অভয়নগরে কিশোরীকে গণধর্ষণ, আটক ৩
jugantor
অভয়নগরে কিশোরীকে গণধর্ষণ, আটক ৩

  অভয়নগর (যশোর) প্রতিনিধি  

১৪ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

যশোরের অভয়নগরে এক কিশোরীকে গণধর্ষণের ঘটনায় শনিবার তিন লম্পটকে আটক করেছে অভয়নগর থানা পুলিশ। তারা হল মনিরামপুর উপজেলার লাউড়ী গ্রামের লিয়াকত আলী বিশ্বাসের ছেলে হাসান আলী, খুলনা জেলার কয়রা উপজেলার অর্জুনপুর গ্রামের চাঁন মিয়ার ছেলে হাবিব ও একই এলাকার মৃত আফিল উদ্দিন শেখের ছেলে ফরিদ। রোববার তাদেরকে যশোর জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা হয়েছে।

জানা গেছে, এক কিশোরী তার দুই বছরের ভাগ্নেকে নিয়ে নওয়াপাড়ার বোনের বাড়ি থেকে পিতার বাড়ি যাওয়ার সময় ধর্ষণের শিকার হয়। ওই কিশোরী বাড়ি যাওয়ার পথে লম্পট হাসান আলী ও হাবিব গতিরোধ করে রাস্তার পাশের একটি বাগানে নিয়ে যায়। এরপর হাসান ও হাবিব তাদের সহযোগী ফরিদকে ঘটনাস্থলে ডাকে। ফরিদ ওই কিশোরীর ভাগ্নেকে তার সঙ্গে নিয়ে একটু দূরে অবস্থান করে। এসময় হাসান আলী ও হাবিব ওই কিশোরীকে ধর্ষণ করে।

কিশোরী চিৎকার দিলে হাসান ও হাবিব পালিয়ে যায়। কিশোরী তার ভাগ্নেকে খোঁজাখুঁজি করলে ফরিদ ওই কিশোরীর ভাগ্নেকে রাস্তার পাশে ফেলে পালিয়ে যায়। কিশোরী বাড়িতে গিয়ে ঘটনাটি পরিবারের সদস্যদের জানালে পরিবার থানায় অভিযোগ করে। অভয়নগর থানার ওসি মো. তাজুল ইসলামের নেতৃত্বে পুলিশ নওয়াপাড়া পৌরসভার বিভিন্ন এলাকা থেকে ওই তিন লম্পটকে আটক করে। ওসি জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞসাবাদে তিন লম্পট ধর্ষণের সত্যতা স্বীকার করেছে। তাদেরকে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

অভয়নগরে কিশোরীকে গণধর্ষণ, আটক ৩

 অভয়নগর (যশোর) প্রতিনিধি 
১৪ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

যশোরের অভয়নগরে এক কিশোরীকে গণধর্ষণের ঘটনায় শনিবার তিন লম্পটকে আটক করেছে অভয়নগর থানা পুলিশ। তারা হল মনিরামপুর উপজেলার লাউড়ী গ্রামের লিয়াকত আলী বিশ্বাসের ছেলে হাসান আলী, খুলনা জেলার কয়রা উপজেলার অর্জুনপুর গ্রামের চাঁন মিয়ার ছেলে হাবিব ও একই এলাকার মৃত আফিল উদ্দিন শেখের ছেলে ফরিদ। রোববার তাদেরকে যশোর জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা হয়েছে।

জানা গেছে, এক কিশোরী তার দুই বছরের ভাগ্নেকে নিয়ে নওয়াপাড়ার বোনের বাড়ি থেকে পিতার বাড়ি যাওয়ার সময় ধর্ষণের শিকার হয়। ওই কিশোরী বাড়ি যাওয়ার পথে লম্পট হাসান আলী ও হাবিব গতিরোধ করে রাস্তার পাশের একটি বাগানে নিয়ে যায়। এরপর হাসান ও হাবিব তাদের সহযোগী ফরিদকে ঘটনাস্থলে ডাকে। ফরিদ ওই কিশোরীর ভাগ্নেকে তার সঙ্গে নিয়ে একটু দূরে অবস্থান করে। এসময় হাসান আলী ও হাবিব ওই কিশোরীকে ধর্ষণ করে।

কিশোরী চিৎকার দিলে হাসান ও হাবিব পালিয়ে যায়। কিশোরী তার ভাগ্নেকে খোঁজাখুঁজি করলে ফরিদ ওই কিশোরীর ভাগ্নেকে রাস্তার পাশে ফেলে পালিয়ে যায়। কিশোরী বাড়িতে গিয়ে ঘটনাটি পরিবারের সদস্যদের জানালে পরিবার থানায় অভিযোগ করে। অভয়নগর থানার ওসি মো. তাজুল ইসলামের নেতৃত্বে পুলিশ নওয়াপাড়া পৌরসভার বিভিন্ন এলাকা থেকে ওই তিন লম্পটকে আটক করে। ওসি জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞসাবাদে তিন লম্পট ধর্ষণের সত্যতা স্বীকার করেছে। তাদেরকে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।