শিবচরে পদ্মার ভাঙনে এবার ইউপি ভবন
jugantor
শিবচরে পদ্মার ভাঙনে এবার ইউপি ভবন

  শিবচর (মাদারীপুর) প্রতিনিধি  

২২ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

মাদারীপুরের শিবচর উপজেলার বন্দরখোলা ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) ভবনটি পদ্মার ভাঙনে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। রোববার রাতে ভবনটির অর্ধেক নদীগর্ভে চলে যায়। বাকি অর্ধেক ভাঙনের মুখে রয়েছে। এছাড়া ইউনিয়ন পরিষদ ভবনটির পাশের একটি কমিউনিটি ক্লিনিকও নদীভাঙনের মুখে পড়েছে। এর আগে ওই এলাকার একটি তিনতলা বিশিষ্ট মাধ্যমিক বিদ্যালয়, একটি প্রাথমিক বিদ্যালয় নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। এ ছাড়াও ভাঙনের মুখে রয়েছে ইউনিয়নটির কাজীরসুরা বাজার। ইতঃপূর্বে চলতি বর্ষা মৌসুমে ওই এলাকার শতাধিক পরিবার ভাঙনের শিকার হয়েছে।

এলাকাবাসী জানায়, শিবচর উপজেলার বন্দরখোলা ইউনিয়নের পদ্মা নদী সংলগ্ন কাজীরসুরা এলাকা। বহু বছর আগে গড়ে ওঠা বিস্তীর্ণ এ জনপদে গত কয়েক বছর ধরে পদ্মার ভাঙন তীব্রতর হয়েছে। বর্ষা মৌসুমের শুরু ও শেষের দিকে এসে ভাঙন ভয়াবহ আকার ধারন করতে থাকে। এ বছর বর্ষা মৌসুমের শুরুতেই নদীভাঙন শুরু হলে ভিটেমাটি হারা হয় অসংখ্য পরিবার। নদীভাঙনের কারণে বসতভিটা হারিয়ে ভূমিহীন হয়ে পড়েছে কাজীরস–রা ও সংলগ্ন এলাকার সাধারণ মানুষ। এ ছাড়াও একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, একটি প্রাথমিক বিদ্যালয় কাম আশ্রয় কেন্দ্র, মসজিদ, কমিউনিটি ক্লিনিক পদ্মার ভাঙনে বিলীন হয়ে গেছে।

জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নুর-ই-আলম চৌধুরী নির্দেশে জিও ব্যাগ ফেলে পানি উন্নয়ন বোর্ড ভাঙন ঠেকানোর চেষ্টা করলেও স্রোতের তীব্রতার কারণে সেই প্রচেষ্টা সফল হয়নি। বন্দরখোলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. নিজাম বেপারী বলেন, ইউনিয়ন পরিষদ ভবনটির অর্ধেক নদীতে পড়ে গেছে। পদ্মার ভাঙনে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ নানা স্থাপনা, বসতবাড়ি বিলীন হয়ে গেছে। নদীভাঙনের শিকার মানুষের কষ্টের শেষ নেই।

শিবচরে পদ্মার ভাঙনে এবার ইউপি ভবন

 শিবচর (মাদারীপুর) প্রতিনিধি 
২২ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

মাদারীপুরের শিবচর উপজেলার বন্দরখোলা ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) ভবনটি পদ্মার ভাঙনে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। রোববার রাতে ভবনটির অর্ধেক নদীগর্ভে চলে যায়। বাকি অর্ধেক ভাঙনের মুখে রয়েছে। এছাড়া ইউনিয়ন পরিষদ ভবনটির পাশের একটি কমিউনিটি ক্লিনিকও নদীভাঙনের মুখে পড়েছে। এর আগে ওই এলাকার একটি তিনতলা বিশিষ্ট মাধ্যমিক বিদ্যালয়, একটি প্রাথমিক বিদ্যালয় নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। এ ছাড়াও ভাঙনের মুখে রয়েছে ইউনিয়নটির কাজীরসুরা বাজার। ইতঃপূর্বে চলতি বর্ষা মৌসুমে ওই এলাকার শতাধিক পরিবার ভাঙনের শিকার হয়েছে।

এলাকাবাসী জানায়, শিবচর উপজেলার বন্দরখোলা ইউনিয়নের পদ্মা নদী সংলগ্ন কাজীরসুরা এলাকা। বহু বছর আগে গড়ে ওঠা বিস্তীর্ণ এ জনপদে গত কয়েক বছর ধরে পদ্মার ভাঙন তীব্রতর হয়েছে। বর্ষা মৌসুমের শুরু ও শেষের দিকে এসে ভাঙন ভয়াবহ আকার ধারন করতে থাকে। এ বছর বর্ষা মৌসুমের শুরুতেই নদীভাঙন শুরু হলে ভিটেমাটি হারা হয় অসংখ্য পরিবার। নদীভাঙনের কারণে বসতভিটা হারিয়ে ভূমিহীন হয়ে পড়েছে কাজীরস–রা ও সংলগ্ন এলাকার সাধারণ মানুষ। এ ছাড়াও একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, একটি প্রাথমিক বিদ্যালয় কাম আশ্রয় কেন্দ্র, মসজিদ, কমিউনিটি ক্লিনিক পদ্মার ভাঙনে বিলীন হয়ে গেছে।

জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নুর-ই-আলম চৌধুরী নির্দেশে জিও ব্যাগ ফেলে পানি উন্নয়ন বোর্ড ভাঙন ঠেকানোর চেষ্টা করলেও স্রোতের তীব্রতার কারণে সেই প্রচেষ্টা সফল হয়নি। বন্দরখোলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. নিজাম বেপারী বলেন, ইউনিয়ন পরিষদ ভবনটির অর্ধেক নদীতে পড়ে গেছে। পদ্মার ভাঙনে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ নানা স্থাপনা, বসতবাড়ি বিলীন হয়ে গেছে। নদীভাঙনের শিকার মানুষের কষ্টের শেষ নেই।