‘টাকার মেশিন’ সেই অধ্যক্ষ বরখাস্ত
jugantor
‘টাকার মেশিন’ সেই অধ্যক্ষ বরখাস্ত

  যুগান্তর রিপোর্ট  

০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

পাবনার চাটমোহর সরকারি কলেজের আলোচিত সেই অধ্যক্ষ মো. মিজানুর রহমানকে অবশেষে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। বুধবার রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের উপসচিব ড. শ্রীকান্ত কুমার চন্দ এ আদেশ জারি করেন। গত বছরের ২৭ অক্টোবর ‘টাকার মেশিন কলেজ অধ্যক্ষ মিজানুর রহমান’ শিরোনামে যুগান্তরে একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদন ছাপা হয়। এরপর তার বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি গঠন করে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদফতর। ওই তদন্ত কমিটির সদস্যদের সঙ্গে ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ, তদন্তে অসহযোগিতা ও সরকারি কাজে বাধা প্রদানসহ নানা অভিযোগে তাকে বরখাস্ত করার সুপারিশ করা হয়।

অফিস আদেশে বলা হয়েছে, চাটমোহর সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ মো. মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগের প্রেক্ষিতে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদফতর থেকে তদন্ত করা হয়। তদন্তকালে তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সহযোগিতা করেননি। বরং কীভাবে তা বাধাগ্রস্ত করা যায় সেই অপচেষ্টা করেছেন। তদন্ত কমিটির সদস্যদের সঙ্গে অধ্যক্ষের এহেন আচরণ অসদাচরণ, ঔদ্ধত্যপূর্ণ এবং তিনি তদন্তকাজে অসহযোগিতা কিংবা সরকারি কাজে বাধা দেয়ার অভিযোগ প্রমাণিত হয়। এর আগে কলেজের শতবর্ষী গাছ কাটার মামলায় গত ২৬ জানুয়ারি পাবনা চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আবু সালেহ মো. সালাহউদ্দিন খাঁ শুনানি শেষে মিজানুর রহমানের জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। পরে মিজানুর রহমান পাবনা জেলা ও দায়রা জজ আদালতে জামিন আবেদন করলে বিজ্ঞ জেলা ও দায়রা জজ মো. মকবুল আহসান তার জামিন আবেদন মঞ্জুর করেন। বুধবার তিনি কারাগার থেকে মুক্ত হন।

‘টাকার মেশিন’ সেই অধ্যক্ষ বরখাস্ত

 যুগান্তর রিপোর্ট 
০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

পাবনার চাটমোহর সরকারি কলেজের আলোচিত সেই অধ্যক্ষ মো. মিজানুর রহমানকে অবশেষে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। বুধবার রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের উপসচিব ড. শ্রীকান্ত কুমার চন্দ এ আদেশ জারি করেন। গত বছরের ২৭ অক্টোবর ‘টাকার মেশিন কলেজ অধ্যক্ষ মিজানুর রহমান’ শিরোনামে যুগান্তরে একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদন ছাপা হয়। এরপর তার বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি গঠন করে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদফতর। ওই তদন্ত কমিটির সদস্যদের সঙ্গে ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ, তদন্তে অসহযোগিতা ও সরকারি কাজে বাধা প্রদানসহ নানা অভিযোগে তাকে বরখাস্ত করার সুপারিশ করা হয়।

অফিস আদেশে বলা হয়েছে, চাটমোহর সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ মো. মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগের প্রেক্ষিতে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদফতর থেকে তদন্ত করা হয়। তদন্তকালে তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সহযোগিতা করেননি। বরং কীভাবে তা বাধাগ্রস্ত করা যায় সেই অপচেষ্টা করেছেন। তদন্ত কমিটির সদস্যদের সঙ্গে অধ্যক্ষের এহেন আচরণ অসদাচরণ, ঔদ্ধত্যপূর্ণ এবং তিনি তদন্তকাজে অসহযোগিতা কিংবা সরকারি কাজে বাধা দেয়ার অভিযোগ প্রমাণিত হয়। এর আগে কলেজের শতবর্ষী গাছ কাটার মামলায় গত ২৬ জানুয়ারি পাবনা চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আবু সালেহ মো. সালাহউদ্দিন খাঁ শুনানি শেষে মিজানুর রহমানের জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। পরে মিজানুর রহমান পাবনা জেলা ও দায়রা জজ আদালতে জামিন আবেদন করলে বিজ্ঞ জেলা ও দায়রা জজ মো. মকবুল আহসান তার জামিন আবেদন মঞ্জুর করেন। বুধবার তিনি কারাগার থেকে মুক্ত হন।