প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ
jugantor
প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

   

১১ জুলাই ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

যুগান্তরে ৪ জুলাই ‘খাদ্য বিভাগে তোলপাড়, ক্যাডার পদে পদায়ন নন-ক্যাডার কর্মকর্তা!’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়েছে বিসিএস (ফুড) সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন ও বাংলাদেশ খাদ্য কর্মকর্তা সমিতি। দুই সংগঠনের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক/মহাসচিবের স্বাক্ষরে পাঠানো চিঠিতে প্রায় অভিন্ন ভাষায় দাবি করা হয়- ২০০৮ সাল থেকে উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক/সমমানের পদে পদোন্নতি বন্ধ। এ কারণে তাদের কোটায় পাওয়া ৩৫টি পদ শূন্য রয়েছে। কর্মকর্তা সংকট সমাধানে মন্ত্রণালয়ের শীর্ষ ব্যক্তিরা বিসিএস খাদ্য ক্যাডারের এন্ট্রি পদ সহকারী খাদ্য নিয়ন্ত্রক পদে পদায়ন করেছেন। ওই সব জেলায় জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক না থাকায় তাদেরই আয়ন-ব্যয়ন ক্ষমতা দিয়ে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে; যা বিধিসম্মত। এজন্য বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস রুলস (১৯৮১) নিয়োগবিধি সংশোধনের জন্য একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। এখানে টাকা লেনদেনের অভিযোগ ভিত্তিহীন। বিসিএস (ফুড) সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের দাবি, প্রকাশিত সংবাদের সঙ্গে বিসিএস ফুড ক্যাডার অ্যাসোসিয়েশনের কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই।

প্রতিবেদকের বক্তব্য : সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে ও এ সংক্রান্ত মামলার নথিপত্রের ভিত্তিতেই প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে। প্রতিবেদনে টাকা লেনদেনের বিষয়টি অভিযোগ আকারে বলা হলেও বিষয়টির সুরাহা হয়েছে খাদ্য সচিবের বক্তব্যে, যা প্রতিবেদনে প্রকাশিত হয়েছে।

প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

  
১১ জুলাই ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

যুগান্তরে ৪ জুলাই ‘খাদ্য বিভাগে তোলপাড়, ক্যাডার পদে পদায়ন নন-ক্যাডার কর্মকর্তা!’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়েছে বিসিএস (ফুড) সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন ও বাংলাদেশ খাদ্য কর্মকর্তা সমিতি। দুই সংগঠনের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক/মহাসচিবের স্বাক্ষরে পাঠানো চিঠিতে প্রায় অভিন্ন ভাষায় দাবি করা হয়- ২০০৮ সাল থেকে উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক/সমমানের পদে পদোন্নতি বন্ধ। এ কারণে তাদের কোটায় পাওয়া ৩৫টি পদ শূন্য রয়েছে। কর্মকর্তা সংকট সমাধানে মন্ত্রণালয়ের শীর্ষ ব্যক্তিরা বিসিএস খাদ্য ক্যাডারের এন্ট্রি পদ সহকারী খাদ্য নিয়ন্ত্রক পদে পদায়ন করেছেন। ওই সব জেলায় জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক না থাকায় তাদেরই আয়ন-ব্যয়ন ক্ষমতা দিয়ে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে; যা বিধিসম্মত। এজন্য বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস রুলস (১৯৮১) নিয়োগবিধি সংশোধনের জন্য একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। এখানে টাকা লেনদেনের অভিযোগ ভিত্তিহীন। বিসিএস (ফুড) সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের দাবি, প্রকাশিত সংবাদের সঙ্গে বিসিএস ফুড ক্যাডার অ্যাসোসিয়েশনের কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই।

প্রতিবেদকের বক্তব্য : সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে ও এ সংক্রান্ত মামলার নথিপত্রের ভিত্তিতেই প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে। প্রতিবেদনে টাকা লেনদেনের বিষয়টি অভিযোগ আকারে বলা হলেও বিষয়টির সুরাহা হয়েছে খাদ্য সচিবের বক্তব্যে, যা প্রতিবেদনে প্রকাশিত হয়েছে।