জুন পর্যন্ত ক্ষুদ্র ঋণ আদায়ে চাপ নয়

মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটির প্রজ্ঞাপন

  যুগান্তর রিপোর্ট ২৭ মার্চ ২০২০, ০০:০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

করোনা প্রাদুর্ভাবের প্রভাবে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে ক্ষুদ্র ঋণগ্রহীতাদের মধ্যে কিছুটা স্বস্তি দিয়েছে মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটি। সংস্থাটি জানিয়েছে, দেশের যেসব ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা এনজিও বা ক্ষুদ্র ঋণ প্রতিষ্ঠান থেকে ঋণ নিয়ে ব্যবসা পরিচালনা করছেন তাদের আগামী জুন পর্যন্ত কিস্তি পরিশোধে বাধ্য করা যাবে না। তবে কোনো গ্রাহক স্বেচ্ছায় ঋণের কিস্তি পরিশোধে ইচ্ছুক হলে সেক্ষেত্রে কিস্তি গ্রহণ করা যাবে। এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন বুধবার জারি করে সনদপ্রাপ্ত সব ক্ষুদ্র ঋণ প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে পাঠিয়েছে মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটি। এর আগে গত রোববার একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে সংস্থাটি। তাতে কিছুটা বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়। এ প্রজ্ঞাপনের ভুল ব্যাখ্যা দিয়ে দেশের কিছু এলাকায় ক্ষুদ্র ঋণ গ্রহীতাকে কিস্তি পরিশোধে বাধ্য করা হচ্ছে। বিষয়টি স্পষ্ট করে দেয়ার জন্য বুধবার নতুন প্রজ্ঞাপনটি জারি করে মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটি। এতে বলা হয়, করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে ঋণগ্রহীতাদের আর্থিক অক্ষমতার কারণে ক্ষুদ্র ঋণের কিস্তি অপরিশোধিত থাকলেও তাদের আর্থিক অবস্থা বিবেচনায় নিয়ে আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত প্রাপ্য কোনো কিস্তি বা ঋণকে বকেয়া বা খেলাপি দেখানো যাবে না। অর্থাৎ এ সংকটময় সময়ে ক্ষুদ্র ঋণ প্রতিষ্ঠান কর্তৃক ঋণগ্রহীতাদের কিস্তি পরিশোধে বাধ্য করা যাবে না। তবে কোনো গ্রাহক স্বেচ্ছায় ঋণের কিস্তি পরিশোধে ইচ্ছুক হলে সেক্ষেত্রে কিস্তি গ্রহণে কোনো বাধা থাকবে না। একই সঙ্গে কোনো প্রতিষ্ঠান যদি নতুন করে কাউকে ঋণ দিতে চায় সেটা দিতে পারবে। এ প্রজ্ঞাপনটি সনদপ্রাপ্ত সব ক্ষুদ্র ঋণ প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার কাছেও পাঠানো হয়েছে। নতুন প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, বিরাজমান করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে এ অথরিটির সনদপ্রাপ্ত ক্ষুদ্র ঋণ প্রতিষ্ঠানগুলোর ঋণগ্রহীদের ব্যবসা-বাণিজ্য তথা স্বাভাবিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বাধাগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দেয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত ঋণগ্রহীতাদের সহযোগিতার লক্ষ্যে কর্তৃপক্ষ গত ২২ মার্চ এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে। সেই প্রজ্ঞাপনে ২০২০ সালের ১ জানুয়ারি ঋণের শ্রেণিমান যা ছিল, আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত ওই ঋণ তদাপেক্ষা বিরূপমানে শ্রেণিকরণ করা যাবে না এবং কোনো ঋণের শ্রেণিমানের উন্নতি হলে তা বিদ্যমান নিয়মানুযায়ী শ্রেণিকরণ করা যাবে মর্মে ক্ষুদ্র ঋণ প্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্দেশনা প্রদান করা হয়। তবে ওই সার্কুলারের নির্দেশনা বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে ক্ষুদ্র ঋণ প্রতিষ্ঠান সংশ্লিষ্টদের কাছে অস্পষ্টতা পরিলক্ষিত হওয়ায় সার্কুলারে বর্ণিত বিষয়াবলী অধিকতর স্পষ্টীকরণের আবশ্যকতা দেখা দিয়েছে। এ পরিপ্রেক্ষিতে বিষয়টি অধিকতর স্পষ্টীকরণের লক্ষ্যে নতুন প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে, করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে ঋণগ্রহীতাদের আর্থিক অক্ষমতার কারণে ক্ষুদ্র ঋণের কিস্তি অপরিশোধিত থাকলেও তাদের আর্থিক অবস্থা বিবেচনায় নিয়ে আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত প্রাপ্য কোনো কিস্তি বা ঋণকে বকেয়া বা খেলাপি দেখানো যাবে না। অর্থাৎ এ সংকটময় সময়ে ক্ষুদ্র ঋণ প্রতিষ্ঠান থেকে ঋণগ্রহীতাদের কিস্তি পরিশোধে বাধ্য করা যাবে না। তবে কোনো গ্রাহক স্বেচ্ছায় ঋণের কিস্তি পরিশোধে ইচ্ছুক হলে সেক্ষেত্রে কিস্তি গ্রহণে কোনো বাধা থাকবে না।

সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত