দুই আসামির জামিন নামঞ্জুর বৈরী ঘোষিত আরেক সাক্ষী
jugantor
সুবর্ণচরে ভোটের রাতে গণধর্ষণ
দুই আসামির জামিন নামঞ্জুর বৈরী ঘোষিত আরেক সাক্ষী

  নোয়াখালী প্রতিনিধি  

০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষে ভোট দেয়ায় ৪ সন্তানের জননীকে গণধর্ষণ মামলায় রোববার এক সাক্ষীকে বৈরী ঘোষণা করেছে রাষ্ট্রপক্ষ। দুই প্রধান আসামির জামিন না মঞ্জুর করেছেন আদালত। ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষে ভোট দেয়ায় সুবর্ণচর উপজেলা আওয়ামী লীগ প্রচার সম্পাদক রুহুল আমিনের নেতৃত্বে ওই নারীকে গণধর্ষণ করা হয়। এ ঘটনায় করা মামলায় রোববার চার্জশিটের সাক্ষী সামছুন্নাহারের সাক্ষ্য গ্রহণের একপর্যায়ে রাষ্ট্রপক্ষ সাক্ষীকে বৈরী ঘোষণা করেন। সাক্ষী শামছুন্নাহার তদন্ত কর্মকর্তার কাছে দেয়া ১৬১ ধারার জবানবন্দির কিছু অংশ অস্বীকার করায় তাকে বৈরী ঘোষণা করা হয়। এরপর রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের জেরার সময় সামছুন্নাহার আদালতকে জানান, ঘটনার পর তিনি ভিকটিমের বাড়ি গিয়ে ভিকটিমকে কম্বল মোড়ানো অবস্থায় দেখতে পান এবং তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পর তিনি জানতে পারেন একই এলাকার সোহেল, আবু, বেছু, মোশাররফ, সোহেল-২ ওই নারীকে ধর্ষণ করেছে। এ সময় তিনি ভিকটিমের ছেলে ও মেয়েকে কাঁদতে দেখেন। পরে বাদীপক্ষের জেরায় সাক্ষী জানান, ওই তারিখে ওই বাড়িতে কোনো ঘটনাই ঘটেনি। আসামি রুহুল আমিন আওয়ামী লীগ করেন। তার বিরুদ্ধে ভিকটিমের স্বামী অন্য প্রার্থীর পক্ষে ইউপি সদস্যপদে ভোটে প্রচারণা চালিয়েছে। এ নিয়ে তাদের মধ্যে এলাকায় কোনো ঝামেলা হয়নি। অপরদিকে মামলার প্রধান দুই আসামি আওয়ামী লীগ নেতা রুহুল আমিন ও হাসান আলী ভুলুর জামিনের আবেদন নামঞ্জুর করেছেন আদালত।

সুবর্ণচরে ভোটের রাতে গণধর্ষণ

দুই আসামির জামিন নামঞ্জুর বৈরী ঘোষিত আরেক সাক্ষী

 নোয়াখালী প্রতিনিধি 
০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষে ভোট দেয়ায় ৪ সন্তানের জননীকে গণধর্ষণ মামলায় রোববার এক সাক্ষীকে বৈরী ঘোষণা করেছে রাষ্ট্রপক্ষ। দুই প্রধান আসামির জামিন না মঞ্জুর করেছেন আদালত। ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষে ভোট দেয়ায় সুবর্ণচর উপজেলা আওয়ামী লীগ প্রচার সম্পাদক রুহুল আমিনের নেতৃত্বে ওই নারীকে গণধর্ষণ করা হয়। এ ঘটনায় করা মামলায় রোববার চার্জশিটের সাক্ষী সামছুন্নাহারের সাক্ষ্য গ্রহণের একপর্যায়ে রাষ্ট্রপক্ষ সাক্ষীকে বৈরী ঘোষণা করেন। সাক্ষী শামছুন্নাহার তদন্ত কর্মকর্তার কাছে দেয়া ১৬১ ধারার জবানবন্দির কিছু অংশ অস্বীকার করায় তাকে বৈরী ঘোষণা করা হয়। এরপর রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের জেরার সময় সামছুন্নাহার আদালতকে জানান, ঘটনার পর তিনি ভিকটিমের বাড়ি গিয়ে ভিকটিমকে কম্বল মোড়ানো অবস্থায় দেখতে পান এবং তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পর তিনি জানতে পারেন একই এলাকার সোহেল, আবু, বেছু, মোশাররফ, সোহেল-২ ওই নারীকে ধর্ষণ করেছে। এ সময় তিনি ভিকটিমের ছেলে ও মেয়েকে কাঁদতে দেখেন। পরে বাদীপক্ষের জেরায় সাক্ষী জানান, ওই তারিখে ওই বাড়িতে কোনো ঘটনাই ঘটেনি। আসামি রুহুল আমিন আওয়ামী লীগ করেন। তার বিরুদ্ধে ভিকটিমের স্বামী অন্য প্রার্থীর পক্ষে ইউপি সদস্যপদে ভোটে প্রচারণা চালিয়েছে। এ নিয়ে তাদের মধ্যে এলাকায় কোনো ঝামেলা হয়নি। অপরদিকে মামলার প্রধান দুই আসামি আওয়ামী লীগ নেতা রুহুল আমিন ও হাসান আলী ভুলুর জামিনের আবেদন নামঞ্জুর করেছেন আদালত।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন