বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ধর্ষণ ডাক্তারের বিরুদ্ধে মামলা
jugantor
বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ধর্ষণ ডাক্তারের বিরুদ্ধে মামলা

  দিনাজপুর প্রতিনিধি  

১৩ মে ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ধর্ষণের অভিযোগে দিনাজপুর এম. আবদুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের এক চিকিৎসকের বিরুদ্ধে মঙ্গলবার মামলা করেছে এক তরুণী। ধর্ষণে অভিযুক্ত ওই চিকিৎসক পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ উপজেলার প্রেমবাজার এলাকার মনোরঞ্জন রায়ের ছেলে ডা. নরদেব রায়।

মামলার এজাহারে তরুণী উল্লেখ করেন, দিনাজপুর হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়া অবস্থায় ডা. নরদেব রায়ের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। দুই বছরের সম্পর্কের সূত্রে ওই চিকিৎসক একাধিকবার বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ওই তরুণীকে হাসপাতালের আবাসিক কোয়ার্টারে ধর্ষণ করে।

এজাহারে ওই তরুণী আরও উল্লেখ করেন, সর্বশেষ রোববার ডা. নরদেব রায় মোবাইল ফোনে তাকে আবাসিক কোয়ার্টারের ৪র্থ তলায় আসতে বলে। সেখানে গিয়ে ডা. নরদেব রায়কে বিয়ের কথা বললে তিনি আমাকে বিয়ে করতে অনীহা দেখান। এক পর্যায়ে ডা. নরদেব আমাকে কিলঘুষি মেরে কোয়ার্টার থেকে বের করে দেয়ার চেষ্টা করেন। আমি বের না হতে চাইলে তিনি নিজেই রুমে তালা লাগিয়ে পালিয়ে যান। উপায় না পেয়ে আমি ৯৯৯ নম্বরে কল করে পুলিশের সহযোগিতা চাই। পরে পুলিশ এসে রাতে আমাকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। ডা. নরদেবকে ফোন করা হলে তার মোবাইল ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়। তার বড় ভাই পঞ্চগড় মহিলা কলেজের প্রভাষক জয়দেব বর্মন সাংবাদিকদের বলেন, ধর্ষণের বিষয়টি ভিত্তিহীন ও মিথ্যা। ওই মেয়ের সঙ্গে আমার ভাইয়ের কোনো সম্পর্ক নেই।

এ বিষয়ে দিনাজপুর কোতোয়ালি থানার পরিদর্শক (তদন্ত) বজলুর রশিদ জানান, একজন চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা হয়েছে। বর্তমানে তিনি পলাতক। মেয়েটিকে পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য দিনাজপুর এম. আবদুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ধর্ষণ ডাক্তারের বিরুদ্ধে মামলা

 দিনাজপুর প্রতিনিধি 
১৩ মে ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ধর্ষণের অভিযোগে দিনাজপুর এম. আবদুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের এক চিকিৎসকের বিরুদ্ধে মঙ্গলবার মামলা করেছে এক তরুণী। ধর্ষণে অভিযুক্ত ওই চিকিৎসক পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ উপজেলার প্রেমবাজার এলাকার মনোরঞ্জন রায়ের ছেলে ডা. নরদেব রায়।

মামলার এজাহারে তরুণী উল্লেখ করেন, দিনাজপুর হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়া অবস্থায় ডা. নরদেব রায়ের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। দুই বছরের সম্পর্কের সূত্রে ওই চিকিৎসক একাধিকবার বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ওই তরুণীকে হাসপাতালের আবাসিক কোয়ার্টারে ধর্ষণ করে।

এজাহারে ওই তরুণী আরও উল্লেখ করেন, সর্বশেষ রোববার ডা. নরদেব রায় মোবাইল ফোনে তাকে আবাসিক কোয়ার্টারের ৪র্থ তলায় আসতে বলে। সেখানে গিয়ে ডা. নরদেব রায়কে বিয়ের কথা বললে তিনি আমাকে বিয়ে করতে অনীহা দেখান। এক পর্যায়ে ডা. নরদেব আমাকে কিলঘুষি মেরে কোয়ার্টার থেকে বের করে দেয়ার চেষ্টা করেন। আমি বের না হতে চাইলে তিনি নিজেই রুমে তালা লাগিয়ে পালিয়ে যান। উপায় না পেয়ে আমি ৯৯৯ নম্বরে কল করে পুলিশের সহযোগিতা চাই। পরে পুলিশ এসে রাতে আমাকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। ডা. নরদেবকে ফোন করা হলে তার মোবাইল ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়। তার বড় ভাই পঞ্চগড় মহিলা কলেজের প্রভাষক জয়দেব বর্মন সাংবাদিকদের বলেন, ধর্ষণের বিষয়টি ভিত্তিহীন ও মিথ্যা। ওই মেয়ের সঙ্গে আমার ভাইয়ের কোনো সম্পর্ক নেই।

এ বিষয়ে দিনাজপুর কোতোয়ালি থানার পরিদর্শক (তদন্ত) বজলুর রশিদ জানান, একজন চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা হয়েছে। বর্তমানে তিনি পলাতক। মেয়েটিকে পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য দিনাজপুর এম. আবদুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।