চাঁদপুরে পদ্মায় বিলীন স্কুল-সাইক্লোন শেল্টার
jugantor
চাঁদপুরে পদ্মায় বিলীন স্কুল-সাইক্লোন শেল্টার

  চাঁদপুর প্রতিনিধি  

২৫ জুলাই ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

চাঁদপুর সদর উপজেলার রাজরাজেশ্বর ইউনিয়নে পদ্মা নদীর ভাঙনে বিলীন হয়ে গেল ২ কোটি ২৯ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত স্কুল ও সাইক্লোন শেল্টার। বৃহস্পতিবার দুই-তৃতীয়াংশ ও শুক্রবার পুরোপুরি নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যায় স্কুলটির জন্য নবনির্মিত ভবনটি। বেশ কিছুদিন ধরেই স্কুল এলাকার চার পাশে ভাঙন অব্যাহত ছিল। জানা গেছে, রাজরাজেশ্বর ইউনিয়নে ওমর আলী উচ্চ বিদ্যালয় নামে ওই বিদ্যালয়টি নির্মিত হয় ২০০০ সালে।

এরপর থেকে ১০ বারের মতো ভাঙনের মুখে পড়ায় নতুন করে বিদ্যালয়টির এ ভবনটি নির্মাণ করা হয়। স্থানীয়দের অভিযোগ, ভবনটি নির্মাণের পর উদ্বোধন না হলেও তড়িঘড়ি করে এক মাস আগে তা হস্তান্তর করা হয়। অনিয়মের কারণেই এবং বছরের পর বছর নদী থেকে অপরিকল্পিত ও অবৈধভাবে বালু উত্তোলনও ভাঙনের প্রধানতম কারণ হিসেবে দায়ী করেন স্থানীয়রা। পানি উন্নয়ন বোর্ড বলছে, ওই স্থানে এ ধরনের স্থাপনা নির্মাণ করাটাই ঠিক হয়নি।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সফিউল্লাহ সরকার জানান, ওমর আলী উচ্চ বিদ্যালয় নামে ওই ইউনিয়নের একমাত্র বিদ্যালয় হিসেবে নির্মিত হয় ভবনটি। এর আগে ২০০০ সাল থেকে ওই বিদ্যালয়টি ১০ বার পদ্মার ভাঙনের শিকার হয়। রোববার থেকে ভবনটি নদীর মধ্যে দাঁড়িয়ে থাকলেও বৃহস্পতিবার তলিয়ে যায়। এতে ইউনিয়নের একমাত্র বিদ্যালয়ের ৫ শতাধিক শিক্ষার্থীর লেখাপড়া হুমকির মধ্যে পড়েছে। তাই আমাদের দাবি, এখানে একটি ভাসমান স্কুল প্রতিষ্ঠা করা হোক।

ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ হযরত আলী বেপারী জানান, গত বছরের জানুয়ারিতে স্কুল ও সাইক্লোন শেল্টারটির স্থান নির্ধারণের সময় মেঘনা নদী প্রায় সাড়ে ৩ কিলোমিটার দূরে ছিল। তিনি বলেন, এতোদিন ভবনটি টিকে থাকলেও এটি এখন নদীতে হেলে পড়েছে।

চাঁদপুরে পদ্মায় বিলীন স্কুল-সাইক্লোন শেল্টার

 চাঁদপুর প্রতিনিধি 
২৫ জুলাই ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

চাঁদপুর সদর উপজেলার রাজরাজেশ্বর ইউনিয়নে পদ্মা নদীর ভাঙনে বিলীন হয়ে গেল ২ কোটি ২৯ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত স্কুল ও সাইক্লোন শেল্টার। বৃহস্পতিবার দুই-তৃতীয়াংশ ও শুক্রবার পুরোপুরি নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যায় স্কুলটির জন্য নবনির্মিত ভবনটি। বেশ কিছুদিন ধরেই স্কুল এলাকার চার পাশে ভাঙন অব্যাহত ছিল। জানা গেছে, রাজরাজেশ্বর ইউনিয়নে ওমর আলী উচ্চ বিদ্যালয় নামে ওই বিদ্যালয়টি নির্মিত হয় ২০০০ সালে।

এরপর থেকে ১০ বারের মতো ভাঙনের মুখে পড়ায় নতুন করে বিদ্যালয়টির এ ভবনটি নির্মাণ করা হয়। স্থানীয়দের অভিযোগ, ভবনটি নির্মাণের পর উদ্বোধন না হলেও তড়িঘড়ি করে এক মাস আগে তা হস্তান্তর করা হয়। অনিয়মের কারণেই এবং বছরের পর বছর নদী থেকে অপরিকল্পিত ও অবৈধভাবে বালু উত্তোলনও ভাঙনের প্রধানতম কারণ হিসেবে দায়ী করেন স্থানীয়রা। পানি উন্নয়ন বোর্ড বলছে, ওই স্থানে এ ধরনের স্থাপনা নির্মাণ করাটাই ঠিক হয়নি।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সফিউল্লাহ সরকার জানান, ওমর আলী উচ্চ বিদ্যালয় নামে ওই ইউনিয়নের একমাত্র বিদ্যালয় হিসেবে নির্মিত হয় ভবনটি। এর আগে ২০০০ সাল থেকে ওই বিদ্যালয়টি ১০ বার পদ্মার ভাঙনের শিকার হয়। রোববার থেকে ভবনটি নদীর মধ্যে দাঁড়িয়ে থাকলেও বৃহস্পতিবার তলিয়ে যায়। এতে ইউনিয়নের একমাত্র বিদ্যালয়ের ৫ শতাধিক শিক্ষার্থীর লেখাপড়া হুমকির মধ্যে পড়েছে। তাই আমাদের দাবি, এখানে একটি ভাসমান স্কুল প্রতিষ্ঠা করা হোক।

ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ হযরত আলী বেপারী জানান, গত বছরের জানুয়ারিতে স্কুল ও সাইক্লোন শেল্টারটির স্থান নির্ধারণের সময় মেঘনা নদী প্রায় সাড়ে ৩ কিলোমিটার দূরে ছিল। তিনি বলেন, এতোদিন ভবনটি টিকে থাকলেও এটি এখন নদীতে হেলে পড়েছে।