বেরোবির ভিসিকে নিয়ে বিভক্ত শিক্ষকরা
jugantor
বেরোবির ভিসিকে নিয়ে বিভক্ত শিক্ষকরা

  বেরোবি প্রতিনিধি  

০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) ভিসি প্রফেসর ড. নাজমুল আহসানকে কেন্দ্র করে শিক্ষকদের দুটি পক্ষ মাঠে নেমেছে। একটি পক্ষ তার বিরুদ্ধে অনিয়ম দুর্নীতি-স্বেচ্ছাচারিতাসহ নানা অভিযোগ এনেছে। আরেকটি পক্ষ বলছে ভিসির নেতৃত্বে বিশ্ববিদ্যালয় সঠিক পথেই এগিয়ে চলেছে।

৩১ জানুয়ারি আত্মপ্রকাশ করা জ্যেষ্ঠ শিক্ষকদের সংগঠন অধিকার সুরক্ষা পরিষদ বুধবার সংবাদ সম্মেলন করে ভিসির বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ তুলে ধরে। সুরক্ষা পরিষদের নেতারা বলেন, চ্যান্সেলর প্রদত্ত নিয়োগের শর্ত লঙ্ঘন করে ভিসি ক্যাম্পাসে অনুপস্থিত থেকে একাডেমিক এবং প্রশাসনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গ করছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবর্তে ঢাকার লিয়াজোঁ অফিসে সিন্ডিকেট সভা করেন। নিয়োগসহ সব সভা করে প্রতিষ্ঠানের লাখ লাখ টাকা অপচয় করছেন। বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও সদ্য নিয়োগ পাওয়া শিক্ষক কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বুনিয়াদি কোর্সের নামে ঢাকায় রেখে ব্যক্তিগত কাজ করাচ্ছেন।

পরদিন বৃহস্পতিবার নতুন নিয়োগ পাওয়া শিক্ষকদের সংগঠন নবপ্রজন্ম শিক্ষক পরিষদ বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাফেটেরিয়ায় সংবাদ সম্মেলন করে। এদিনই সংগঠনটি আত্মপ্রকাশ করে। সংগঠনটির আহ্বায়ক সমাজবিজ্ঞান বিভাগের সদ্য নিয়োগ পাওয়া প্রভাষক সুমাইয়া তাহসিন হামিদা বলেন, বর্তমান ভিসির নেতৃত্বে বিশ্ববিদ্যালয় গুণগত ও অবকাঠামোগতভাবে এগিয়ে চলছে। ঢাকাসহ বেশ কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়কে পেছনে ফেলে গবেষণা ও জার্নাল প্রকাশে শীর্ষস্থান দখল করার পাশাপাশি ক্যাম্পাসে ওয়াই-ফাই ইন্টারনেট সুবিধা, ক্যাম্পাস রেডিও, ভার্চুয়াল ক্লাসরুম এবং ক্যাফেটেরিয়া চালুসহ শিক্ষার্থীরা নানা সুবিধা পাচ্ছেন।

লিখিত বক্তব্যে হামিদা অভিযোগ করেন, স্বার্থান্বেষী মহল নিজেদের দখলদারিত্ব ও নিয়োগ বাণিজ্য করতে ক্যাম্পাসকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে।

নবপ্রজন্ম শিক্ষক পরিষদের এ অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ও অধিকার সুরক্ষা পরিষদের আহ্বায়ক ড. মতিউর রহমান যুগান্তরকে বলেন, সদ্য যোগ দেয়া শিক্ষকদের এমন মন্তব্য দুঃখজনক এবং মানহানিকর। সন্তানতুল্য এই শিক্ষকরা ভিসি ও তার লোকজনের শিখিয়ে দেয়া বুলি আওড়ালেও একটা সময় নিজেদের ভুল বুঝে সত্য ও ন্যায়ের পথে ফিরে আসবে।

বেরোবির ভিসিকে নিয়ে বিভক্ত শিক্ষকরা

 বেরোবি প্রতিনিধি 
০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) ভিসি প্রফেসর ড. নাজমুল আহসানকে কেন্দ্র করে শিক্ষকদের দুটি পক্ষ মাঠে নেমেছে। একটি পক্ষ তার বিরুদ্ধে অনিয়ম দুর্নীতি-স্বেচ্ছাচারিতাসহ নানা অভিযোগ এনেছে। আরেকটি পক্ষ বলছে ভিসির নেতৃত্বে বিশ্ববিদ্যালয় সঠিক পথেই এগিয়ে চলেছে।

৩১ জানুয়ারি আত্মপ্রকাশ করা জ্যেষ্ঠ শিক্ষকদের সংগঠন অধিকার সুরক্ষা পরিষদ বুধবার সংবাদ সম্মেলন করে ভিসির বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ তুলে ধরে। সুরক্ষা পরিষদের নেতারা বলেন, চ্যান্সেলর প্রদত্ত নিয়োগের শর্ত লঙ্ঘন করে ভিসি ক্যাম্পাসে অনুপস্থিত থেকে একাডেমিক এবং প্রশাসনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গ করছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবর্তে ঢাকার লিয়াজোঁ অফিসে সিন্ডিকেট সভা করেন। নিয়োগসহ সব সভা করে প্রতিষ্ঠানের লাখ লাখ টাকা অপচয় করছেন। বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও সদ্য নিয়োগ পাওয়া শিক্ষক কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বুনিয়াদি কোর্সের নামে ঢাকায় রেখে ব্যক্তিগত কাজ করাচ্ছেন।

পরদিন বৃহস্পতিবার নতুন নিয়োগ পাওয়া শিক্ষকদের সংগঠন নবপ্রজন্ম শিক্ষক পরিষদ বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাফেটেরিয়ায় সংবাদ সম্মেলন করে। এদিনই সংগঠনটি আত্মপ্রকাশ করে। সংগঠনটির আহ্বায়ক সমাজবিজ্ঞান বিভাগের সদ্য নিয়োগ পাওয়া প্রভাষক সুমাইয়া তাহসিন হামিদা বলেন, বর্তমান ভিসির নেতৃত্বে বিশ্ববিদ্যালয় গুণগত ও অবকাঠামোগতভাবে এগিয়ে চলছে। ঢাকাসহ বেশ কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়কে পেছনে ফেলে গবেষণা ও জার্নাল প্রকাশে শীর্ষস্থান দখল করার পাশাপাশি ক্যাম্পাসে ওয়াই-ফাই ইন্টারনেট সুবিধা, ক্যাম্পাস রেডিও, ভার্চুয়াল ক্লাসরুম এবং ক্যাফেটেরিয়া চালুসহ শিক্ষার্থীরা নানা সুবিধা পাচ্ছেন।

লিখিত বক্তব্যে হামিদা অভিযোগ করেন, স্বার্থান্বেষী মহল নিজেদের দখলদারিত্ব ও নিয়োগ বাণিজ্য করতে ক্যাম্পাসকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে।

নবপ্রজন্ম শিক্ষক পরিষদের এ অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ও অধিকার সুরক্ষা পরিষদের আহ্বায়ক ড. মতিউর রহমান যুগান্তরকে বলেন, সদ্য যোগ দেয়া শিক্ষকদের এমন মন্তব্য দুঃখজনক এবং মানহানিকর। সন্তানতুল্য এই শিক্ষকরা ভিসি ও তার লোকজনের শিখিয়ে দেয়া বুলি আওড়ালেও একটা সময় নিজেদের ভুল বুঝে সত্য ও ন্যায়ের পথে ফিরে আসবে।