যমুনা ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপকের স্ত্রী ও বান্ধবীর হিসাব ফ্রিজ
jugantor
১২ কোটি ১৬ লাখ টাকা আত্মসাৎ
যমুনা ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপকের স্ত্রী ও বান্ধবীর হিসাব ফ্রিজ

  বগুড়া ব্যুরো  

২২ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

১২ কোটি ১৬ লাখ টাকা আত্মসাৎ মামলায় গ্রেফতার যমুনা ব্যাংক বগুড়া শাখার সাবেক ব্যবস্থাপক (সাময়িক বরখাস্ত) সওগাত আরমানের দুই স্ত্রীর ব্যাংক হিসাব ফ্রিজ ও একজনের ফ্লাট ক্রোক করা হয়েছে। এছাড়া তার বান্ধবী ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের ফার্স্ট অ্যাসিসটেন্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট নিগার সুলতানার ব্যাংক হিসাব ফ্রিজ করা হয়েছে। তদন্তকারী কর্মকর্তা দুদক বগুড়া সমন্বিত কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক আমিনুল ইসলামের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বগুড়ার সিনিয়র স্পেশাল জজ নরেশ চন্দ্র সরকার সোমবার এ আদেশ দেন। দুদকের স্পেশাল পিপি আবুল কালাম আজাদ এর সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

এজাহার সূত্র জানায়, সওগাত আরমান রংপুর জেলা সদরের কামালকাসনা এলাকার মোহতাছিম বিল্লাহর ছেলে। তিনি ২০১৭ সালের ১১ অক্টোবর যমুনা ব্যাংক বগুড়া শাখায় ব্যবস্থাপক পদে যোগ দেন। কর্মরত থাকাকালে জালিয়াতির মাধ্যমে অন্যের ব্যাংক হিসাবে ১২ কোটি ১৬ লাখ টাকা স্থানান্তর করেন। এর মধ্যে তার বড় স্ত্রী জহুরা সেতারা খানমের যমুনা ব্যাংক রংপুর শাখার ৮টি হিসাবে প্রায় ৪০ লাখ, দ্বিতীয় স্ত্রী নাজিয়া জাহানের নামে ওয়ান ব্যাংক বগুড়া শাখায় ৩৯ লাখ ৮৭ হাজার ও বান্ধবী যমুনা ব্যাংক ঢাকায় প্রধান কার্যালয়ের ফার্স্ট অ্যাসিসটেন্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট নিগার সুলতানার মার্কেন্টাইল ব্যাংক ঢাকা প্রধান শাখায় প্রায় ৫০ লাখ টাকা জমা করেন। এছাড়া দ্বিতীয় স্ত্রী নাজিয়া জাহানের নামে বগুড়া শহরের কাটনারপাড়ায় একটি ফ্ল্যাট কেনেন।

দুদক বগুড়া সমন্বিত কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক আমিনুল ইসলাম জানান, যমুনা ব্যাংক বগুড়া শাখার ব্যবস্থাপক সওগাত আরমানের বিরুদ্ধে গ্রাহকদের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ ওঠে। দীর্ঘ অনুসন্ধান করে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়। ২৮ জুলাই রাতে তাকে গ্রেফতার করা হয়। পরদিন সদর থানায় মামলা হয়। এরপর বগুড়া জেলহাজতে পাঠানো হয়।

১২ কোটি ১৬ লাখ টাকা আত্মসাৎ

যমুনা ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপকের স্ত্রী ও বান্ধবীর হিসাব ফ্রিজ

 বগুড়া ব্যুরো 
২২ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

১২ কোটি ১৬ লাখ টাকা আত্মসাৎ মামলায় গ্রেফতার যমুনা ব্যাংক বগুড়া শাখার সাবেক ব্যবস্থাপক (সাময়িক বরখাস্ত) সওগাত আরমানের দুই স্ত্রীর ব্যাংক হিসাব ফ্রিজ ও একজনের ফ্লাট ক্রোক করা হয়েছে। এছাড়া তার বান্ধবী ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের ফার্স্ট অ্যাসিসটেন্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট নিগার সুলতানার ব্যাংক হিসাব ফ্রিজ করা হয়েছে। তদন্তকারী কর্মকর্তা দুদক বগুড়া সমন্বিত কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক আমিনুল ইসলামের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বগুড়ার সিনিয়র স্পেশাল জজ নরেশ চন্দ্র সরকার সোমবার এ আদেশ দেন। দুদকের স্পেশাল পিপি আবুল কালাম আজাদ এর সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

এজাহার সূত্র জানায়, সওগাত আরমান রংপুর জেলা সদরের কামালকাসনা এলাকার মোহতাছিম বিল্লাহর ছেলে। তিনি ২০১৭ সালের ১১ অক্টোবর যমুনা ব্যাংক বগুড়া শাখায় ব্যবস্থাপক পদে যোগ দেন। কর্মরত থাকাকালে জালিয়াতির মাধ্যমে অন্যের ব্যাংক হিসাবে ১২ কোটি ১৬ লাখ টাকা স্থানান্তর করেন। এর মধ্যে তার বড় স্ত্রী জহুরা সেতারা খানমের যমুনা ব্যাংক রংপুর শাখার ৮টি হিসাবে প্রায় ৪০ লাখ, দ্বিতীয় স্ত্রী নাজিয়া জাহানের নামে ওয়ান ব্যাংক বগুড়া শাখায় ৩৯ লাখ ৮৭ হাজার ও বান্ধবী যমুনা ব্যাংক ঢাকায় প্রধান কার্যালয়ের ফার্স্ট অ্যাসিসটেন্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট নিগার সুলতানার মার্কেন্টাইল ব্যাংক ঢাকা প্রধান শাখায় প্রায় ৫০ লাখ টাকা জমা করেন। এছাড়া দ্বিতীয় স্ত্রী নাজিয়া জাহানের নামে বগুড়া শহরের কাটনারপাড়ায় একটি ফ্ল্যাট কেনেন।

দুদক বগুড়া সমন্বিত কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক আমিনুল ইসলাম জানান, যমুনা ব্যাংক বগুড়া শাখার ব্যবস্থাপক সওগাত আরমানের বিরুদ্ধে গ্রাহকদের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ ওঠে। দীর্ঘ অনুসন্ধান করে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়। ২৮ জুলাই রাতে তাকে গ্রেফতার করা হয়। পরদিন সদর থানায় মামলা হয়। এরপর বগুড়া জেলহাজতে পাঠানো হয়।