ধামরাইয়ে বেতন ভাতার দাবিতে শ্রমিক বিক্ষোভ
jugantor
ধামরাইয়ে বেতন ভাতার দাবিতে শ্রমিক বিক্ষোভ

  ধামরাই (ঢাকা) প্রতিনিধি  

২২ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ঢাকার ধামরাইয়ে বকেয়া বেতন-ভাতার দাবিতে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে টায়ারে আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ করেছে দ্য ইমাকুলেট টেক্সটাইল লিমিটেড কারখানার শ্রমিকরা। তালতলা সাদা মাঠ এলাকায় শনিবার তারা এ বিক্ষোভ করে। শ্রমিকদের বিক্ষোভে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের ১০ কিমি যানজট সৃষ্টি হয়। এতে দূর-দূরান্তের যাত্রীরা চরম দুর্ভোগে পড়েন। পরে ধামরাই পুলিশ পরিস্থিতি শান্ত করে।

ইমাকুলেট কারখানার প্রশাসনিক কর্মকর্তা হাবিব বলেন, আগামী বৃহস্পতিবার শ্রমিকদের সব পাওনা পরিশোধ করা হবে। ধামরাই থানার ওসি দীপক চন্দ্র সাহা জানান, কারখানা মালিকপক্ষ বকেয়া বেতন পরিশোধের অঙ্গীকার করেছে। বৃহস্পতিবারের মধ্যে ৩ মাসের বকেয়া বেতন-ভাতা পরিশোধ করা হবে।

শ্রমিকরা বলেন, কারাখানা মালিকপক্ষ ৩ মাসের বকেয়া বেতন-ভাতা পরিশোধ না করে দিনের পর দিন ঘুরাচ্ছে। ন্যায্য পাওনা দাবি করলে কারখানা কর্তৃপক্ষ তাদের ভাড়াটিয়া গুণ্ডা বাহিনী দিয়ে আমাদের ওপর হামলা চালায়। অনেককে চাকুরিচ্যুত করা হয়। এজন্য শ্রম আইনে তিন মাসের বেতনসহ যাবতীয় পাওনা পরিশোধের বিধান থাকলেও তা মানছে না কর্তৃপক্ষ। আমরা বাড়ি ভাড়া ও দোকান বাকির টাকা দিতে পারছি না। অর্থের অভাবে খেয়ে না খেয়ে দিনযাপন করছি। বাড়িতে মা-বাবাসহ পরিবার-পরিজনদের জন্য কোনো টাকাকড়ি পাঠাতে পারছি না। সন্তানদের লেখাপড়া বন্ধের উপক্রম হয়েছে। অনেক শ্রমিকের ৬ বা ৭ মাসের বেতন বাকি রয়েছে। শনিবার বেতন দেয়ার কথা থাকলেও তা দেয়নি মালিকপক্ষ। এ কারণে বিক্ষোভ করে শ্রমিকরা।

ধামরাইয়ে বেতন ভাতার দাবিতে শ্রমিক বিক্ষোভ

 ধামরাই (ঢাকা) প্রতিনিধি  
২২ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ঢাকার ধামরাইয়ে বকেয়া বেতন-ভাতার দাবিতে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে টায়ারে আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ করেছে দ্য ইমাকুলেট টেক্সটাইল লিমিটেড কারখানার শ্রমিকরা। তালতলা সাদা মাঠ এলাকায় শনিবার তারা এ বিক্ষোভ করে। শ্রমিকদের বিক্ষোভে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের ১০ কিমি যানজট সৃষ্টি হয়। এতে দূর-দূরান্তের যাত্রীরা চরম দুর্ভোগে পড়েন। পরে ধামরাই পুলিশ পরিস্থিতি শান্ত করে।

ইমাকুলেট কারখানার প্রশাসনিক কর্মকর্তা হাবিব বলেন, আগামী বৃহস্পতিবার শ্রমিকদের সব পাওনা পরিশোধ করা হবে। ধামরাই থানার ওসি দীপক চন্দ্র সাহা জানান, কারখানা মালিকপক্ষ বকেয়া বেতন পরিশোধের অঙ্গীকার করেছে। বৃহস্পতিবারের মধ্যে ৩ মাসের বকেয়া বেতন-ভাতা পরিশোধ করা হবে।

শ্রমিকরা বলেন, কারাখানা মালিকপক্ষ ৩ মাসের বকেয়া বেতন-ভাতা পরিশোধ না করে দিনের পর দিন ঘুরাচ্ছে। ন্যায্য পাওনা দাবি করলে কারখানা কর্তৃপক্ষ তাদের ভাড়াটিয়া গুণ্ডা বাহিনী দিয়ে আমাদের ওপর হামলা চালায়। অনেককে চাকুরিচ্যুত করা হয়। এজন্য শ্রম আইনে তিন মাসের বেতনসহ যাবতীয় পাওনা পরিশোধের বিধান থাকলেও তা মানছে না কর্তৃপক্ষ। আমরা বাড়ি ভাড়া ও দোকান বাকির টাকা দিতে পারছি না। অর্থের অভাবে খেয়ে না খেয়ে দিনযাপন করছি। বাড়িতে মা-বাবাসহ পরিবার-পরিজনদের জন্য কোনো টাকাকড়ি পাঠাতে পারছি না। সন্তানদের লেখাপড়া বন্ধের উপক্রম হয়েছে। অনেক শ্রমিকের ৬ বা ৭ মাসের বেতন বাকি রয়েছে। শনিবার বেতন দেয়ার কথা থাকলেও তা দেয়নি মালিকপক্ষ। এ কারণে বিক্ষোভ করে শ্রমিকরা।