বানিয়াচংয়ে সংঘর্ষে পুলিশ সদস্যসহ আহত অর্ধশত
jugantor
জমি নিয়ে বিরোধ
বানিয়াচংয়ে সংঘর্ষে পুলিশ সদস্যসহ আহত অর্ধশত

  হবিগঞ্জ প্রতিনিধি  

৩১ জানুয়ারি ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ে দুই গ্রামবাসীর রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে পুলিশ সদস্য ও জনপ্রতিনিধিসহ অর্ধশতাধিক লোক আহত হয়েছে। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে অন্তত ২৫ রাউন্ড রাবার বুলেট ও ৫ রাউন্ড টিয়ারগ্যাস ছুড়েছে। এ সময় বেশ কয়েক দাঙ্গাবাজকে আটক করা হয়।

পুলিশ ও এলাকাবাসী জানান, জমি দখলকে কেন্দ্র করে বানিয়াচং উপজেলা সদরের দোয়াখানী এবং প্রথমরেখ গ্রামবাসীর মধ্যে বিরোধ চলছিল। এর জেরে বুধবার রাতে দোয়াখানী গ্রামের ছামির উদ্দিনকে রাস্তায় মারধর করে প্রথমরেখ গ্রামের নুর মিয়ার ছেলে দিলু মিয়া। এই জের ধরে বৃহস্পতিবার বিকালে উভয় গ্রামের লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়।

উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আবুল কাশেম চৌধুরী, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বানিয়াচং সার্কেল) শেখ মো. সেলিম, ওসি রঞ্জন কুমার সামন্তর নেতৃত্বে বিপুলসংখ্যক পুলিশ রাবার বুলেট ও টিয়ারগ্যাস নিক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। একপর্যায়ে দাঙ্গাবাজরা খড়ে আগুন দিলে পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ ধারণ করে। সংঘর্ষ নিয়ন্ত্রণ আনতে পুলিশের বেশ কয়েক সদস্য আহত হয়েছেন। ঘটনার পরপরই পুলিশ ৫ শতাধিক দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার এবং বেশ কয়েক দাঙ্গাবাজকে আটক করেছে।

জমি নিয়ে বিরোধ

বানিয়াচংয়ে সংঘর্ষে পুলিশ সদস্যসহ আহত অর্ধশত

 হবিগঞ্জ প্রতিনিধি 
৩১ জানুয়ারি ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ে দুই গ্রামবাসীর রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে পুলিশ সদস্য ও জনপ্রতিনিধিসহ অর্ধশতাধিক লোক আহত হয়েছে। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে অন্তত ২৫ রাউন্ড রাবার বুলেট ও ৫ রাউন্ড টিয়ারগ্যাস ছুড়েছে। এ সময় বেশ কয়েক দাঙ্গাবাজকে আটক করা হয়।

পুলিশ ও এলাকাবাসী জানান, জমি দখলকে কেন্দ্র করে বানিয়াচং উপজেলা সদরের দোয়াখানী এবং প্রথমরেখ গ্রামবাসীর মধ্যে বিরোধ চলছিল। এর জেরে বুধবার রাতে দোয়াখানী গ্রামের ছামির উদ্দিনকে রাস্তায় মারধর করে প্রথমরেখ গ্রামের নুর মিয়ার ছেলে দিলু মিয়া। এই জের ধরে বৃহস্পতিবার বিকালে উভয় গ্রামের লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়।

উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আবুল কাশেম চৌধুরী, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বানিয়াচং সার্কেল) শেখ মো. সেলিম, ওসি রঞ্জন কুমার সামন্তর নেতৃত্বে বিপুলসংখ্যক পুলিশ রাবার বুলেট ও টিয়ারগ্যাস নিক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। একপর্যায়ে দাঙ্গাবাজরা খড়ে আগুন দিলে পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ ধারণ করে। সংঘর্ষ নিয়ন্ত্রণ আনতে পুলিশের বেশ কয়েক সদস্য আহত হয়েছেন। ঘটনার পরপরই পুলিশ ৫ শতাধিক দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার এবং বেশ কয়েক দাঙ্গাবাজকে আটক করেছে।