মার্চেই শেষ হবে আখাউড়া-আগরতলা রেলপথের কাজ
jugantor
মার্চেই শেষ হবে আখাউড়া-আগরতলা রেলপথের কাজ

  ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি  

১৪ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

আগামী বছর মার্চেই আখাউড়া-আগরতলা ডুয়েলগেজ রেলওয়ে লিংকের (বাংলাদেশ অংশ) কাজ শেষ হবে বলে জানিয়েছেন রেলপথমন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন। রোববার দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলার গঙ্গাসাগর রেলওয়ে স্টেশন এলাকায় এ প্রকল্পের কাজ পরিদর্শনের সময় তিনি সাংবাদিকদের এ কথা জানান।

মন্ত্রী বলেন, সম্পূর্ণ ভারতের অর্থায়নে আখাউড়া-আগরতলা রেলপথ হচ্ছে। স্টেশন ভবন, কাস্টমস ভবনসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় স্থাপনাও তারা তৈরি করছে। এখন পর্যন্ত প্রায় ৫০ শতাংশ কাজ হয়ে গেছে।

এ সময় মন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন আখাউড়া-আগরতলা ডুয়েলগেজ রেলওয়ে লিংক (বাংলাদেশ অংশ) প্রকল্পের পরিচালক মো. সুবক্তগীন, প্রকল্প ব্যবস্থাপক ভাস্কর বকশি, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোহাম্মদ শামছুজ্জামান প্রমুখ।

জানা গেছে, চলতি বছরের ২৯ জানুয়ারি প্রকল্পের কাজ শেষ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু বর্ষা মৌসুম ও করোনাভাইরাসের কারণে আগামী বছর জুন পর্যন্ত প্রকল্পের মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে। ভারত সরকারের অনুদানের প্রায় ২৪১ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত সাড়ে ১০ কিলোমিটার রেলপথের সাড়ে ৬ কিলোমিটার পড়েছে বাংলাদেশ অংশে। বাকি ৪ কিলোমিটার ভারতে।

মার্চেই শেষ হবে আখাউড়া-আগরতলা রেলপথের কাজ

 ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি 
১৪ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

আগামী বছর মার্চেই আখাউড়া-আগরতলা ডুয়েলগেজ রেলওয়ে লিংকের (বাংলাদেশ অংশ) কাজ শেষ হবে বলে জানিয়েছেন রেলপথমন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন। রোববার দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলার গঙ্গাসাগর রেলওয়ে স্টেশন এলাকায় এ প্রকল্পের কাজ পরিদর্শনের সময় তিনি সাংবাদিকদের এ কথা জানান।

মন্ত্রী বলেন, সম্পূর্ণ ভারতের অর্থায়নে আখাউড়া-আগরতলা রেলপথ হচ্ছে। স্টেশন ভবন, কাস্টমস ভবনসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় স্থাপনাও তারা তৈরি করছে। এখন পর্যন্ত প্রায় ৫০ শতাংশ কাজ হয়ে গেছে।

এ সময় মন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন আখাউড়া-আগরতলা ডুয়েলগেজ রেলওয়ে লিংক (বাংলাদেশ অংশ) প্রকল্পের পরিচালক মো. সুবক্তগীন, প্রকল্প ব্যবস্থাপক ভাস্কর বকশি, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোহাম্মদ শামছুজ্জামান প্রমুখ।

জানা গেছে, চলতি বছরের ২৯ জানুয়ারি প্রকল্পের কাজ শেষ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু বর্ষা মৌসুম ও করোনাভাইরাসের কারণে আগামী বছর জুন পর্যন্ত প্রকল্পের মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে। ভারত সরকারের অনুদানের প্রায় ২৪১ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত সাড়ে ১০ কিলোমিটার রেলপথের সাড়ে ৬ কিলোমিটার পড়েছে বাংলাদেশ অংশে। বাকি ৪ কিলোমিটার ভারতে।