিত সমস্যায় মৃত্যুর হার ৩৮ শতাংশ কমেছে। প্রসূতি ও নবজাতকের মৃত্যুর হার কমানোর ক্ষেত্রে বেলারুশ, বাংলাদেশ, কম্বোডিয়া, কাজাখস্তান, মালাওয়ি, মরক্কো, মঙ্গোলিয়া, রুয়ান্ডা, তিমুর-লেস্তে ও জাম্বিয়া দ্রুত উন্নতি করেছে। সেখানে স্বাস্থ্যসেবা ও অবকাঠামোগত ক্ষেত্রে বেশ উন্নতি হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিশ্বব্যাপী এখনও সন্তান জন্মদানের সময় ২৮ লাখ নারীর মৃত্যু হচ্ছে। এর মধ্যে বেশিরভাগেরই মৃত্যু হচ্ছে নিরাময়যোগ্য রোগে। শিশুদের মধ্যে ৫৩ লাখেরই মৃত্যু হয় ৫ বছর বয়সের আগে। এদের অর্ধেকেরই আবার মৃত্যু হয় জন্মের প্রথম মাসেই।