বুকে বিদ্ধ ছুরি নিয়ে ৩ হাসপাতালে গৃহবধূ
jugantor
বুকে বিদ্ধ ছুরি নিয়ে ৩ হাসপাতালে গৃহবধূ

  কিশোরগঞ্জ ব্যুরো  

১৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বুকে বিদ্ধ ছুরি নিয়ে তিন হাসপাতাল ঘুরে কিশোরগঞ্জ থেকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয় এক গৃহবধূকে। সেখানে বুধবার রাত ৯টার দিকে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে তার বুক থেকে ছুরিটি বের করা হয়। ওই গৃহবধূর নাম বেহেশত আরা (৫০)।

তিনি কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জ উপজেলার নিয়ামতপুর ইউনিয়নের বাহেরচর গ্রামের বাসিন্দা। ওইদিন সকাল ৯টার দিকে করিমগঞ্জে তার ওপর ছুরি নিয়ে হামলা চালায় তার সাবেক স্বামী জিল্লুর রহমান। ছুরিটি তার বুক এফোঁড়-ওফোঁড় হয়ে আটকে যায়। জিল্লুর একই এলাকার কেরামত আলী ওরফে গতা মিয়ার ছেলে। বেহেশত আরাকে উদ্ধার করে প্রথমে করিমগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হয়। সেখান থেকে তাকে কিশোরগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানেও তাকে রাখা হয়নি। পাঠানো হয় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। অবশেষে সেখানে রাত ৯টার দিকে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে বুকে বিদ্ধ ছুরি বের করেন চিকিৎসক।

জানা গেছে, প্রায় ১০ বছর আগে বেহেশত আরার প্রথম স্বামী মারা যান। স্বামীর মৃত্যুর কয়েক বছর পর তার সঙ্গে জিল্লুর রহমান গোপনে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। কিন্তু পারিবারিক ও জমিজমা নিয়ে দ্বন্দ্বে তাদের সংসার বেশি দিন টেকেনি। দুই পরিবারের মধ্যে আগে থেকেই মামলা-মোকদ্দমা ও বিরোধ চলে আসছিল। কয়েক মাস আগে জিল্লুরকে তালাক দেন বেহেশত আরা। এ ঘটনায় স্ত্রীর সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত হওয়ায় ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন তিনি। বুধবার সকালে মামলার কাজে ছোট বোন আনিফা আক্তারকে নিয়ে কিশোরগঞ্জ শহরে যাচ্ছিলেন বেহেশত আরা। পথে মধ্যপাড়া এলাকায় রিকশা থামিয়ে বেহেশত আরার ওপর ছুরি নিয়ে হামলা চালায় জিল্লুর। এ সময় বাধা দিলে ছোট বোন অনিফাকেও ছুরি দিয়ে জখম করেন সে।

করিমগঞ্জ থানার ওসি মো. মমিনুল ইসলাম বলেন, জিল্লুর ঢাকায় অটোরিকশা চালায়। মঙ্গলবার ঢাকা থেকে বাড়ি আসে। ঘটনার পর সে পালিয়েছে। তাকে আটকের জন্য অভিযান চলছে।

বুকে বিদ্ধ ছুরি নিয়ে ৩ হাসপাতালে গৃহবধূ

 কিশোরগঞ্জ ব্যুরো 
১৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বুকে বিদ্ধ ছুরি নিয়ে তিন হাসপাতাল ঘুরে কিশোরগঞ্জ থেকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয় এক গৃহবধূকে। সেখানে বুধবার রাত ৯টার দিকে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে তার বুক থেকে ছুরিটি বের করা হয়। ওই গৃহবধূর নাম বেহেশত আরা (৫০)।

তিনি কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জ উপজেলার নিয়ামতপুর ইউনিয়নের বাহেরচর গ্রামের বাসিন্দা। ওইদিন সকাল ৯টার দিকে করিমগঞ্জে তার ওপর ছুরি নিয়ে হামলা চালায় তার সাবেক স্বামী জিল্লুর রহমান। ছুরিটি তার বুক এফোঁড়-ওফোঁড় হয়ে আটকে যায়। জিল্লুর একই এলাকার কেরামত আলী ওরফে গতা মিয়ার ছেলে। বেহেশত আরাকে উদ্ধার করে প্রথমে করিমগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হয়। সেখান থেকে তাকে কিশোরগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানেও তাকে রাখা হয়নি। পাঠানো হয় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। অবশেষে সেখানে রাত ৯টার দিকে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে বুকে বিদ্ধ ছুরি বের করেন চিকিৎসক।

জানা গেছে, প্রায় ১০ বছর আগে বেহেশত আরার প্রথম স্বামী মারা যান। স্বামীর মৃত্যুর কয়েক বছর পর তার সঙ্গে জিল্লুর রহমান গোপনে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। কিন্তু পারিবারিক ও জমিজমা নিয়ে দ্বন্দ্বে তাদের সংসার বেশি দিন টেকেনি। দুই পরিবারের মধ্যে আগে থেকেই মামলা-মোকদ্দমা ও বিরোধ চলে আসছিল। কয়েক মাস আগে জিল্লুরকে তালাক দেন বেহেশত আরা। এ ঘটনায় স্ত্রীর সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত হওয়ায় ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন তিনি। বুধবার সকালে মামলার কাজে ছোট বোন আনিফা আক্তারকে নিয়ে কিশোরগঞ্জ শহরে যাচ্ছিলেন বেহেশত আরা। পথে মধ্যপাড়া এলাকায় রিকশা থামিয়ে বেহেশত আরার ওপর ছুরি নিয়ে হামলা চালায় জিল্লুর। এ সময় বাধা দিলে ছোট বোন অনিফাকেও ছুরি দিয়ে জখম করেন সে।

করিমগঞ্জ থানার ওসি মো. মমিনুল ইসলাম বলেন, জিল্লুর ঢাকায় অটোরিকশা চালায়। মঙ্গলবার ঢাকা থেকে বাড়ি আসে। ঘটনার পর সে পালিয়েছে। তাকে আটকের জন্য অভিযান চলছে।