শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ী রুটে চালু হয়নি ফেরি চলাচল
jugantor
শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ী রুটে চালু হয়নি ফেরি চলাচল
আটকা ২ শতাধিক যান

  লৌহজং (মুন্সীগঞ্জ) প্রতিনিধি  

১৯ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

এখনও চালু হয়নি দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অন্যতম প্রবেশপথ শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ী নৌ-রুটে ফেরি চলাচল। ঘাটে আটকে আছে ট্রাকসহ দুই শতাধিক যানবাহন। চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছে পরিবহন চালক, শ্রমিক ও সাধারণ যাত্রীরা।

মঙ্গলবার এ রুটের ড্রেজিং কার্যক্রম পরিদর্শন শেষে নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব মেজবাহ উদ্দিন চৌধুরী ঘোষণা দেন, আপাতত ২৮ কিলোমিটার পথ পালের চরের চ্যানেল দিয়ে ফেরি চলাচল করবে।

তার এ ঘোষণার পর কে-টাইপ ফেরি ক্যামিলিয়া শিমুলিয়া ঘাট থেকে ছেড়ে ৬ ঘণ্টায় কাঁঠালবাড়ী পৌঁছায়। পরদিন বুধবার বীর শ্রেষ্ঠ জাহাঙ্গীর রোরো ফেরি কাঁঠালবাড়ী থেকে ছেড়ে প্রায় ৯ ঘণ্টা পর শিমুলিয়া ঘাটে আসে। তারপর এ ঘাটে আর কোনো ফেরি চলেনি।

ওইদিন নৌ-সচিব সাংবাদিকদের জানিয়েছিলেন, আগামী দু’দিনের মধ্যে লৌহজং টার্নিং পয়েন্টের চ্যানেল দিয়ে ফেরি চলাচল করতে পারবে। কিন্তু সচিবের বেঁধে দেয়া দু’দিন পার হলেও এখনও ওই চ্যানেলে ড্রেজিং শেষ হয়নি। ফলে এ রুটে ফেরি চলাচল শুরু করতে পারেনি বিআইডব্লিউটিসি কর্তৃপক্ষ।

এ বিষয়ে জানতে বিআইডব্লিউটিসির শিমুলিয়া ঘাটের ব্যবস্থাপক সাফায়েত আহম্মেদকে কয়েক বার ফোন করেও পাওয়া যায়নি। বিআইডব্লিউটিসির মেরিন অফিসার আহম্মদ আলী রোরো ফেরি বীরশ্রেষ্ঠ জাহাঙ্গীর শিমুলিয়া ঘাটে আসার পর থেকে আর কোনো ফেরি চলেনি জানিয়ে ফোন রেখে দেন।

শুক্রবার সরেজমিন শিমুলিয়া ঘাটে গিয়ে দেখা যায়, ফেরিগুলো নোঙর করে রাখা হয়েছে। ফেরি চালকরা জানান, পালের চরের চ্যানেল দিয়ে ফেরি চালানো সম্ভব নয়। কখন, কবে এ রুটে আবার ফেরি চলাচল করবে এ উত্তর তাদের জানা নেই।

এ নৌ-রুটে ফেরি বন্ধ থাকায় মোটরসাইকেলসহ যাত্রীদের অতিরিক্ত ভাড়া দিয়ে ট্রলারে পাড়ি দিতে হচ্ছে। তবে লঞ্চ ও সি-বোট চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।

শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ী রুটে চালু হয়নি ফেরি চলাচল

আটকা ২ শতাধিক যান
 লৌহজং (মুন্সীগঞ্জ) প্রতিনিধি 
১৯ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

এখনও চালু হয়নি দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অন্যতম প্রবেশপথ শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ী নৌ-রুটে ফেরি চলাচল। ঘাটে আটকে আছে ট্রাকসহ দুই শতাধিক যানবাহন। চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছে পরিবহন চালক, শ্রমিক ও সাধারণ যাত্রীরা।

মঙ্গলবার এ রুটের ড্রেজিং কার্যক্রম পরিদর্শন শেষে নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব মেজবাহ উদ্দিন চৌধুরী ঘোষণা দেন, আপাতত ২৮ কিলোমিটার পথ পালের চরের চ্যানেল দিয়ে ফেরি চলাচল করবে।

তার এ ঘোষণার পর কে-টাইপ ফেরি ক্যামিলিয়া শিমুলিয়া ঘাট থেকে ছেড়ে ৬ ঘণ্টায় কাঁঠালবাড়ী পৌঁছায়। পরদিন বুধবার বীর শ্রেষ্ঠ জাহাঙ্গীর রোরো ফেরি কাঁঠালবাড়ী থেকে ছেড়ে প্রায় ৯ ঘণ্টা পর শিমুলিয়া ঘাটে আসে। তারপর এ ঘাটে আর কোনো ফেরি চলেনি।

ওইদিন নৌ-সচিব সাংবাদিকদের জানিয়েছিলেন, আগামী দু’দিনের মধ্যে লৌহজং টার্নিং পয়েন্টের চ্যানেল দিয়ে ফেরি চলাচল করতে পারবে। কিন্তু সচিবের বেঁধে দেয়া দু’দিন পার হলেও এখনও ওই চ্যানেলে ড্রেজিং শেষ হয়নি। ফলে এ রুটে ফেরি চলাচল শুরু করতে পারেনি বিআইডব্লিউটিসি কর্তৃপক্ষ।

এ বিষয়ে জানতে বিআইডব্লিউটিসির শিমুলিয়া ঘাটের ব্যবস্থাপক সাফায়েত আহম্মেদকে কয়েক বার ফোন করেও পাওয়া যায়নি। বিআইডব্লিউটিসির মেরিন অফিসার আহম্মদ আলী রোরো ফেরি বীরশ্রেষ্ঠ জাহাঙ্গীর শিমুলিয়া ঘাটে আসার পর থেকে আর কোনো ফেরি চলেনি জানিয়ে ফোন রেখে দেন।

শুক্রবার সরেজমিন শিমুলিয়া ঘাটে গিয়ে দেখা যায়, ফেরিগুলো নোঙর করে রাখা হয়েছে। ফেরি চালকরা জানান, পালের চরের চ্যানেল দিয়ে ফেরি চালানো সম্ভব নয়। কখন, কবে এ রুটে আবার ফেরি চলাচল করবে এ উত্তর তাদের জানা নেই।

এ নৌ-রুটে ফেরি বন্ধ থাকায় মোটরসাইকেলসহ যাত্রীদের অতিরিক্ত ভাড়া দিয়ে ট্রলারে পাড়ি দিতে হচ্ছে। তবে লঞ্চ ও সি-বোট চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।