কালীগঞ্জে দুই মাস পর মাটিচাপা লাশের খোঁজ
jugantor
কালীগঞ্জে দুই মাস পর মাটিচাপা লাশের খোঁজ

  সাতক্ষীরা প্রতিনিধি  

০৬ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

মোবাইল কেনার টাকা চাওয়ায় শ্বাসরোধে ছেলেকে হত্যা করে মাটিতে পুঁতে ফেলার দু’মাস ২০ দিন পর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। ঘাতক বাবা ও সৎমার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী শনিবার বিকালে পুঁতে রাখা লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। শনিবার সন্ধ্যায় ঘাতক বাবা-সৎমা সাতক্ষীরার জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম রেজোয়ানুজ্জানের কাছে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়ে হত্যার দায় স্বীকার করেছেন।

কালীগঞ্জ থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) আজিজুর রহমান জানান, ছেলের নাম আরিফ বিল্লাহ (১৭)। তার বাবা মো. ইমান আলী ও মা জোহরা খাতুন থাকেন কালীগঞ্জের চাম্পাফুল গ্রামে।

পুলিশ পরিদর্শক আরও জানান, ২৫ জুন আরিফ বিল্লাহ বাবার কাছে একটি মোবাইল কেনার জন্য টাকা চায়। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে বাবা ইমান আলী ও সৎমা জোহরা তাকে প্রথমে মারধর ও পরে শ্বাসরোধে হত্যা করে। ওই রাতেই তারা আরিফ বিল্লাহর লাশ নিজেদের জমিতে মাটিচাপা দেয়। পরদিন প্রচার দেয় যে আরিফ বিল্লাহ পাগল হয়ে নিখোঁজ হয়েছে।

এদিকে ইমান আলীর প্রথম স্ত্রী খালেদা বেগম (আরিফ বিল্লাহর মা) তার ছেলে নিখোঁজ বিষয়ে কালীগঞ্জ থানায় জিডি করেন। তদন্ত করতে গিয়ে পুলিশ বিভিন্ন মহল থেকে খবর পায়, যে আরিফ বিল্লাহকে হত্যা করা হয়েছে। পুলিশ শুক্রবার গভীর রাতে ইমান আলী ও তার দ্বিতীয় স্ত্রী জোহরাকে আটক করে।

কালীগঞ্জে দুই মাস পর মাটিচাপা লাশের খোঁজ

 সাতক্ষীরা প্রতিনিধি 
০৬ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

মোবাইল কেনার টাকা চাওয়ায় শ্বাসরোধে ছেলেকে হত্যা করে মাটিতে পুঁতে ফেলার দু’মাস ২০ দিন পর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। ঘাতক বাবা ও সৎমার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী শনিবার বিকালে পুঁতে রাখা লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। শনিবার সন্ধ্যায় ঘাতক বাবা-সৎমা সাতক্ষীরার জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম রেজোয়ানুজ্জানের কাছে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়ে হত্যার দায় স্বীকার করেছেন।

কালীগঞ্জ থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) আজিজুর রহমান জানান, ছেলের নাম আরিফ বিল্লাহ (১৭)। তার বাবা মো. ইমান আলী ও মা জোহরা খাতুন থাকেন কালীগঞ্জের চাম্পাফুল গ্রামে।

পুলিশ পরিদর্শক আরও জানান, ২৫ জুন আরিফ বিল্লাহ বাবার কাছে একটি মোবাইল কেনার জন্য টাকা চায়। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে বাবা ইমান আলী ও সৎমা জোহরা তাকে প্রথমে মারধর ও পরে শ্বাসরোধে হত্যা করে। ওই রাতেই তারা আরিফ বিল্লাহর লাশ নিজেদের জমিতে মাটিচাপা দেয়। পরদিন প্রচার দেয় যে আরিফ বিল্লাহ পাগল হয়ে নিখোঁজ হয়েছে।

এদিকে ইমান আলীর প্রথম স্ত্রী খালেদা বেগম (আরিফ বিল্লাহর মা) তার ছেলে নিখোঁজ বিষয়ে কালীগঞ্জ থানায় জিডি করেন। তদন্ত করতে গিয়ে পুলিশ বিভিন্ন মহল থেকে খবর পায়, যে আরিফ বিল্লাহকে হত্যা করা হয়েছে। পুলিশ শুক্রবার গভীর রাতে ইমান আলী ও তার দ্বিতীয় স্ত্রী জোহরাকে আটক করে।