চীনের পেঁয়াজ বন্ধ থাকলেও দেশে প্রভাব পড়বে না
jugantor
করোনাভাইরাস ইস্যু
চীনের পেঁয়াজ বন্ধ থাকলেও দেশে প্রভাব পড়বে না
-বাণিজ্যমন্ত্রী

  যুগান্তর রিপোর্ট  

০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

এ মুহূর্তে দেশের বাইরে থেকে যে পেঁয়াজ আমদানি করা হচ্ছে তার মাত্র ১০ থেকে ১৫ শতাংশ চীন থেকে আসছে। আর চীনের পেঁয়াজ আমাদের দেশের মানুষ পছন্দও করে না। করোনাভাইরাসের কারণে যদি চীন থেকে পেঁয়াজ আমদানি বন্ধও হয়ে যায়, তবুও দেশে পেঁয়াজের বাজারে প্রভাব পড়বে না বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি। বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে নিজ দফতরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। এ সময় বাণিজ্য সচিব ড. জাফর উদ্দীন উপস্থিত ছিলেন। এর আগে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে এ সংক্রান্ত আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন বাণিজ্য সচিব ড. জাফর উদ্দীন।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বিদেশ থেকে প্রায় ২ হাজার মেট্রিক টন পেঁয়াজ আসছে। এর মধ্যে ৫০ শতাংশ আমদানি হচ্ছে মিয়ানমার থেকে। পাকিস্তান থেকে আসছে ২০ থেকে ৩০ শতাংশ। এছাড়া তুরস্ক থেকেও আসছে, আর চীন থেকে খুব কম পরিমাণ আসছে। সুতরাং চীন থেকে পেঁয়াজ আনা বন্ধ হয়ে গেলেও সমস্যা হবে না। টিপু মুনশি বলেন, পেঁয়াজ সমস্যার স্থায়ী সমাধানের জন্য সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে। পেঁয়াজ আমদানির ওপর নির্ভরশীল না থেকে চাহিদা মোতাবেক উৎপাদন করে এ সমস্যার সমাধান করা হবে। এছাড়া পেঁয়াজের উপযুক্ত মূল্য নিশ্চিত করা গেলে কৃষকরা পেঁয়াজ উৎপাদনে উৎসাহিত হবে। তিনি বলেন, আগামী তিন বছরের মধ্যে দেশের চাহিদা মিটিয়ে পেঁয়াজ রফতানি করা সম্ভব হবে। বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, পেঁয়াজ নিয়ে যাতে কেউ কারসাজি করতে না পারে, সে বিষয়ে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেয়া হবে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। এক সময় গরু আমদানি করে কোরবানির ঈদের চাহিদা পূরণ করা হতো। সরকারের গৃহীত বিশেষ উদ্যোগের কারণে আজ বাংলাদেশ গরুর মাংসে স্বয়ংসম্পূর্ণ।

করোনাভাইরাস ইস্যু

চীনের পেঁয়াজ বন্ধ থাকলেও দেশে প্রভাব পড়বে না

-বাণিজ্যমন্ত্রী
 যুগান্তর রিপোর্ট 
০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

এ মুহূর্তে দেশের বাইরে থেকে যে পেঁয়াজ আমদানি করা হচ্ছে তার মাত্র ১০ থেকে ১৫ শতাংশ চীন থেকে আসছে। আর চীনের পেঁয়াজ আমাদের দেশের মানুষ পছন্দও করে না। করোনাভাইরাসের কারণে যদি চীন থেকে পেঁয়াজ আমদানি বন্ধও হয়ে যায়, তবুও দেশে পেঁয়াজের বাজারে প্রভাব পড়বে না বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি। বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে নিজ দফতরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। এ সময় বাণিজ্য সচিব ড. জাফর উদ্দীন উপস্থিত ছিলেন। এর আগে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে এ সংক্রান্ত আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন বাণিজ্য সচিব ড. জাফর উদ্দীন।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বিদেশ থেকে প্রায় ২ হাজার মেট্রিক টন পেঁয়াজ আসছে। এর মধ্যে ৫০ শতাংশ আমদানি হচ্ছে মিয়ানমার থেকে। পাকিস্তান থেকে আসছে ২০ থেকে ৩০ শতাংশ। এছাড়া তুরস্ক থেকেও আসছে, আর চীন থেকে খুব কম পরিমাণ আসছে। সুতরাং চীন থেকে পেঁয়াজ আনা বন্ধ হয়ে গেলেও সমস্যা হবে না। টিপু মুনশি বলেন, পেঁয়াজ সমস্যার স্থায়ী সমাধানের জন্য সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে। পেঁয়াজ আমদানির ওপর নির্ভরশীল না থেকে চাহিদা মোতাবেক উৎপাদন করে এ সমস্যার সমাধান করা হবে। এছাড়া পেঁয়াজের উপযুক্ত মূল্য নিশ্চিত করা গেলে কৃষকরা পেঁয়াজ উৎপাদনে উৎসাহিত হবে। তিনি বলেন, আগামী তিন বছরের মধ্যে দেশের চাহিদা মিটিয়ে পেঁয়াজ রফতানি করা সম্ভব হবে। বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, পেঁয়াজ নিয়ে যাতে কেউ কারসাজি করতে না পারে, সে বিষয়ে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেয়া হবে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। এক সময় গরু আমদানি করে কোরবানির ঈদের চাহিদা পূরণ করা হতো। সরকারের গৃহীত বিশেষ উদ্যোগের কারণে আজ বাংলাদেশ গরুর মাংসে স্বয়ংসম্পূর্ণ।