কসবায় নলকূপের পাইপ দিয়ে বেরোচ্ছে গ্যাস, বালু ও পানি
jugantor
কসবায় নলকূপের পাইপ দিয়ে বেরোচ্ছে গ্যাস, বালু ও পানি

  ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি  

০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার বায়েক ইউনিয়নের শেরেবাংলা উচ্চ বিদ্যালয়ে বসানো নতুন নলকূপের পাইপ দিয়ে বুধবার দুপুর থেকে গ্যাস, বালু আর পানি বের হচ্ছে। এ অবস্থায় বিদ্যালয়টি সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। আশপাশের লোকজনকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার দায়িত্বে থাকা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. জাহাঙ্গীর হোসেন, কসবা থানার ওসি মো. লোকমান হোসেনসহ সালদা গ্যাসক্ষেত্র সংশ্লিষ্টরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। পরিস্থিতিকে কেন্দ্র করে সেখানে প্রচুর লোকজনের ভিড় থাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। সতর্কতা হিসেবে বিদ্যালয়ের চারদিকে লাল নিশান টানিয়ে দেয়া হয়েছে। পাইপ দিয়ে দ্রুত বের হওয়া বালু ও পানিতে পুরো বিদ্যালয়ের মাঠ ভরে গেছে। ধসে পড়ার আশঙ্কায় বিদ্যালয়ের একটি ভবন থেকে সরিয়ে নেয়া হয়েছে আসবাবপত্র। বিদ্যালয়টি সাময়িকভাবে বন্ধও ঘোষণা করা হয়েছে। নলকূপের পাশের একটি পরিবারকেও সেখান থেকে সরিয়ে নেয়া হয়েছে। আশপাশের বাড়ির মানুষকে রান্নাবান্না না করার জন্য বলা হয়েছে। পাশাপাশি ধূমপান কিংবা অন্য কোনো কারণে আগুন ব্যবহার না করতেও বলা হচ্ছে।

শেরেবাংলা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও বায়েক ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আল মামুন ভূঁইয়া জানান, সরকারিভাবে বিদ্যালয়ে গভীর নলকূপ বসানোর কাজ চলছে। প্রায় ৫৪০ ফুট পর্যন্ত পাইপ বসানোর পর বুধবার দুপুর থেকে পাইপ দিয়ে গ্যাস বেরোতে থাকে। একপর্যায়ে প্রচণ্ড গতিতে গ্যাসের সঙ্গে বালু ও পানি বেরোতে থাকে। কোনোভাবেই এটা বন্ধ করা যাচ্ছে না। কসবা ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার আবদুল্লাহ খালিদ জানান, নলকূপের পাইপ গভীরে প্রবেশ করার পরই তীব্রগতিতে গ্যাস-কাদা-বালিসহ বের হয়ে আসছে।

কসবায় নলকূপের পাইপ দিয়ে বেরোচ্ছে গ্যাস, বালু ও পানি

 ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি 
০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার বায়েক ইউনিয়নের শেরেবাংলা উচ্চ বিদ্যালয়ে বসানো নতুন নলকূপের পাইপ দিয়ে বুধবার দুপুর থেকে গ্যাস, বালু আর পানি বের হচ্ছে। এ অবস্থায় বিদ্যালয়টি সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। আশপাশের লোকজনকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার দায়িত্বে থাকা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. জাহাঙ্গীর হোসেন, কসবা থানার ওসি মো. লোকমান হোসেনসহ সালদা গ্যাসক্ষেত্র সংশ্লিষ্টরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। পরিস্থিতিকে কেন্দ্র করে সেখানে প্রচুর লোকজনের ভিড় থাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। সতর্কতা হিসেবে বিদ্যালয়ের চারদিকে লাল নিশান টানিয়ে দেয়া হয়েছে। পাইপ দিয়ে দ্রুত বের হওয়া বালু ও পানিতে পুরো বিদ্যালয়ের মাঠ ভরে গেছে। ধসে পড়ার আশঙ্কায় বিদ্যালয়ের একটি ভবন থেকে সরিয়ে নেয়া হয়েছে আসবাবপত্র। বিদ্যালয়টি সাময়িকভাবে বন্ধও ঘোষণা করা হয়েছে। নলকূপের পাশের একটি পরিবারকেও সেখান থেকে সরিয়ে নেয়া হয়েছে। আশপাশের বাড়ির মানুষকে রান্নাবান্না না করার জন্য বলা হয়েছে। পাশাপাশি ধূমপান কিংবা অন্য কোনো কারণে আগুন ব্যবহার না করতেও বলা হচ্ছে।

শেরেবাংলা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও বায়েক ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আল মামুন ভূঁইয়া জানান, সরকারিভাবে বিদ্যালয়ে গভীর নলকূপ বসানোর কাজ চলছে। প্রায় ৫৪০ ফুট পর্যন্ত পাইপ বসানোর পর বুধবার দুপুর থেকে পাইপ দিয়ে গ্যাস বেরোতে থাকে। একপর্যায়ে প্রচণ্ড গতিতে গ্যাসের সঙ্গে বালু ও পানি বেরোতে থাকে। কোনোভাবেই এটা বন্ধ করা যাচ্ছে না। কসবা ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার আবদুল্লাহ খালিদ জানান, নলকূপের পাইপ গভীরে প্রবেশ করার পরই তীব্রগতিতে গ্যাস-কাদা-বালিসহ বের হয়ে আসছে।