বেতন-ভাতার দাবিতে পরিচালকের কক্ষ ঘেরাও পুলিশ মোতায়েন
jugantor
ফমেক হাসপাতাল
বেতন-ভাতার দাবিতে পরিচালকের কক্ষ ঘেরাও পুলিশ মোতায়েন

  ফরিদপুর ব্যুরো  

০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ (ফমেক) হাসপাতালের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতার দাবিতে পরিচালকের কক্ষ ঘেরাও করেছে হাসপাতালে কর্মরত কর্মকর্তা, চিকিৎসক ও কর্মচারীরা। বুধবার বেলা সাড়ে ১০টার দিকে হাসপাতালের সকল কার্যক্রম বন্ধ রেখে তারা এ ঘেরাও কর্মসূচিতে অংশ নেন। এ ঘটনায় ফমেক হাসপাতালের শৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশ মোতায়েন রাখা হয়েছে। সকাল সাড়ে ১০টা থেকে ১২টা পর্যন্ত আন্দোলনকারীরা পরিচালকের কক্ষ ঘেরাও করে রয়েছেন। এ সময় পরিচালক ও সহকারী পরিচালক কেউই অফিসে ছিলেন না।

জানা যায়, ফমেক হাসপাতালের পরিচালক কামদা প্রসাদ সাহা বদলিজনিত কারণে জানুয়ারি মাসে হাসপাতাল থেকে চলে যান। পরবর্তীতে ভারপ্রাপ্ত পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পান ডা. আফজাল হোসেন। কিন্তু তিনি তার দায়িত্ব না নিয়ে ছুটিতে চলে যান। ফলে গত মাস থেকে হাসপাতালে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারী ও চিকিৎসকেরা বেতন তুলতে পারছেন না। বাধ্য হয়েই তারা এ ধরনের কর্মসূচি করছেন। পরিচালকের কক্ষ ঘেরাওকালে হাসপাতালের রোগীরা বিড়ম্বনায় পড়েন।

ফমেক হাসপাতাল

বেতন-ভাতার দাবিতে পরিচালকের কক্ষ ঘেরাও পুলিশ মোতায়েন

 ফরিদপুর ব্যুরো 
০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ (ফমেক) হাসপাতালের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতার দাবিতে পরিচালকের কক্ষ ঘেরাও করেছে হাসপাতালে কর্মরত কর্মকর্তা, চিকিৎসক ও কর্মচারীরা। বুধবার বেলা সাড়ে ১০টার দিকে হাসপাতালের সকল কার্যক্রম বন্ধ রেখে তারা এ ঘেরাও কর্মসূচিতে অংশ নেন। এ ঘটনায় ফমেক হাসপাতালের শৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশ মোতায়েন রাখা হয়েছে। সকাল সাড়ে ১০টা থেকে ১২টা পর্যন্ত আন্দোলনকারীরা পরিচালকের কক্ষ ঘেরাও করে রয়েছেন। এ সময় পরিচালক ও সহকারী পরিচালক কেউই অফিসে ছিলেন না।

জানা যায়, ফমেক হাসপাতালের পরিচালক কামদা প্রসাদ সাহা বদলিজনিত কারণে জানুয়ারি মাসে হাসপাতাল থেকে চলে যান। পরবর্তীতে ভারপ্রাপ্ত পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পান ডা. আফজাল হোসেন। কিন্তু তিনি তার দায়িত্ব না নিয়ে ছুটিতে চলে যান। ফলে গত মাস থেকে হাসপাতালে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারী ও চিকিৎসকেরা বেতন তুলতে পারছেন না। বাধ্য হয়েই তারা এ ধরনের কর্মসূচি করছেন। পরিচালকের কক্ষ ঘেরাওকালে হাসপাতালের রোগীরা বিড়ম্বনায় পড়েন।