শিবচরে এবার প্রাথমিক বিদ্যালয় নদীগর্ভে বিলীন
jugantor
শিবচরে এবার প্রাথমিক বিদ্যালয় নদীগর্ভে বিলীন

  শিবচর (মাদারীপুর) প্রতিনিধি  

৩০ জুলাই ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

মাত্র কয়েক দিনের ব্যবধানে আবারও মঙ্গলবার মাদারীপুরের শিবচরের কাঁঠালবাড়ি ইউনিয়নের ৭৭নং কাঁঠালবাড়ি সরকারি বিদ্যালয় কাম সাইক্লোন সেন্টার ভবনটির বড় অংশ নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। ভাঙন আতঙ্কে রয়েছেন এলাকার সাধারণ মানুষ ও জনপ্রতিনিধিরাও। পদ্মা নদীতে অস্বাভাবিক পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় চরাঞ্চলে নদী ভাঙনের তীব্রতা বেড়েই চলছে।

ধসে পড়া স্কুল ভবনটি একপাশ একদিকে বাঁকা হয়ে পানিতে পড়ে গেছে। জিও ব্যাগ ফেলে প্রাণপণ চেষ্টা করেও বিদ্যালয়টিকে রক্ষা করা যায়নি। অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে বিদ্যালয়ের প্রায় আড়াইশ’ ছেলেমেয়ের শিক্ষার ভবিষ্যৎ। এছাড়া ভয়াবহ ভাঙন ঝুঁকিতে রয়েছে বন্দরখোলা কাজিরসুরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভবন, বন্দরখোলা ইউনিয়ন পরিষদ ভবনসহ চরের ৪ ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ জনপদ। ভাঙন প্রতিরোধে চিফ হুইপ নূর-ই আলম চৌধুরীর নির্দেশনায় চরাঞ্চলে জিও ব্যাগ ডাম্পিং চালিয়ে যাচ্ছে পানি উন্নয়ন বোর্ড।

বিদ্যালয়ের সভাপতি জুলহাস বেপারি বলেন, পদ্মার পানি নামতে গিয়ে একটি খালের পাশের শিবচরের চরাঞ্চলে মঙ্গলবার বিকালে কাঁঠালবাড়ি ইউনিয়নের ৭৭নং কাঁঠালবাড়ি সরকারি বিদ্যালয় কাম সাইক্লোন সেন্টার ভবনটির বৃহৎ অংশ বিলীন হয়। কয়েকদিন আগে পদ্মার ভয়াবহ ভাঙনে বিলীন হয় বন্দরখোলা ইউনিয়নের নুরুদ্দিন মাদবরকান্দি এসইএসডিপি মডেল উচ্চবিদ্যালয় ভবনটি। ভাঙন ঝুঁকিতে রয়েছে বন্দরখোলা ইউনিয়ন পরিষদ ভবন, কমিউনিটি ক্লিনিক ভবন, কাজিরসুরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বাজারসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা। মঙ্গলবার বিকালে ভারপ্রাপ্ত উপজেলা চেয়ারম্যান বিএম আতাউর রহমান আতাহার, উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. রফিকুল ইসলাম, সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা এসএম মাহতাফ উদ্দিন, জাহিদ হোসেন মোল্লা, মিনহাজুর রহমান, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষক কল্যাণ সমিতির সাধারণ সম্পাদক নূরে আলম সিদ্দিকী রবিউলসহ শিক্ষক ও ম্যানেজিং কমিটির সদস্যরা বিলীন হওয়া বিদ্যালয়টি পরিদর্শন করেছেন।

ভাঙন প্রতিরোধে জিও ব্যাগ ডাম্পিং কার্যক্রম চলমান রয়েছে। কাঁঠালবাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকা নাসিমা আক্তার বলেন, জিও ব্যাগ ফেলে বিদ্যালয়টি রক্ষার চেষ্টা করা হয়েছিল। শিবচর উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, মঙ্গলবার বিকালে আকস্মিক ভেঙে পড়ে কাঁঠালবাড়ি ৭৭নং কাঁঠালবাড়ি সরকারি বিদ্যালয় কাম সাইক্লোন সেন্টার ভবনটির বৃহৎ অংশ।

শরীয়তপুরে একদিনে প্রাথমিক বিদ্যালয় পদ্মায় বিলীন : শরীয়তপুর প্রতিনিধি জানান, পদ্মার ভাঙনে জেলার নড়িয়া উপজেলায় চরআত্রা ইউনিয়নের ৮১নং বসাকেরচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একটি একতলা ভবন নদীতে বিলীন হয়েছে। বুধবার দুপুর ২টায় এ ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন বসাকেরচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জাহাঙ্গীর হোসেন। ভাঙন ঝুঁকিতে রয়েছে বিদ্যালয়ের অপর দ্বিতল ভবনসহ বেশকিছু ঘরবাড়ি। বসাকেরচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, বন্যার পানি কমার সঙ্গে সঙ্গে পদ্মানদী বেষ্টিত জাজিরা উপজেলা বিলাশপুর, কুণ্ডেচর, পূর্বনাওডোবা ও নড়িয়া উপজেলার চরআত্রাসহ চরাঞ্চলের ২টি ইউনিয়নে পদ্মায় ব্যাপক ভাঙন দেখা দেয়।

