বাণিজ্য ঘাটতি ৮২২ কোটি ডলার
jugantor
বাণিজ্য ঘাটতি ৮২২ কোটি ডলার

  যুগান্তর রিপোর্ট  

০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

আমদানি ব্যয় বাড়ছে, কিন্তু সে অনুযায়ী বাড়ছে না রফতানি আয়। চলতি ২০১৯-২০ অর্থবছরের প্রথম ৬ মাসে (জুলাই-ডিসেম্বর) দেশের পণ্য বাণিজ্যে ঘাটতি দাঁড়িয়েছে ৮২২ কোটি ২০ লাখ মার্কিন ডলার, বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ প্রায় ৭০ হাজার কোটি টাকা। এর প্রভাব পড়েছে বৈদেশিক লেনদেনের চলতি হিসাব ভারসাম্যে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের লেনদেন ভারসাম্যের ওপর (ব্যালেন্স অব পেমেন্ট) মঙ্গলবার প্রকাশিত পরিসংখ্যানে এ তথ্য জানা গেছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পরিসংখ্যানে বলা হয়েছে, ২০১৯-২০ অর্থবছরের প্রথম ৬ মাসে ইপিজেডসহ রফতানি খাতে বাংলাদেশ আয় করেছে এক হাজার ৮৮৪ কোটি ৪০ লাখ ডলার। এর বিপরীতে আমদানি বাবদ ব্যয় হয়েছে দুই হাজার ৭০৬ কোটি ৬০ লাখ ডলার। সেই হিসাবে ডিসেম্বর শেষে দেশে বাণিজ্য ঘাটতি দাঁড়িয়েছে ৮২২ কোটি ২০ লাখ ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় (বিনিময় হার ৮৫ টাকা ধরে) দাঁড়ায় ৬৯ হাজার ৮৮৭ কোটি টাকা। ঘাটতির এ অঙ্ক ২০১৮-১৯ অর্থবছরের একই সময় ছিল ৭৮০ কোটি ডলার। সেই হিসাবে এক বছরের ব্যবধানে বাণিজ্য ঘাটতি বেড়েছে ৪২ কোটি ২০ লাখ ডলার। আলোচ্য সময়ে আমদানি কমেছে ২ দশমিক ৭২ শতাংশ। রফতানি কমেছে ৫ দশমিক ৮৯ শতাংশ। তবে রেমিট্যান্স বেড়েছে ২৫ দশমিক ৪৬ শতাংশ। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য বলছে, চলতি অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে বহির্বিশ্বের সঙ্গে বাংলাদেশের চলতি হিসাবে উদ্বৃত্ত থাকলেও সেপ্টেম্বর থেকে তা ঋণাত্মক হয়েছে।

বাণিজ্য ঘাটতি ৮২২ কোটি ডলার

 যুগান্তর রিপোর্ট 
০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

আমদানি ব্যয় বাড়ছে, কিন্তু সে অনুযায়ী বাড়ছে না রফতানি আয়। চলতি ২০১৯-২০ অর্থবছরের প্রথম ৬ মাসে (জুলাই-ডিসেম্বর) দেশের পণ্য বাণিজ্যে ঘাটতি দাঁড়িয়েছে ৮২২ কোটি ২০ লাখ মার্কিন ডলার, বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ প্রায় ৭০ হাজার কোটি টাকা। এর প্রভাব পড়েছে বৈদেশিক লেনদেনের চলতি হিসাব ভারসাম্যে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের লেনদেন ভারসাম্যের ওপর (ব্যালেন্স অব পেমেন্ট) মঙ্গলবার প্রকাশিত পরিসংখ্যানে এ তথ্য জানা গেছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পরিসংখ্যানে বলা হয়েছে, ২০১৯-২০ অর্থবছরের প্রথম ৬ মাসে ইপিজেডসহ রফতানি খাতে বাংলাদেশ আয় করেছে এক হাজার ৮৮৪ কোটি ৪০ লাখ ডলার। এর বিপরীতে আমদানি বাবদ ব্যয় হয়েছে দুই হাজার ৭০৬ কোটি ৬০ লাখ ডলার। সেই হিসাবে ডিসেম্বর শেষে দেশে বাণিজ্য ঘাটতি দাঁড়িয়েছে ৮২২ কোটি ২০ লাখ ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় (বিনিময় হার ৮৫ টাকা ধরে) দাঁড়ায় ৬৯ হাজার ৮৮৭ কোটি টাকা। ঘাটতির এ অঙ্ক ২০১৮-১৯ অর্থবছরের একই সময় ছিল ৭৮০ কোটি ডলার। সেই হিসাবে এক বছরের ব্যবধানে বাণিজ্য ঘাটতি বেড়েছে ৪২ কোটি ২০ লাখ ডলার। আলোচ্য সময়ে আমদানি কমেছে ২ দশমিক ৭২ শতাংশ। রফতানি কমেছে ৫ দশমিক ৮৯ শতাংশ। তবে রেমিট্যান্স বেড়েছে ২৫ দশমিক ৪৬ শতাংশ। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য বলছে, চলতি অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে বহির্বিশ্বের সঙ্গে বাংলাদেশের চলতি হিসাবে উদ্বৃত্ত থাকলেও সেপ্টেম্বর থেকে তা ঋণাত্মক হয়েছে।