সহিংসতা ছাড়া আ’লীগ নেতাকর্মীরা স্বস্তি পায় না
jugantor
সহিংসতা ছাড়া আ’লীগ নেতাকর্মীরা স্বস্তি পায় না
-মির্জা ফখরুল

  যুগান্তর রিপোর্ট  

০৬ আগস্ট ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

রক্তাক্ত সহিসংতা ছাড়া সরকারি দলের নেতাকর্মীরা স্বস্তি পায় না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, বিএনপি নেতাকর্মীদের ওপর পৈশাচিকভাবে আঘাত করার জন্য তারা নির্ঘুম রাত কাটায়। দিনে রাতে বিএনপি নেতাকর্মীদের যেখানেই পায়, সেখানেই আওয়ামী সন্ত্রাসীরা আঘাত করতে ছুটে আসে। করোনা মহামারী, প্রলয়ঙ্করী বন্যা, ক্ষুধা, বেকারত্বের কারণে দেশে যখন নৈরাজ্যকর পরিস্থিতি, তখন অন্যদিকে চোখ ফেরাতেই সরকার বিএনপিসহ বিরোধী দল ও মতের মানুষদের ওপর আক্রমণ চালিয়ে রক্তাক্ত করছে। বুধবার এক বিবৃতিতে বিএনপি মহাসচিব এসব অভিযোগ করেন।

বিবৃতিতে নড়াইল জেলার লোহাগড়া পৌর বিএনপির ৯নং ওয়ার্ডের সাধারণ সম্পাদক আবদুল জলিল মোল্লাকে নৃশংসভাবে কুপিয়ে হাতের কব্জি, দুটি পা ও শরীরের নানা অংশে গুরুতর জখমের নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান মির্জা ফখরুল। তিনি অবিলম্বে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

মির্জা ফখরুল বলেন, ভোটারবিহীন অগণতান্ত্রিক সরকার জনরোষের ভয়ে সবসময় আতঙ্কিত থাকে বলেই সহিংস সন্ত্রাসকে আঁকড়ে ধরেছে। এই কারণেই লোহাগড়ার বিএনপি নেতা আবদুল জলিল মোল্লাদের মতো নিবেদিত প্রাণ মানুষদের দুনিয়া থেকে সরিয়ে দেয়ার জন্য ধারালো অস্ত্র নিয়ে সরকারদলীয় সন্ত্রাসীরা দেশের বিভিন্ন জনপদে রক্ত ঝরাচ্ছে। গণতন্ত্রশূন্য করে ক্ষমতাসীন গোষ্ঠী এখন বিরোধীদলশূন্য করার নীতি বাস্তবায়ন করছে। এই সরকার ক্ষমতাসীন হওয়ার পর থেকে অস্বাভাবিক মৃত্যু যেন প্রায় প্রতিদিনই বাংলাদেশের গণমাধ্যমে শীর্ষ সংবাদ হচ্ছে। জলিল মোল্লার ওপর নৃশংস হামলা হত্যার উদ্দেশেই করা হয়েছে।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, সারা দেশ এখন ভুতুড়ে নগরিতে পরিণত হয়েছে। ভয় ও আতঙ্ক মানুষের নিত্যসঙ্গী। শুধু বৈশ্বিক মহামারী কোভিড-১৯ এর আতঙ্কই নয়, মিথ্যা মামলা-গ্রেফতার-হয়রানিসহ গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যার ভয়ও সাধারণ মানুষকে সারাক্ষণ উদ্বিগ্ন করে রাখে।

সহিংসতা ছাড়া আ’লীগ নেতাকর্মীরা স্বস্তি পায় না

-মির্জা ফখরুল
 যুগান্তর রিপোর্ট 
০৬ আগস্ট ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

রক্তাক্ত সহিসংতা ছাড়া সরকারি দলের নেতাকর্মীরা স্বস্তি পায় না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, বিএনপি নেতাকর্মীদের ওপর পৈশাচিকভাবে আঘাত করার জন্য তারা নির্ঘুম রাত কাটায়। দিনে রাতে বিএনপি নেতাকর্মীদের যেখানেই পায়, সেখানেই আওয়ামী সন্ত্রাসীরা আঘাত করতে ছুটে আসে। করোনা মহামারী, প্রলয়ঙ্করী বন্যা, ক্ষুধা, বেকারত্বের কারণে দেশে যখন নৈরাজ্যকর পরিস্থিতি, তখন অন্যদিকে চোখ ফেরাতেই সরকার বিএনপিসহ বিরোধী দল ও মতের মানুষদের ওপর আক্রমণ চালিয়ে রক্তাক্ত করছে। বুধবার এক বিবৃতিতে বিএনপি মহাসচিব এসব অভিযোগ করেন।

বিবৃতিতে নড়াইল জেলার লোহাগড়া পৌর বিএনপির ৯নং ওয়ার্ডের সাধারণ সম্পাদক আবদুল জলিল মোল্লাকে নৃশংসভাবে কুপিয়ে হাতের কব্জি, দুটি পা ও শরীরের নানা অংশে গুরুতর জখমের নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান মির্জা ফখরুল। তিনি অবিলম্বে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

মির্জা ফখরুল বলেন, ভোটারবিহীন অগণতান্ত্রিক সরকার জনরোষের ভয়ে সবসময় আতঙ্কিত থাকে বলেই সহিংস সন্ত্রাসকে আঁকড়ে ধরেছে। এই কারণেই লোহাগড়ার বিএনপি নেতা আবদুল জলিল মোল্লাদের মতো নিবেদিত প্রাণ মানুষদের দুনিয়া থেকে সরিয়ে দেয়ার জন্য ধারালো অস্ত্র নিয়ে সরকারদলীয় সন্ত্রাসীরা দেশের বিভিন্ন জনপদে রক্ত ঝরাচ্ছে। গণতন্ত্রশূন্য করে ক্ষমতাসীন গোষ্ঠী এখন বিরোধীদলশূন্য করার নীতি বাস্তবায়ন করছে। এই সরকার ক্ষমতাসীন হওয়ার পর থেকে অস্বাভাবিক মৃত্যু যেন প্রায় প্রতিদিনই বাংলাদেশের গণমাধ্যমে শীর্ষ সংবাদ হচ্ছে। জলিল মোল্লার ওপর নৃশংস হামলা হত্যার উদ্দেশেই করা হয়েছে।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, সারা দেশ এখন ভুতুড়ে নগরিতে পরিণত হয়েছে। ভয় ও আতঙ্ক মানুষের নিত্যসঙ্গী। শুধু বৈশ্বিক মহামারী কোভিড-১৯ এর আতঙ্কই নয়, মিথ্যা মামলা-গ্রেফতার-হয়রানিসহ গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যার ভয়ও সাধারণ মানুষকে সারাক্ষণ উদ্বিগ্ন করে রাখে।