রোহিঙ্গা ক্যাম্পে দু’গ্রুপে সংঘর্ষ, আটক ৫
jugantor
রোহিঙ্গা ক্যাম্পে দু’গ্রুপে সংঘর্ষ, আটক ৫

  উখিয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি  

০১ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

কক্সবাজারের উখিয়ার কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আল-ইয়াকিনের দুই গ্রুপে দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়েছে। চাঁদাবাজি, অপহরণ, ইয়াবা ও মাদক বাণিজ্যে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

৬ দিনের ঘটনায় ১২ জন রোহিঙ্গা নারী, পুরুষ ও শিশু আহত হয়েছে। প্রতিপক্ষ সন্ত্রাসী গ্রুপের হাতে অপহরণের শিকার হয়েছে ১০ জন। এর মধ্যে মুক্তিপণ দিয়ে ঘরে ফিরেছে ৬ জন। বাকিরা এখনও সন্ত্রাসীদের কাছে জিম্মি রয়েছে। পুলিশ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে রোববার রাতে ৫ রোহিঙ্গাকে আটক করছে। তারা হল- উখিয়ার কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পের মো. নুরুল ইসলামের ছেলে মো. আক্তার হোসেন (১৯), মো. রশিদের ছেলে মো. রফিক (২৪), মো. লেদু মিয়ার ছেলে শফিকুর রহমান (২৭), নুরুল আলমের ছেলে মো. নয়ন (২৮), মৃত মো. আজিজ উল্লাহর ছেলে মো. আমিন (৪০)।

কুতুপালং লম্বাশিয়া ক্যাম্পের আল-ইয়াকিনের শীর্ষ নেতা মাস্টার মুন্না নেতৃত্বাধীন একদল সন্ত্রাসী ২৬ আগস্ট রাতে কুতুপালং ক্যাম্প টু ইস্ট থেকে আরেক আল-ইয়াকিন নেতা আবুল কালামকে অপহরণ করে। ৬ দিন অতিবাহিত হলেও তার কোনো সন্ধান না পেয়ে তার স্ত্রী নুর জাহান বেগম বাদী হয়ে উখিয়া থানায় ১১ জন রোহিঙ্গাকে আসামি করে মামলা করেন। ঘটনার জের ধরে ১০ রোহিঙ্গাকে অপহরণ করে অজ্ঞাত স্থানে নেয়া হয়।

উখিয়া থানার উপ-পরিদর্শক মো. মোবারক হোসেন বলেন, রোহিঙ্গা ক্যাম্পে দু’গ্রুপের সংঘর্ষের ঘটনায় পুলিশ ৫ জনকে আটক করেছে। আটক ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। কুতুপালং রেজি: ক্যাম্পে নিয়োজিত এপিবিএনের পরিদর্শক মো. সালেহ আহমদ পাঠান বলেন, ক্যাম্পে রোহিঙ্গাদের মাঝে প্রতিনিয়ত বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনা ঘটে। তবে ক্যাম্পের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে দু’গ্রুপে সংঘর্ষ, আটক ৫

 উখিয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি 
০১ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

কক্সবাজারের উখিয়ার কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আল-ইয়াকিনের দুই গ্রুপে দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়েছে। চাঁদাবাজি, অপহরণ, ইয়াবা ও মাদক বাণিজ্যে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

৬ দিনের ঘটনায় ১২ জন রোহিঙ্গা নারী, পুরুষ ও শিশু আহত হয়েছে। প্রতিপক্ষ সন্ত্রাসী গ্রুপের হাতে অপহরণের শিকার হয়েছে ১০ জন। এর মধ্যে মুক্তিপণ দিয়ে ঘরে ফিরেছে ৬ জন। বাকিরা এখনও সন্ত্রাসীদের কাছে জিম্মি রয়েছে। পুলিশ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে রোববার রাতে ৫ রোহিঙ্গাকে আটক করছে। তারা হল- উখিয়ার কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পের মো. নুরুল ইসলামের ছেলে মো. আক্তার হোসেন (১৯), মো. রশিদের ছেলে মো. রফিক (২৪), মো. লেদু মিয়ার ছেলে শফিকুর রহমান (২৭), নুরুল আলমের ছেলে মো. নয়ন (২৮), মৃত মো. আজিজ উল্লাহর ছেলে মো. আমিন (৪০)।

কুতুপালং লম্বাশিয়া ক্যাম্পের আল-ইয়াকিনের শীর্ষ নেতা মাস্টার মুন্না নেতৃত্বাধীন একদল সন্ত্রাসী ২৬ আগস্ট রাতে কুতুপালং ক্যাম্প টু ইস্ট থেকে আরেক আল-ইয়াকিন নেতা আবুল কালামকে অপহরণ করে। ৬ দিন অতিবাহিত হলেও তার কোনো সন্ধান না পেয়ে তার স্ত্রী নুর জাহান বেগম বাদী হয়ে উখিয়া থানায় ১১ জন রোহিঙ্গাকে আসামি করে মামলা করেন। ঘটনার জের ধরে ১০ রোহিঙ্গাকে অপহরণ করে অজ্ঞাত স্থানে নেয়া হয়।

উখিয়া থানার উপ-পরিদর্শক মো. মোবারক হোসেন বলেন, রোহিঙ্গা ক্যাম্পে দু’গ্রুপের সংঘর্ষের ঘটনায় পুলিশ ৫ জনকে আটক করেছে। আটক ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। কুতুপালং রেজি: ক্যাম্পে নিয়োজিত এপিবিএনের পরিদর্শক মো. সালেহ আহমদ পাঠান বলেন, ক্যাম্পে রোহিঙ্গাদের মাঝে প্রতিনিয়ত বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনা ঘটে। তবে ক্যাম্পের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।