গাড়ির যন্ত্রাংশের নামে ১৯ টন প্রসাধন সামগ্রী আমদানি
jugantor
গাড়ির যন্ত্রাংশের নামে ১৯ টন প্রসাধন সামগ্রী আমদানি
৯০ লাখ টাকার শুল্ক ফাঁকির অপচেষ্টা

  চট্টগ্রাম ব্যুরো  

০৫ আগস্ট ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

গাড়ির যন্ত্রাংশের নামে ১৯ টন প্রসাধন সামগ্রী আমদানি

চট্টগ্রাম বন্দরে মিথ্যা ঘোষণায় আমদানি করা ১৯ টন কসমেটিক সামগ্রী আটক করেছে কাস্টমসের এআইআর (অডিট ইনভেস্টিগেশন অ্যান্ড রিসার্চ) শাখা।

ঈদের ছুটির সুযোগ কাজে লাগিয়ে এই চালান খালাসের মাধ্যমে প্রায় ৯০ লাখ টাকা শুল্ক ফাঁকি দেয়ার অপচেষ্টা করেছিল আমদানিকারক। মেশিন ও গাড়ির যন্ত্রাংশ ঘোষণা দিয়ে এসব কসমেটিক সামগ্রী আমদানি করা হয়। ৩১ জুলাই কায়িক পরীক্ষায় মিথ্যা ঘোষণার বিষয়টি ধরা পড়ে।

কাস্টমস সূত্র জানায়, এনবিএম কর্পোরেশন নামে ঢাকার ছ-৭৫/সি/১, উত্তর বাড্ডার আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান চীন থেকে এই চালান আমদানি করে। মেশিন ও গাড়ির যন্ত্রাংশ ঘোষণায় আনা এই পণ্য চালান খালাসে জেজে অ্যাসোসিয়েট নামে একটি সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট ২৯ জুলাই কাস্টম হাউসে বিল অব এন্ট্রি দাখিল করে।

ওই চালানে ঘোষণা বহির্ভূত পণ্য রয়েছে এমন সংবাদ পাওয়ার পর কাস্টমসের এআইআর শাখা ৩১ জুলাই চালানটির কায়িক পরীক্ষা করে। এতে দেখা যায় চালানটিতে মেশিন ও গাড়ির যন্ত্রাংশের পরিবর্তে রয়েছে ১৯ টন কসমেটিক তথা প্রসাধন সামগ্রী, যার শুল্ক আসে ৯০ লাখ টাকার মতো।

কাস্টমসের এআইআর শাখার সহকারী কমিশনার নূর এ হাসনা সানজিদা অনসূয়া বলেন, ওই চালানটি ঈদের কর্মব্যস্ততার সুযোগে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে খালাস করে নিতে চেয়েছিল আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান।

কিন্তু তাদের সে চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে। এ ঘটনায় আমদানিকারক ও সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

গাড়ির যন্ত্রাংশের নামে ১৯ টন প্রসাধন সামগ্রী আমদানি

৯০ লাখ টাকার শুল্ক ফাঁকির অপচেষ্টা
 চট্টগ্রাম ব্যুরো 
০৫ আগস্ট ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ
গাড়ির যন্ত্রাংশের নামে ১৯ টন প্রসাধন সামগ্রী আমদানি
ফাইল ছবি

চট্টগ্রাম বন্দরে মিথ্যা ঘোষণায় আমদানি করা ১৯ টন কসমেটিক সামগ্রী আটক করেছে কাস্টমসের এআইআর (অডিট ইনভেস্টিগেশন অ্যান্ড রিসার্চ) শাখা।

ঈদের ছুটির সুযোগ কাজে লাগিয়ে এই চালান খালাসের মাধ্যমে প্রায় ৯০ লাখ টাকা শুল্ক ফাঁকি দেয়ার অপচেষ্টা করেছিল আমদানিকারক। মেশিন ও গাড়ির যন্ত্রাংশ ঘোষণা দিয়ে এসব কসমেটিক সামগ্রী আমদানি করা হয়। ৩১ জুলাই কায়িক পরীক্ষায় মিথ্যা ঘোষণার বিষয়টি ধরা পড়ে।

কাস্টমস সূত্র জানায়, এনবিএম কর্পোরেশন নামে ঢাকার ছ-৭৫/সি/১, উত্তর বাড্ডার আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান চীন থেকে এই চালান আমদানি করে। মেশিন ও গাড়ির যন্ত্রাংশ ঘোষণায় আনা এই পণ্য চালান খালাসে জেজে অ্যাসোসিয়েট নামে একটি সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট ২৯ জুলাই কাস্টম হাউসে বিল অব এন্ট্রি দাখিল করে।

ওই চালানে ঘোষণা বহির্ভূত পণ্য রয়েছে এমন সংবাদ পাওয়ার পর কাস্টমসের এআইআর শাখা ৩১ জুলাই চালানটির কায়িক পরীক্ষা করে। এতে দেখা যায় চালানটিতে মেশিন ও গাড়ির যন্ত্রাংশের পরিবর্তে রয়েছে ১৯ টন কসমেটিক তথা প্রসাধন সামগ্রী, যার শুল্ক আসে ৯০ লাখ টাকার মতো।

কাস্টমসের এআইআর শাখার সহকারী কমিশনার নূর এ হাসনা সানজিদা অনসূয়া বলেন, ওই চালানটি ঈদের কর্মব্যস্ততার সুযোগে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে খালাস করে নিতে চেয়েছিল আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান।

কিন্তু তাদের সে চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে। এ ঘটনায় আমদানিকারক ও সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন