ঝালকাঠিতে চাল বিতরণে অনিয়ম

নবীগঞ্জে ইউপি চেয়ারম্যানকে কারণ দর্শানো নোটিশ * ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ডিলারের লাইসেন্স বাতিল

  যুগান্তর ডেস্ক ১৪ মে ২০২০, ০০:০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

ঝালকাঠিতে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চাল নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক আবদুস ছালাম। হবিগঞ্জের নবীগঞ্জে ভিজিডির চাল বিতরণে অনিয়ম ও সঞ্চয়ের টাকা ব্যাংকে জমা না দেয়ায় এক ইউপি চেয়ারম্যানকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয়া হয়েছে। আর ওএমএস কার্ডের তালিকায় স্ত্রী ও মেয়েসহ ১৩ স্বজনের নাম উঠানোর দায়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মো. শাহ আলম নামে এক ডিলারের লাইসেন্স বাতিল করা হয়েছে। যুগান্তর প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর-
ঝালকাঠি : ঝালকাঠির নথুল্লাবাদ ইউনিয়নের দিবাকরকাঠির দিনমজুর আউয়াল সরদার (৩৫)। সরকারের খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির তালিকায় তার নাম দেন স্থানীয় জনপ্রতিধিরা। ১০ টাকা কেজি দরে ৩০ কেজি করে চালও পান তিনি। কিন্তু হঠাৎ করেই ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের ডিলার আরিফ হোসেন খোকন দিনমজুরের কার্ড ফেরত নেন। ১৫ মাস ধরে সরকারের খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চাল পাচ্ছেন না তিনি। পরে জানতে পারেন তার নামের কার্ডটি এখনও সচল রয়েছে। তার নামের কার্ডের চাল আত্মসাৎ করার অভিযোগ ওঠে স্থানীয় ডিলারের বিরুদ্ধে। এ ঘটনা জানাজানি হলে চাপের মুখে ওই ডিলার স্থানীয় প্রভাবশালীদের নিয়ে দিনমজুরের সঙ্গে সমঝোতার চেষ্টা করছেন। তবে ডিলার আরিফ হোসেন খোকন বলেন, আউয়ালকে ১০ টাকা কেজি দরের চাল দেয়ার পরে, তার নামে ভিজিডির কার্ড ইস্যু হয়। পরে তার কার্ডটি একই এলাকার মাসুম নামে একজনকে দিয়েছি।
নবীগঞ্জ (হবিগঞ্জ) : হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার কুর্শি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলী আহমেদ মুসাকে কারণ দর্শানো নোটিশ দিয়েছে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়। গোডাউন থেকে ভিজিডির চাল উত্তোলন করে যথাসময়ে বিতরণ না করা ও ভিজিডির সঞ্চয়ের অর্থ ব্যাংকে জমা না দেয়ায় তাকে এ নোটিশ দেয়া হয়।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া : ওএমএস কার্ডের তালিকায় স্ত্রী ও মেয়েসহ ১৩ স্বজনের নাম উঠানোর দায়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মো. শাহ আলম নামে এক ডিলারের লাইসেন্স বাতিল করা হয়েছে। তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌর শহরের কাউতলি এলাকার ওএমএস ডিলার ছিলেন। বুধবার বিকালে জেলা ওএমএস কমিটির সভায় শাহ আলমের ডিলারশিপ বাতিলের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। জেলা ওএমএস কমিটির সদস্য সচিব ও জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক সুবীর নাথ চৌধুরী এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। জেলা প্রশাসক হায়াত উদ-দৌলা খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ওই বৈঠকে ৮৪ ধনী ব্যক্তি ও দ্বৈত নাম, একঘরে দু’জনের নাম এবং ঠিকানা খুঁজে না পাওয়া এমন আরও সাতজনসহ ৯১ জনের নাম ওএমএস কার্ডের তালিকা থেকে বাদ দেয়ারও সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক সুবীর নাথ চৌধুরী বলেন, ওএমএস কার্ডের তালিকায় পরিবার ও স্বজনদের নাম উঠানোর ব্যাপারে সংশ্লিষ্টতা পাওয়ায় শাহ আলমের ওএমএস ডিলারশিপ বাতিল করা হয়েছে।

 

সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত