বাগমারায় এসিডে ঝলসে গেল এক পরিবারের ৪ জন
jugantor
বাগমারায় এসিডে ঝলসে গেল এক পরিবারের ৪ জন

  রাজশাহী ব্যুরো  

২৫ জুন ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বাগমারায় দুর্বৃত্তদের ছোড়া এসিডে দুই মাসের শিশুসহ একই পরিবারের ৪ জনের মুখমণ্ডল ও শরীর ঝলসে গেছে। দগ্ধদের রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনাটি সোমবার গভীর রাতে ঘটলেও গণমাধ্যমকর্মীরা মঙ্গলবার রাতে জানতে পারেন। দগ্ধ হওয়া ব্যক্তিরা হলেন- শুভডাঙ্গা ইউনিয়নের বাইগাছা গ্রামের আফজাল হোসেন (৩৮), তার স্ত্রী জেসমিন আক্তার (৩২), মেয়ে মলি খাতুন (৮) ও দুই মাসের শিশুকন্যা আফসানা খাতুন। পুলিশ ও নিকটাত্মীয়দের সূত্রে জানা গেছে, সোমবার রাতে আফজাল হোসেন স্ত্রী ও দুই মেয়েকে নিয়ে একই ঘরে ঘুমিয়ে পড়েন। গরমের কারণে ঘরের জানালা খোলা ছিল। রাত ২টার দিকে দুর্বৃত্তরা জানালা দিয়ে অ্যাসিডজাতীয় তরল দাহ্য পদার্থ ছুড়ে মারে। ফলে ঘরের ভেতরে ঘুমিয়ে থাকা চারজনেরই শরীর ও মুখমণ্ডলে তা আঘাত করে। এ সময় সবাই চিৎকার দিয়ে ওঠেন ও গড়াগড়ি শুরু করেন। পরে বাবা ও মা তাদের সন্তানদের নিয়ে ঘরের বাইরে আসেন। তাদের চিৎকারে প্রতিবেশীরা ঘটনাস্থলে এগিয়ে আসেন। পরে দগ্ধ চারজনকে রামেক হাসপাতালে নিয়ে যান প্রতিবেশীরা। দুই মাসের শিশু আফসানা ও তার মা জেসমিনের শরীরে এসিড বেশি পড়েছে। তাদের অবস্থা গুরুতর।

আফজাল হোসেনের ভাগ্নে স্থানীয় ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি বাবুল হোসেন বলেন, তার মামার কারও সঙ্গে বিরোধ নেই। দুর্বৃত্তরা কেন এ অমানবিক কাজ করেছে তা বুঝতে পারছেন না। তবে তার মামার তালাক দেয়া দ্বিতীয় স্ত্রীর সঙ্গে মাঝে-মধ্যে ঝামেলা হতো। এছাড়া অন্য কোনো কারণ দেখছেন না। তারা সুস্থ হলে মামলার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

বাগমারা থানার ওসি আতাউর রহমান বলেন, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। ঘরের বিছানাপত্র পুড়ে গেছে। আলামত যাতে নষ্ট না হয় এজন্য ঘরটি তালাবদ্ধ করে দেয়া হয়েছে। নমুনা দেখে প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে এসিড নিক্ষেপ করা হয়েছে। পুলিশের একটি দল দগ্ধ ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলেছে। পুলিশ ঘটনাটি স্পর্শকাতর বিষয় হিসেবে তদন্ত শুরু করেছে।

বাগমারায় এসিডে ঝলসে গেল এক পরিবারের ৪ জন

 রাজশাহী ব্যুরো 
২৫ জুন ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বাগমারায় দুর্বৃত্তদের ছোড়া এসিডে দুই মাসের শিশুসহ একই পরিবারের ৪ জনের মুখমণ্ডল ও শরীর ঝলসে গেছে। দগ্ধদের রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনাটি সোমবার গভীর রাতে ঘটলেও গণমাধ্যমকর্মীরা মঙ্গলবার রাতে জানতে পারেন। দগ্ধ হওয়া ব্যক্তিরা হলেন- শুভডাঙ্গা ইউনিয়নের বাইগাছা গ্রামের আফজাল হোসেন (৩৮), তার স্ত্রী জেসমিন আক্তার (৩২), মেয়ে মলি খাতুন (৮) ও দুই মাসের শিশুকন্যা আফসানা খাতুন। পুলিশ ও নিকটাত্মীয়দের সূত্রে জানা গেছে, সোমবার রাতে আফজাল হোসেন স্ত্রী ও দুই মেয়েকে নিয়ে একই ঘরে ঘুমিয়ে পড়েন। গরমের কারণে ঘরের জানালা খোলা ছিল। রাত ২টার দিকে দুর্বৃত্তরা জানালা দিয়ে অ্যাসিডজাতীয় তরল দাহ্য পদার্থ ছুড়ে মারে। ফলে ঘরের ভেতরে ঘুমিয়ে থাকা চারজনেরই শরীর ও মুখমণ্ডলে তা আঘাত করে। এ সময় সবাই চিৎকার দিয়ে ওঠেন ও গড়াগড়ি শুরু করেন। পরে বাবা ও মা তাদের সন্তানদের নিয়ে ঘরের বাইরে আসেন। তাদের চিৎকারে প্রতিবেশীরা ঘটনাস্থলে এগিয়ে আসেন। পরে দগ্ধ চারজনকে রামেক হাসপাতালে নিয়ে যান প্রতিবেশীরা। দুই মাসের শিশু আফসানা ও তার মা জেসমিনের শরীরে এসিড বেশি পড়েছে। তাদের অবস্থা গুরুতর।

আফজাল হোসেনের ভাগ্নে স্থানীয় ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি বাবুল হোসেন বলেন, তার মামার কারও সঙ্গে বিরোধ নেই। দুর্বৃত্তরা কেন এ অমানবিক কাজ করেছে তা বুঝতে পারছেন না। তবে তার মামার তালাক দেয়া দ্বিতীয় স্ত্রীর সঙ্গে মাঝে-মধ্যে ঝামেলা হতো। এছাড়া অন্য কোনো কারণ দেখছেন না। তারা সুস্থ হলে মামলার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

বাগমারা থানার ওসি আতাউর রহমান বলেন, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। ঘরের বিছানাপত্র পুড়ে গেছে। আলামত যাতে নষ্ট না হয় এজন্য ঘরটি তালাবদ্ধ করে দেয়া হয়েছে। নমুনা দেখে প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে এসিড নিক্ষেপ করা হয়েছে। পুলিশের একটি দল দগ্ধ ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলেছে। পুলিশ ঘটনাটি স্পর্শকাতর বিষয় হিসেবে তদন্ত শুরু করেছে।