প্রবাসীর স্ত্রীকে ধর্ষণের পর হত্যা

মোটরসাইকেলে আসা ৩ ঘাতককে খুঁজছে পুলিশ

তদন্তে র‌্যাব-সিআইডি ডিবি ও পিবিআই

  কুমিল্লা ব্যুরো ০১ জুলাই ২০২০, ০০:০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে রাবেয়া আক্তার নামে এক প্রবাসীর স্ত্রীকে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধে হত্যার ঘটনায় এলাকায় তোলপাড় চলছে। উপজেলার মান্দ্রা গ্রামে দিনদুপুরে বাড়িতে এসে গৃহবধূকে ধর্ষণের পর হত্যা করে কৌশলে পালিয়ে যায় ঘাতকরা। আলোচিত এ ঘটনার তিনদিন পার হলেও জড়িতরা এখনও ধরা পড়েনি। চাঞ্চল্যকর এ ঘটনায় জড়িতদের গ্রেফতার এবং ঘটনার ছায়া তদন্ত করতে মাঠে নেমেছে র‌্যাব, সিআইডি, জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) ও পিবিআই। এদিকে মোটরসাইকেলে আসা ৩ ঘাতককে হন্য হয়ে খুঁজছে নাঙ্গলকোট থানা পুলিশ।

স্থানীয়রা ও পুলিশ জানায়, কুমিল্লা নগরীর নুরপুরের মাসুদ মজুমদারের ছেলে কাতার প্রবাসী মেহেদী হাছানের সঙ্গে দুই বছর আগে নাঙ্গলকোট উপজেলার মান্দ্রা গ্রামের আলী মিয়ার মেয়ে রাবেয়া আক্তারের (২১) বিয়ে হয়। আনুষ্ঠানিকভাবে রাবেয়াকে শ্বশুরবাড়িতে তুলে না নেয়ায় সে বাবার বাড়িতেই থাকত। ২৮ জুন দুপুরে তার মা মান্দ্রাবাজারে যান। এ সময় বাড়িতে রাবেয়া ও তার নানি ছাড়া অন্য কেউ ছিল না। এ সুযোগে মোটরসাইকেলে তিন অজ্ঞাতপরিচয় যুবক তাদের বাড়িতে আসে। এ সময় দুই যুবক ঘরে প্রবেশ করে এবং একজন ঘরের সামনে বসে পাহারা দেয়। গৃহবধূর নানি যুবকরা পরিচিত এবং ব্যাংকের লোক মনে করে আর কাছে যাননি। গৃহবধূর মা বাজার থেকে ফিরে মায়ের কাছে মেয়ে কোথায় জানতে চান। তিনি ঘরে ব্যাংকের লোকদের সঙ্গে কথা বলছে এমনটি জানালেও গৃহবধূর মা এগিয়ে গিয়ে খাটে লাশ দেখতে পান। এ ঘটনায় এলাকায় বেশ চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। লাশ উদ্ধারের পর ময়নাতদন্ত ও অন্যান্য পরীক্ষানিরীক্ষা করা হয়। সোমবার নিহতের বাবা এজহারনামীয় ৪ জনসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৩-৪ জনকে আসামি করে থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন। ঘটনার তিনদিন পার হলেও এখনও ঘাতক শনাক্ত বা গ্রেফতার না হওয়ায় নিহতের স্বজনসহ এলাকাবাসীর মাঝে ক্ষোভ বিরাজ করছে।

গৃহবধূর মা অভিযোগ করে বলেন, মেয়ের সঙ্গে একই গ্রামের আবুল কালাম ও তার ভাই লিটনের বিরোধ চলে আসছিল। তারা বিভিন্ন সময়ে রাবেয়াকে হত্যার হুমকিও দিয়ে আসছিল। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় একাধিকবার সালিশ বৈঠকও হয়।

এ বিষয়ে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা নাঙ্গলকোট থানার পরিদর্শক আশ্রাফুল ইসলাম জানান, সন্দেহভাজনরা এলাকা ছেড়ে আত্মগোপনে রয়েছে। আশা করি, শিগগিরই ঘাতকরা ধরা পড়বে।

সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত