মিথ্যা অডিটে এক-পঞ্চমাংশ রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার
jugantor
কর্মশালায় তথ্য
মিথ্যা অডিটে এক-পঞ্চমাংশ রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার

  যুগান্তর রিপোর্ট  

০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

মিথ্যা নিরীক্ষা প্রতিবেদন দেয়ায় প্রতিবছর বাজেটের এক-পঞ্চমাংশ অর্থের সমপরিমাণ রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার। এই অর্থ পুরোটা ফাঁকি দেয়া হচ্ছে। এজন্য দায়ী কতিপয় নিরীক্ষা প্রতিষ্ঠান। শুধু নিরীক্ষা প্রতিবেদনে কোম্পানির সঠিক আয়-ব্যয় তুলে না ধরার কারণে সরকার বিপুল পরিমাণ রাজস্ব হারাচ্ছে। নিরীক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে। রাজধানীর কাকরাইলের অডিট ভবনে বৃহস্পতিবার ‘প্রস্তাবিত ইন্সটিটিউট অব ইন্টারনাল অডিটরস বাংলাদেশ আইন’ শীর্ষক এক কর্মশালায় এ তথ্য প্রকাশ করা হয়।

এতে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ কম্পট্রোলার অ্যান্ড অডিটর জেনারেল মোহাম্মদ মুসলিম চৌধুরী। তিনি বলেন, পাবলিক ও প্রাইভেট সেক্টরে ইন্টারনাল অডিটর পেশাকে আরও শক্তিশালী করা এবং আইআইইকে স্বাধীন পেশায় নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। প্রস্তাবিত এ আইনে আরও কিছু ধারা পরিবর্তন ও যুগোপযোগী করা যেতে পারে। এছাড়া রেগুলেটরি বডিগুলোয় ইন্টারনাল অডিট প্রফেশনকে অন্তর্ভুক্তি বাধ্যতামূলক করা যেতে পারে।’

কর্মশালায় বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) কমিশনার অধ্যাপক হেলাল উদ্দিন নিজামী বলেন, দেশের অর্থনীতির অগ্রযাত্রা অপ্রতিরোধ্য গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে। এটা সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগের কারণেই সম্ভব হচ্ছে। তবে দুঃখের বিষয় হল, আমরা কাজ করতে এসে বাস্তবতার আলোকে দেখছি রাজস্ব ফাঁকি দেয়ার একটি বড় কারণ মিথ্যা নিরীক্ষা প্রতিবেদন। অনেক নিরীক্ষা প্রতিষ্ঠান অসততার সঙ্গে নিরীক্ষা প্রতিবেদন দেয়ায় বিপুল পরিমাণ রাজস্ব থেকে সরকার বঞ্চিত হচ্ছে। এ কারণে ইন্টারনাল অডিটের দরকার আছে। অন্যান্য প্রফেশনের পাশাপাশি ইন্টারনাল অডিট প্রফেশনকে প্রতিষ্ঠিত করার লক্ষ্যে বিএসইসি’র পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহায়তা করা হবে। বাণিজ্য সচিব ড. মো. জাফর উদ্দীন বলেন, ইন্টারনাল অডিট প্রফেশনের সমৃদ্ধির জন্য প্রস্তাবিত আইনটি পরিবর্তন, পরিবর্ধন ও পরিমার্জন করে আমার কাছে পাঠান। সে অনুযায়ী প্রস্তাবিত ইন্সটিটিউট অব ইন্টারনাল অডিটরস বাংলাদেশ আইনটি চূড়ান্তের ব্যাপারে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করা হবে। ইন্সটিটিউট অব ইন্টারনাল অডিটরস বাংলাদেশের উদ্যোগে আয়োজিত কর্মশালায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন আইআইএ বাংলাদেশের সেক্রেটারি জেনারেল এম নুরুল আলম।

কর্মশালায় তথ্য

মিথ্যা অডিটে এক-পঞ্চমাংশ রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার

 যুগান্তর রিপোর্ট 
০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

মিথ্যা নিরীক্ষা প্রতিবেদন দেয়ায় প্রতিবছর বাজেটের এক-পঞ্চমাংশ অর্থের সমপরিমাণ রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার। এই অর্থ পুরোটা ফাঁকি দেয়া হচ্ছে। এজন্য দায়ী কতিপয় নিরীক্ষা প্রতিষ্ঠান। শুধু নিরীক্ষা প্রতিবেদনে কোম্পানির সঠিক আয়-ব্যয় তুলে না ধরার কারণে সরকার বিপুল পরিমাণ রাজস্ব হারাচ্ছে। নিরীক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে। রাজধানীর কাকরাইলের অডিট ভবনে বৃহস্পতিবার ‘প্রস্তাবিত ইন্সটিটিউট অব ইন্টারনাল অডিটরস বাংলাদেশ আইন’ শীর্ষক এক কর্মশালায় এ তথ্য প্রকাশ করা হয়।

এতে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ কম্পট্রোলার অ্যান্ড অডিটর জেনারেল মোহাম্মদ মুসলিম চৌধুরী। তিনি বলেন, পাবলিক ও প্রাইভেট সেক্টরে ইন্টারনাল অডিটর পেশাকে আরও শক্তিশালী করা এবং আইআইইকে স্বাধীন পেশায় নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। প্রস্তাবিত এ আইনে আরও কিছু ধারা পরিবর্তন ও যুগোপযোগী করা যেতে পারে। এছাড়া রেগুলেটরি বডিগুলোয় ইন্টারনাল অডিট প্রফেশনকে অন্তর্ভুক্তি বাধ্যতামূলক করা যেতে পারে।’

কর্মশালায় বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) কমিশনার অধ্যাপক হেলাল উদ্দিন নিজামী বলেন, দেশের অর্থনীতির অগ্রযাত্রা অপ্রতিরোধ্য গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে। এটা সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগের কারণেই সম্ভব হচ্ছে। তবে দুঃখের বিষয় হল, আমরা কাজ করতে এসে বাস্তবতার আলোকে দেখছি রাজস্ব ফাঁকি দেয়ার একটি বড় কারণ মিথ্যা নিরীক্ষা প্রতিবেদন। অনেক নিরীক্ষা প্রতিষ্ঠান অসততার সঙ্গে নিরীক্ষা প্রতিবেদন দেয়ায় বিপুল পরিমাণ রাজস্ব থেকে সরকার বঞ্চিত হচ্ছে। এ কারণে ইন্টারনাল অডিটের দরকার আছে। অন্যান্য প্রফেশনের পাশাপাশি ইন্টারনাল অডিট প্রফেশনকে প্রতিষ্ঠিত করার লক্ষ্যে বিএসইসি’র পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহায়তা করা হবে। বাণিজ্য সচিব ড. মো. জাফর উদ্দীন বলেন, ইন্টারনাল অডিট প্রফেশনের সমৃদ্ধির জন্য প্রস্তাবিত আইনটি পরিবর্তন, পরিবর্ধন ও পরিমার্জন করে আমার কাছে পাঠান। সে অনুযায়ী প্রস্তাবিত ইন্সটিটিউট অব ইন্টারনাল অডিটরস বাংলাদেশ আইনটি চূড়ান্তের ব্যাপারে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করা হবে। ইন্সটিটিউট অব ইন্টারনাল অডিটরস বাংলাদেশের উদ্যোগে আয়োজিত কর্মশালায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন আইআইএ বাংলাদেশের সেক্রেটারি জেনারেল এম নুরুল আলম।