ঠাকুরগাঁওয়ে সীমান্তে বাংলাদেশি কৃষকের লাশ
jugantor
ঠাকুরগাঁওয়ে সীমান্তে বাংলাদেশি কৃষকের লাশ

  ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি  

১৯ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার কোটপাড়া সীমান্তের জিরো লাইনের একটি ব্রিজের নিচে আবদুল আলীম আদু (২৭) নামে বাংলাদেশি এক কৃষকের ক্ষতবিক্ষত লাশ দেখতে পেয়েছেন স্থানীয়রা। লাশ ফিরে পেতে বিজিবির কাছে আবেদন করেছে মৃতের পরিবার।

আমজানখোর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান মো. আকালু বলেন, আলীম আমার ইউনিয়নের হরিণমারী যুগীহার গ্রামের ইজাবুল হকের ছেলে।

শুক্রবার সকালে মৃতের পরিবার জানতে পারে, হরিণমারী কোটপাড়া বিজিবির সীমান্ত ফাঁড়ির বিপরীতে ভারতের সোনামতি বিএসএফ চৌকির অদূরে মইডাঙ্গা এলাকার একটি ব্রিজের নিচে আলীমের লাশ পড়ে রয়েছে। আলীমের ছোটভাই জয়নাল জানান, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর তিনি বাড়ি থেকে বের হয়ে আর ফেরেননি। পরিবারের দাবি, বিএসএফ পাথর ছুড়ে ও পিটিয়ে তাকে হত্যা করেছে।

আমজানখোর ইউনিয়ন পরিষদের ৫ নং ওয়ার্ড মেম্বার আতাবুল ইসলাম জানান, মৃত আলীম তার গ্রামের বাসিন্দা। তার লাশ পাওয়ার জন্য পরিবারের পক্ষ থেকে জয়নাল আবেদীন বালিয়াডাঙ্গী কোটপাড়া বিজিবি ক্যাম্পের কমান্ডারের কাছে লিখিত আবেদন করেছেন।

ঠাকুরগাঁও-৫০ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল সহিদুল ইসলাম বলেন, এ বিষয়টি এখন প্রক্রিয়াধীন।

৯ দিন আগে এই উপজেলার আমজানখোর ইউনিয়নের চড়ইগেদী গ্রামের আবদুল হকের ছেলে শরিফুল ইসলামকেও গুলি করে হত্যা করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) বড়বিল্লা সীমান্ত চৌকির সদস্যরা।

ঠাকুরগাঁওয়ে সীমান্তে বাংলাদেশি কৃষকের লাশ

 ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি 
১৯ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার কোটপাড়া সীমান্তের জিরো লাইনের একটি ব্রিজের নিচে আবদুল আলীম আদু (২৭) নামে বাংলাদেশি এক কৃষকের ক্ষতবিক্ষত লাশ দেখতে পেয়েছেন স্থানীয়রা। লাশ ফিরে পেতে বিজিবির কাছে আবেদন করেছে মৃতের পরিবার।

আমজানখোর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান মো. আকালু বলেন, আলীম আমার ইউনিয়নের হরিণমারী যুগীহার গ্রামের ইজাবুল হকের ছেলে।

শুক্রবার সকালে মৃতের পরিবার জানতে পারে, হরিণমারী কোটপাড়া বিজিবির সীমান্ত ফাঁড়ির বিপরীতে ভারতের সোনামতি বিএসএফ চৌকির অদূরে মইডাঙ্গা এলাকার একটি ব্রিজের নিচে আলীমের লাশ পড়ে রয়েছে। আলীমের ছোটভাই জয়নাল জানান, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর তিনি বাড়ি থেকে বের হয়ে আর ফেরেননি। পরিবারের দাবি, বিএসএফ পাথর ছুড়ে ও পিটিয়ে তাকে হত্যা করেছে।

আমজানখোর ইউনিয়ন পরিষদের ৫ নং ওয়ার্ড মেম্বার আতাবুল ইসলাম জানান, মৃত আলীম তার গ্রামের বাসিন্দা। তার লাশ পাওয়ার জন্য পরিবারের পক্ষ থেকে জয়নাল আবেদীন বালিয়াডাঙ্গী কোটপাড়া বিজিবি ক্যাম্পের কমান্ডারের কাছে লিখিত আবেদন করেছেন।

ঠাকুরগাঁও-৫০ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল সহিদুল ইসলাম বলেন, এ বিষয়টি এখন প্রক্রিয়াধীন।

৯ দিন আগে এই উপজেলার আমজানখোর ইউনিয়নের চড়ইগেদী গ্রামের আবদুল হকের ছেলে শরিফুল ইসলামকেও গুলি করে হত্যা করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) বড়বিল্লা সীমান্ত চৌকির সদস্যরা।