শিবচরে এবার প্রাথমিক বিদ্যালয় নদীগর্ভে বিলীন

 শিবচর (মাদারীপুর) প্রতিনিধি 
৩০ জুলাই ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

মাত্র কয়েক দিনের ব্যবধানে আবারও মঙ্গলবার মাদারীপুরের শিবচরের কাঁঠালবাড়ি ইউনিয়নের ৭৭নং কাঁঠালবাড়ি সরকারি বিদ্যালয় কাম সাইক্লোন সেন্টার ভবনটির বড় অংশ নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। ভাঙন আতঙ্কে রয়েছেন এলাকার সাধারণ মানুষ ও জনপ্রতিনিধিরাও। পদ্মা নদীতে অস্বাভাবিক পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় চরাঞ্চলে নদী ভাঙনের তীব্রতা বেড়েই চলছে।

ধসে পড়া স্কুল ভবনটি একপাশ একদিকে বাঁকা হয়ে পানিতে পড়ে গেছে। জিও ব্যাগ ফেলে প্রাণপণ চেষ্টা করেও বিদ্যালয়টিকে রক্ষা করা যায়নি। অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে বিদ্যালয়ের প্রায় আড়াইশ’ ছেলেমেয়ের শিক্ষার ভবিষ্যৎ। এছাড়া ভয়াবহ ভাঙন ঝুঁকিতে রয়েছে বন্দরখোলা কাজিরসুরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভবন, বন্দরখোলা ইউনিয়ন পরিষদ ভবনসহ চরের ৪ ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ জনপদ। ভাঙন প্রতিরোধে চিফ হুইপ নূর-ই আলম চৌধুরীর নির্দেশনায় চরাঞ্চলে জিও ব্যাগ ডাম্পিং চালিয়ে যাচ্ছে পানি উন্নয়ন বোর্ড।

বিদ্যালয়ের সভাপতি জুলহাস বেপারি বলেন, পদ্মার পানি নামতে গিয়ে একটি খালের পাশের শিবচরের চরাঞ্চলে মঙ্গলবার বিকালে কাঁঠালবাড়ি ইউনিয়নের ৭৭নং কাঁঠালবাড়ি সরকারি বিদ্যালয় কাম সাইক্লোন সেন্টার ভবনটির বৃহৎ অংশ বিলীন হয়। কয়েকদিন আগে পদ্মার ভয়াবহ ভাঙনে বিলীন হয় বন্দরখোলা ইউনিয়নের নুরুদ্দিন মাদবরকান্দি এসইএসডিপি মডেল উচ্চবিদ্যালয় ভবনটি। ভাঙন ঝুঁকিতে রয়েছে বন্দরখোলা ইউনিয়ন পরিষদ ভবন, কমিউনিটি ক্লিনিক ভবন, কাজিরসুরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বাজারসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা। মঙ্গলবার বিকালে ভারপ্রাপ্ত উপজেলা চেয়ারম্যান বিএম আতাউর রহমান আতাহার, উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. রফিকুল ইসলাম, সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা এসএম মাহতাফ উদ্দিন, জাহিদ হোসেন মোল্লা, মিনহাজুর রহমান, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষক কল্যাণ সমিতির সাধারণ সম্পাদক নূরে আলম সিদ্দিকী রবিউলসহ শিক্ষক ও ম্যানেজিং কমিটির সদস্যরা বিলীন হওয়া বিদ্যালয়টি পরিদর্শন করেছেন।

ভাঙন প্রতিরোধে জিও ব্যাগ ডাম্পিং কার্যক্রম চলমান রয়েছে। কাঁঠালবাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকা নাসিমা আক্তার বলেন, জিও ব্যাগ ফেলে বিদ্যালয়টি রক্ষার চেষ্টা করা হয়েছিল। শিবচর উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, মঙ্গলবার বিকালে আকস্মিক ভেঙে পড়ে কাঁঠালবাড়ি ৭৭নং কাঁঠালবাড়ি সরকারি বিদ্যালয় কাম সাইক্লোন সেন্টার ভবনটির বৃহৎ অংশ।

শরীয়তপুরে একদিনে প্রাথমিক বিদ্যালয় পদ্মায় বিলীন : শরীয়তপুর প্রতিনিধি জানান, পদ্মার ভাঙনে জেলার নড়িয়া উপজেলায় চরআত্রা ইউনিয়নের ৮১নং বসাকেরচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একটি একতলা ভবন নদীতে বিলীন হয়েছে। বুধবার দুপুর ২টায় এ ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন বসাকেরচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জাহাঙ্গীর হোসেন। ভাঙন ঝুঁকিতে রয়েছে বিদ্যালয়ের অপর দ্বিতল ভবনসহ বেশকিছু ঘরবাড়ি। বসাকেরচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, বন্যার পানি কমার সঙ্গে সঙ্গে পদ্মানদী বেষ্টিত জাজিরা উপজেলা বিলাশপুর, কুণ্ডেচর, পূর্বনাওডোবা ও নড়িয়া উপজেলার চরআত্রাসহ চরাঞ্চলের ২টি ইউনিয়নে পদ্মায় ব্যাপক ভাঙন দেখা দেয়।