টেকনাফ স্থলবন্দরে খালাসে বিলম্ব

ট্রলারেই পচে যাচ্ছে মিয়ানমার থেকে আনা পেঁয়াজ

  টেকনাফ (কক্সবাজার) প্রতিনিধি ১০ অক্টোবর ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

মিয়ানমার থেকে আমদানি করা পেঁয়াজ ট্রলারেই পচে যাচ্ছে। ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, টেকনাফ স্থলবন্দরে পচনশীল এই পণ্য ট্রলার থেকে খালাসে আধুনিক সুযোগ-সুবিধা নেই। পর্যাপ্ত জেটি ও শ্রমিকের অভাবে মূলত পেঁয়াজ খালাসের কাজ বিলম্বিত হচ্ছে। ফলে নোঙর করার দু-তিনদিন পার হলেও পেঁয়াজ খালাস করা যাচ্ছে না। ক্ষতির মুখে পড়েছেন পেঁয়াজ আমদানিকারকরা।

টেকনাফ স্থলবন্দরের কয়েকজন ব্যবসায়ী মঙ্গলবার জানান, পচা পেঁয়াজের গন্ধে বন্দরের বাতাস ভারি হয়ে উঠেছে। এছাড়া খালাসের অপেক্ষায় বন্দরে ৮টি পেঁয়াজবোঝাই ট্রলার অপেক্ষমাণ রয়েছে।

আমদানিকারক এএফ এজেন্সির স্বত্বাধিকারী মো. সেলিম জানান, খালাস করতে দেরি হওয়ায় মঙ্গলবার তার ট্রলারের ৮০০ বস্তা পেঁয়াজ নষ্ট হয়ে গেছে। এখন সেসব পেঁয়াজ থেকে ভালো পেঁয়াজ বাছাই করে কোনোরকমে লোকসান কমানোর চেষ্টায় আছেন। একইভাবে অন্য ব্যবসায়ীদের পেঁয়াজও নষ্ট হয়ে গেছে খালাসে দেরি হওয়ার কারণে।

জানতে চাইলে স্থলবন্দর ব্যবস্থাপক জসিম উদ্দিন জেটি ও শ্রমিক সংকটের কথা অস্বীকার করে বলেন, বন্দরে শ্রমিক সংকট নেই। দুটি জেটি দিয়ে দ্রুত পেঁয়াজ খালাস করা হচ্ছে। মূলত মিয়ানমার থেকেই পচা পেঁয়াজ আসছে বলে দাবি করেন তিনি।

অপরদিকে টেকনাফ স্থলবন্দর সিএন্ডএফ অ্যাসোসিয়েশন সাধারণ সম্পাদক এহতেশামুল হক দাবি করেন, জাহাজ বন্দরে নোঙর করার সঙ্গে সঙ্গেই আমদানি ঘোষণাপত্র (আইজিএম) জমা দেয়া হয়। তিনি আরও জানান, কাঁচাপণ্য হিসেবে যত দ্রুত পেঁয়াজ খালাস করার কথা, বন্দর কর্তৃপক্ষের সেই সামর্থ্য না থাকায় তা সম্ভব হয়ে উঠছে না। ফলে পেঁয়াজ পচে যাচ্ছে ট্রলারেই। এতে ব্যবসায়ীরা লোকসানের শিকার হচ্ছেন বলে জানান তিনি।

আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×