চরভদ্রাসনে ৪৪ এসএসসি পরীক্ষার্থী প্রবেশপত্র পাননি
jugantor
চরভদ্রাসনে ৪৪ এসএসসি পরীক্ষার্থী প্রবেশপত্র পাননি

  ফরিদপুর ব্যুরো  

৩১ জানুয়ারি ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ফরিদপুরের চরভদ্রাসন উপজেলার হরিরামপুর উচ্চবিদ্যালয়ের ৪৪ এসএসসি পরীক্ষার্থী এখনও প্রবেশপত্র না পেয়ে হতাশায় ভুগছেন। ফলে পরীক্ষায় অংশ নেয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা কাটছে না তাদের। প্রবেশপত্রের আশায় প্রতিদিনই স্কুলে গিয়ে ঘুরে আসছেন তারা। এ নিয়ে তারা ওই স্কুলের দুই শিক্ষকের বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগ এনেছেন।

ভুক্তভোগী পরীক্ষার্থীরা জানান, স্কুলের প্রধান শিক্ষক মো. লুৎফর রহমান ও আইসিটি শিক্ষক মো. সোহেল রানা তাদের পরীক্ষার ফরম পূরণের জন্য নির্ধারিত ফি নেন। কিন্তু তাদের কোনো রশিদ দেননি। রশিদ চাইলে পরে দেবেন বলে জানান। পরীক্ষার্থীরা পরে অবশ্য জানতে পারেন, তাদের ফরম পূরণের টাকা সময়মতো ব্যাংকে জমা না দেয়ায় বোর্ড থেকে তাদের প্রবেশপত্র সরবরাহ করা হয়নি।

জানা যায়, ওই বিদ্যালয় থেকে এবার বিজ্ঞান বিভাগে ৪ জন, বাণিজ্য বিভাগে ৪ জন ও মানবিক বিভাগে ৩৬ জন পরীক্ষার্থী এভাবে ফরম পূরণের টাকা জমা দিয়েছেন।

প্রধান শিক্ষক তার গাফিলতির কথা স্বীকার করে বলেন, বোর্ডে গিয়ে টাকা জমা না হওয়ার বিষয়টি জানতে পেরে তিনি নতুন করে টাকা জমা দিয়ে পরীক্ষার্থীদের প্রবেশপত্র আনার চেষ্টা করছেন। আইসিটি শিক্ষক সোহেলের ওপর নির্ভর করা তার ভুল হয়েছে বলেও তার দাবি।

এ ব্যাপারে সোহেল রানা সব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, সব কিছুই ঠিক আছে। তার কোনো গাফিলতি নেই। ১ ফেব্র“য়ারি শনিবার বিদ্যালয়ে এলে তিনি সব প্রমাণ দেখাতে পারবেন।

এ ব্যাপারে চরভদ্রাসন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জেসমিন সুলতানা সাংবাদিকদের বলেন, পরীক্ষার্থীদের কাছ থেকে অভিযোগ পেয়ে প্রবেশপত্র আনার ব্যবস্থা নিয়েছেন তিনি। পরবর্তীতে তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবেন।

চরভদ্রাসনে ৪৪ এসএসসি পরীক্ষার্থী প্রবেশপত্র পাননি

 ফরিদপুর ব্যুরো 
৩১ জানুয়ারি ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ফরিদপুরের চরভদ্রাসন উপজেলার হরিরামপুর উচ্চবিদ্যালয়ের ৪৪ এসএসসি পরীক্ষার্থী এখনও প্রবেশপত্র না পেয়ে হতাশায় ভুগছেন। ফলে পরীক্ষায় অংশ নেয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা কাটছে না তাদের। প্রবেশপত্রের আশায় প্রতিদিনই স্কুলে গিয়ে ঘুরে আসছেন তারা। এ নিয়ে তারা ওই স্কুলের দুই শিক্ষকের বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগ এনেছেন।

ভুক্তভোগী পরীক্ষার্থীরা জানান, স্কুলের প্রধান শিক্ষক মো. লুৎফর রহমান ও আইসিটি শিক্ষক মো. সোহেল রানা তাদের পরীক্ষার ফরম পূরণের জন্য নির্ধারিত ফি নেন। কিন্তু তাদের কোনো রশিদ দেননি। রশিদ চাইলে পরে দেবেন বলে জানান। পরীক্ষার্থীরা পরে অবশ্য জানতে পারেন, তাদের ফরম পূরণের টাকা সময়মতো ব্যাংকে জমা না দেয়ায় বোর্ড থেকে তাদের প্রবেশপত্র সরবরাহ করা হয়নি।

জানা যায়, ওই বিদ্যালয় থেকে এবার বিজ্ঞান বিভাগে ৪ জন, বাণিজ্য বিভাগে ৪ জন ও মানবিক বিভাগে ৩৬ জন পরীক্ষার্থী এভাবে ফরম পূরণের টাকা জমা দিয়েছেন।

প্রধান শিক্ষক তার গাফিলতির কথা স্বীকার করে বলেন, বোর্ডে গিয়ে টাকা জমা না হওয়ার বিষয়টি জানতে পেরে তিনি নতুন করে টাকা জমা দিয়ে পরীক্ষার্থীদের প্রবেশপত্র আনার চেষ্টা করছেন। আইসিটি শিক্ষক সোহেলের ওপর নির্ভর করা তার ভুল হয়েছে বলেও তার দাবি।

এ ব্যাপারে সোহেল রানা সব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, সব কিছুই ঠিক আছে। তার কোনো গাফিলতি নেই। ১ ফেব্র“য়ারি শনিবার বিদ্যালয়ে এলে তিনি সব প্রমাণ দেখাতে পারবেন।

এ ব্যাপারে চরভদ্রাসন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জেসমিন সুলতানা সাংবাদিকদের বলেন, পরীক্ষার্থীদের কাছ থেকে অভিযোগ পেয়ে প্রবেশপত্র আনার ব্যবস্থা নিয়েছেন তিনি। পরবর্তীতে তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবেন।