ভ্রাম্যমাণ আদালতে দণ্ডিত কত শিশু মুক্তি পেয়েছে জানতে চান হাইকোর্ট

  যুগান্তর রিপোর্ট ২০ নভেম্বর ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

ভ্রাম্যমাণ আদালতে দণ্ডিত হয়ে ১২ থেকে ১৮ বছর বয়সী কতজন শিশু জামিনে মুক্তি পেয়েছে, তা জানতে চেয়েছেন হাইকোর্ট। পাশাপাশি শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে থাকা ১২ বছরের কম বয়সী কতজন শিশু মুক্তি পেয়েছে এবং তাদের কার কাছে তুলে দেয়া হয়েছে তাও জানতে চেয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও বিচারপতি মো. মাহমুদ হাসান তালুকদার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চ এ আদেশ দেন। একটি দৈনিকে প্রকাশিত উল্লিখিত শিশুর বাইরে ভ্রাম্যমাণ আদালতে দণ্ডিত অন্য কোনো শিশু আছে কিনা, থাকলে তাদের ক্ষেত্রে কী পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে, তাও জানাতে বলেছেন আদালত। মঙ্গলবারের মধ্যে রাষ্ট্রপক্ষকে এসব তথ্য জানাতে হবে। ওই দিন পরবর্তী আদেশের দিন ধার্য করেছেন আদালত। আদালতে শুনানিতে অংশ নেন আইনজীবী আবদুল হালিম। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিপুল বাগমার।

‘আইনে মানা, তবু ১২১ শিশুর দণ্ড’ শিরোনামে ৩১ অক্টোবর একটি দৈনিকে প্রতিবেদন প্রকাশ হলে তা নজরে আনেন চিলড্রেনস চ্যারিটি বাংলাদেশ ফাউন্ডেশনের (সিসিবি ফাউন্ডেশন) চেয়ারম্যান ও সুপ্রিমকোর্টের আইনজীবী আবদুল হালিম। শুনানি শেষে স্বপ্রণোদিত হয়ে ওই আদেশ দেন আদালত। ওইদিন ভ্রাম্যমাণ আদালতে দণ্ডিত হয়ে গাজীপুরের টঙ্গী ও যশোরের পুলেরহাটের কিশোর উন্নয়ন কেন্দ্রে থাকা ১২ বছরের কম বয়সী শিশুদের অবিলম্বে মুক্তির নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। টঙ্গী ও যশোর কিশোর উন্নয়ন কেন্দ্রের তত্ত্বাবধায়কদের প্রতি এ নির্দেশ দেয়া হয়। একই সঙ্গে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে দণ্ডিত হয়ে শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে থাকা ১২ বছরের বেশি বয়সী থেকে ১৮ বছর পর্যন্ত বয়সী শিশুদের ৬ মাসের জামিন দেন হাইকোর্ট।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×