বগুড়ায় চিকিৎসাধীন স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতার মৃত্যু
jugantor
পুলিশের সোর্সের ছুরিকাঘাতে আহত
বগুড়ায় চিকিৎসাধীন স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতার মৃত্যু

  বগুড়া ব্যুরো  

২৮ জুলাই ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বগুড়া শহরে সন্ত্রাসীর ছুরিকাঘাতে আহত জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের প্রচার সম্পাদক রোকনুজ্জামান রনি মারা গেছেন। বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রোববার গভীর রাতে তিনি মারা যান।

জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক জুলফিকার রহমান শান্ত দাবি করেন, পুলিশের সোর্স, মাদক ব্যবসায়ী ও শিবির ক্যাডার আবদুস সোবহান এ হামলায় জড়িত। যে কারণে তাকে গ্রেফতার করা হচ্ছে না। প্রয়োজনে এ ব্যাপারে কর্মসূচি দেয়া হবে। সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সনাতন চক্রবর্তী জানান, সোবহান তার সোর্স নয়, নারীঘটিত বিষয়ে মারধরের ঘটনা মীমাংসা করা নিয়ে এ ঘটনা ঘটেছিল।

পুলিশ ও স্বজনরা জানায়, বগুড়া জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের প্রচার সম্পাদক রোকনুজ্জামান রনি বগুড়া শহরের মালগ্রামের শাহাদত হোসেন সাজুর ছেলে। ১৮ জুলাই সন্ধ্যায় আবদুস সোবহান তার সহযোগীদের নিয়ে রনির বাড়ির সামনে আসে।

ফোনে বাড়ি থেকে ডেকে বের করে রনিকে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করা হয়। ভাগ্নে রিফাতউজ্জামান ছন্দ বাঁচাতে এগিয়ে এলে তাকেও ছুরিকাঘাত করা হয়। এরপর রক্তাক্ত মামা-ভাগ্নেকে মোটরসাইকেলে তুলে নিয়ে মালগ্রাম দীঘিরপাড় এলাকায় ফেলে দেয়া হয়। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে বগুড়া শজিমেক হাসপাতালে ভর্তি করেন। পরদিন রনির বড় বোন শারমিন আকতার রুমা সদর থানায় সোবহান, নোমান, রাকিবসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। পুলিশ রাকিবকে গ্রেফতার করে।

পুলিশের সোর্সের ছুরিকাঘাতে আহত

বগুড়ায় চিকিৎসাধীন স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতার মৃত্যু

 বগুড়া ব্যুরো 
২৮ জুলাই ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বগুড়া শহরে সন্ত্রাসীর ছুরিকাঘাতে আহত জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের প্রচার সম্পাদক রোকনুজ্জামান রনি মারা গেছেন। বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রোববার গভীর রাতে তিনি মারা যান।

জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক জুলফিকার রহমান শান্ত দাবি করেন, পুলিশের সোর্স, মাদক ব্যবসায়ী ও শিবির ক্যাডার আবদুস সোবহান এ হামলায় জড়িত। যে কারণে তাকে গ্রেফতার করা হচ্ছে না। প্রয়োজনে এ ব্যাপারে কর্মসূচি দেয়া হবে। সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সনাতন চক্রবর্তী জানান, সোবহান তার সোর্স নয়, নারীঘটিত বিষয়ে মারধরের ঘটনা মীমাংসা করা নিয়ে এ ঘটনা ঘটেছিল।

পুলিশ ও স্বজনরা জানায়, বগুড়া জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের প্রচার সম্পাদক রোকনুজ্জামান রনি বগুড়া শহরের মালগ্রামের শাহাদত হোসেন সাজুর ছেলে। ১৮ জুলাই সন্ধ্যায় আবদুস সোবহান তার সহযোগীদের নিয়ে রনির বাড়ির সামনে আসে।

ফোনে বাড়ি থেকে ডেকে বের করে রনিকে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করা হয়। ভাগ্নে রিফাতউজ্জামান ছন্দ বাঁচাতে এগিয়ে এলে তাকেও ছুরিকাঘাত করা হয়। এরপর রক্তাক্ত মামা-ভাগ্নেকে মোটরসাইকেলে তুলে নিয়ে মালগ্রাম দীঘিরপাড় এলাকায় ফেলে দেয়া হয়। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে বগুড়া শজিমেক হাসপাতালে ভর্তি করেন। পরদিন রনির বড় বোন শারমিন আকতার রুমা সদর থানায় সোবহান, নোমান, রাকিবসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। পুলিশ রাকিবকে গ্রেফতার করে।