কোম্পানীগঞ্জে সমিতির ৪২ লাখ টাকা আত্মসাৎ
jugantor
কোম্পানীগঞ্জে সমিতির ৪২ লাখ টাকা আত্মসাৎ

  নোয়াখালী প্রতিনিধি  

১৪ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

নোয়াখালীর ‘কোম্পানীগঞ্জ শ্রমিক সমবায় সমিতি লিমিটেডের পাঁচ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ৪২ লাখ ৫০ হাজার টাকা আত্মসাতের প্রমাণ পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) সমন্বিত কার্যালয় নোয়াখালী। রোববার দুদক সূত্র এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে।

সূত্র জানায়, ওই সমিতির সভাপতি মো. সহিদ উল্যা, সেক্রেটারি কামাল উদ্দিন ও মমিনুল হককে সদস্য করে বসুরহাট-কবিরহাট সড়কের করালিয়া এলাকায় সমিতির ১৫ শতক জমি বিক্রির দায়িত্ব দেয়া হয়। তারা ২০১৭ সালের ১৬ নভেম্বর প্রতি শতক জমি ১৪ লাখ ৩৩ হাজার ৩৩৩ টাকা দরে ২৫ গ্রহীতার কাছে দুই কোটি ১৫ লাখ টাকা বিক্রি করে। কিন্তু ওই তিন কর্মকর্তা ও দুই দালাল পরস্পর যোগসাজশে সমিতির সদস্যদের প্রতি শতক জমির বিক্রয়মূল্য ১১ লাখ ৫০ হাজার টাকা শোনায়। এক কোটি ৭২ লাখ ৫০ হাজার টাকা বিক্রয় মূল্য দেখিয়ে তারা প্রতারণার মাধ্যমে ৪২ লাখ ৫০ হাজার টাকা আত্মসাৎ করে।

বিষয়টি সন্দেহ হলে সমিতির সদস্য শহীদ উল্যাহ (সদস্য নং ২৭) দুদক নোয়াখালী সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালকের কাছে অভিযোগ দাখিল করেন। দুদক অভিযোগের সত্যতা পায়।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত সভাপতি মো. শহিদ উল্যাহ দাবি করেন, তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ সত্য নয়। যার প্রত্যেকটির প্রমাণপত্র তাদের সংরক্ষণে রয়েছে।

কোম্পানীগঞ্জে সমিতির ৪২ লাখ টাকা আত্মসাৎ

 নোয়াখালী প্রতিনিধি 
১৪ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

নোয়াখালীর ‘কোম্পানীগঞ্জ শ্রমিক সমবায় সমিতি লিমিটেডের পাঁচ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ৪২ লাখ ৫০ হাজার টাকা আত্মসাতের প্রমাণ পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) সমন্বিত কার্যালয় নোয়াখালী। রোববার দুদক সূত্র এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে।

সূত্র জানায়, ওই সমিতির সভাপতি মো. সহিদ উল্যা, সেক্রেটারি কামাল উদ্দিন ও মমিনুল হককে সদস্য করে বসুরহাট-কবিরহাট সড়কের করালিয়া এলাকায় সমিতির ১৫ শতক জমি বিক্রির দায়িত্ব দেয়া হয়। তারা ২০১৭ সালের ১৬ নভেম্বর প্রতি শতক জমি ১৪ লাখ ৩৩ হাজার ৩৩৩ টাকা দরে ২৫ গ্রহীতার কাছে দুই কোটি ১৫ লাখ টাকা বিক্রি করে। কিন্তু ওই তিন কর্মকর্তা ও দুই দালাল পরস্পর যোগসাজশে সমিতির সদস্যদের প্রতি শতক জমির বিক্রয়মূল্য ১১ লাখ ৫০ হাজার টাকা শোনায়। এক কোটি ৭২ লাখ ৫০ হাজার টাকা বিক্রয় মূল্য দেখিয়ে তারা প্রতারণার মাধ্যমে ৪২ লাখ ৫০ হাজার টাকা আত্মসাৎ করে।

বিষয়টি সন্দেহ হলে সমিতির সদস্য শহীদ উল্যাহ (সদস্য নং ২৭) দুদক নোয়াখালী সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালকের কাছে অভিযোগ দাখিল করেন। দুদক অভিযোগের সত্যতা পায়।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত সভাপতি মো. শহিদ উল্যাহ দাবি করেন, তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ সত্য নয়। যার প্রত্যেকটির প্রমাণপত্র তাদের সংরক্ষণে রয়েছে।