নবাবগঞ্জে বন্ধুকে বেঁধে রেখে কলেজ ছাত্রীকে ধর্ষণ
jugantor
নবাবগঞ্জে বন্ধুকে বেঁধে রেখে কলেজ ছাত্রীকে ধর্ষণ

  দিনাজপুর প্রতিনিধি  

১২ আগস্ট ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

দিনাজপুরের নবাবগঞ্জে সহপাঠীর সঙ্গে বেড়াতে গিয়ে ওই বন্ধুর কাছ থেকে ছিনিয়ে নিয়ে লম্পট যুবক কর্তৃক ধর্ষণের শিকার হয়েছেন এক কলেজছাত্রী। ৯৯৯-এ ফোন করার পর এ ঘটনায় চার যুবককে আটক করেছে পুলিশ। ধর্ষণ ও মারধরের ঘটনায় সহপাঠী বন্ধু রিয়াজুল ইসলাম বাদী হয়ে নবাবগঞ্জ থানায় মামলা করেছেন।

নবাবগঞ্জ থানার ওসি অশোক কুমার চৌহান জানান, সোমবার নবাবগঞ্জ কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র রিয়াজুল ইসলাম তার এক সহপাঠী বান্ধবীকে নিয়ে নবাবগঞ্জ শেখ রাসেল জাতীয় উদ্যান আশুরার বিলে বেড়াতে যান। দু’জন ছেলে-মেয়েকে আশুরার বিলের পাশে নির্জন এলাকায় দেখতে পেয়ে নবাবগঞ্জ উপজেলার শওগুন খোলা গ্রামের শরিয়তের ছেলে শাহিনুর আলম ও ইসমাইলের ছেলে আজিম, ফতেপুর মাড়াষ গ্রামের মতিনের ছেলে সাজেদুল ও আবু তাহেরের ছেলে সাহারুলসহ কয়েক যুবক রিয়াজুল ইসলামকে মারধর এবং বেঁধে রেখে টাকা ও মোবাইল ছিনিয়ে নেয়। এ সময় শাহিনুর আলম কলেজছাত্রীকে জোর করে শালবনের ভেতরে নিয়ে ধর্ষণ করে।

একই সঙ্গে অন্য যুবকরা কলেজছাত্রীর মুক্তিপণ বাবদ ৫০ হাজার টাকা দাবি করে। রিয়াজুল বিকাশ থেকে টাকা আনার কথা বলে পালিয়ে পথে এক ব্যক্তির কাছে মোবাইল ফোন চেয়ে নিয়ে ৯৯৯ নম্বরে কল দিয়ে বিষয়টি জানান। খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক নবাবগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে অভিযান চালিয়ে স্থানীয় বনরক্ষা কমিটির সহায়তায় শাহিনসহ চারজনকে আটক করে।

ওসি অশোক কুমার চৌহান জানান, এ ঘটনায় থানায় অপহরণ, ধর্ষণ ও চাঁদা দাবির মামলা হয়েছে।

নবাবগঞ্জে বন্ধুকে বেঁধে রেখে কলেজ ছাত্রীকে ধর্ষণ

 দিনাজপুর প্রতিনিধি 
১২ আগস্ট ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

দিনাজপুরের নবাবগঞ্জে সহপাঠীর সঙ্গে বেড়াতে গিয়ে ওই বন্ধুর কাছ থেকে ছিনিয়ে নিয়ে লম্পট যুবক কর্তৃক ধর্ষণের শিকার হয়েছেন এক কলেজছাত্রী। ৯৯৯-এ ফোন করার পর এ ঘটনায় চার যুবককে আটক করেছে পুলিশ। ধর্ষণ ও মারধরের ঘটনায় সহপাঠী বন্ধু রিয়াজুল ইসলাম বাদী হয়ে নবাবগঞ্জ থানায় মামলা করেছেন।

নবাবগঞ্জ থানার ওসি অশোক কুমার চৌহান জানান, সোমবার নবাবগঞ্জ কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র রিয়াজুল ইসলাম তার এক সহপাঠী বান্ধবীকে নিয়ে নবাবগঞ্জ শেখ রাসেল জাতীয় উদ্যান আশুরার বিলে বেড়াতে যান। দু’জন ছেলে-মেয়েকে আশুরার বিলের পাশে নির্জন এলাকায় দেখতে পেয়ে নবাবগঞ্জ উপজেলার শওগুন খোলা গ্রামের শরিয়তের ছেলে শাহিনুর আলম ও ইসমাইলের ছেলে আজিম, ফতেপুর মাড়াষ গ্রামের মতিনের ছেলে সাজেদুল ও আবু তাহেরের ছেলে সাহারুলসহ কয়েক যুবক রিয়াজুল ইসলামকে মারধর এবং বেঁধে রেখে টাকা ও মোবাইল ছিনিয়ে নেয়। এ সময় শাহিনুর আলম কলেজছাত্রীকে জোর করে শালবনের ভেতরে নিয়ে ধর্ষণ করে।

একই সঙ্গে অন্য যুবকরা কলেজছাত্রীর মুক্তিপণ বাবদ ৫০ হাজার টাকা দাবি করে। রিয়াজুল বিকাশ থেকে টাকা আনার কথা বলে পালিয়ে পথে এক ব্যক্তির কাছে মোবাইল ফোন চেয়ে নিয়ে ৯৯৯ নম্বরে কল দিয়ে বিষয়টি জানান। খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক নবাবগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে অভিযান চালিয়ে স্থানীয় বনরক্ষা কমিটির সহায়তায় শাহিনসহ চারজনকে আটক করে।

ওসি অশোক কুমার চৌহান জানান, এ ঘটনায় থানায় অপহরণ, ধর্ষণ ও চাঁদা দাবির মামলা হয়েছে।