ফরিদপুরে স্ত্রী হত্যার দায়ে স্বামীর যাবজ্জীবন
jugantor
ফরিদপুরে স্ত্রী হত্যার দায়ে স্বামীর যাবজ্জীবন

  ফরিদপুর ব্যুরো  

২২ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ফরিদপুরে স্ত্রী হাসি বেগমকে হত্যার দায়ে স্বামী জাহাঙ্গীর মীরের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হয়েছে। সোমবার সকালে ফরিদপুরের বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. মতিয়ার রহমান এ আদেশ দেন। পাশাপাশি তাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানা অনাদায়ে আরও ছয় মাস বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে জাহাঙ্গীরকে।

জাহাঙ্গীর ফরিদপুর সদরের বঙ্গেশ্বর্দী গ্রামের বাসিন্দা। তিনি পেশায় কাঠমিস্ত্রি ছিলেন। হাসি বেগম পাশের বোয়ালমারী উপজেলার সাতৈর গ্রামের আবু মৃধার মেয়ে।

আদালতের পেশকার সাধন কুমার বালা মামলার এজাহার উল্লেখ করে জানান, ২০১৮ সালের ২০ এপ্রিল দুপুরে পারিবারিক কলহের এক পর্যায়ে স্ত্রীকে কিল-ঘুষি থাপ্পড় মারতে থাকেন জাহাঙ্গীর। এক পর্যায়ে হাসি বেগম মারা যান। তখন জাহাঙ্গীর স্ত্রীর গলায় ওড়না পেঁচিয়ে ফাঁস দিয়ে তাকে ঘরের আঁড়ার সঙ্গে ঝুলিয়ে রাখেন।

এ ঘটনায় বঙ্গেশ্বর্দী গ্রামের দফাদার আয়নাল মোল্লা বাদী হয়ে ফরিদপুর কোতোয়ালি থানায় একটি মামলা করেন। ২০১৮ সালের ২৪ আগস্ট এ মামলার অভিযোগপত্র দেন তদন্ত কর্মকর্তা ফরিদপুর কোতোয়ালি থানার এসআই মো. আসলাম উদ্দিন।

২০১৮ সালের ২ জুন গ্রেফতার করা হয় জাহাঙ্গীরকে। গ্রেফতারের পর থেকে তিনি জেলহাজতে ছিলেন। রায়ের সময় তাকে আদালতে হাজির করা হয়। জেলা কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়।

ফরিদপুরে স্ত্রী হত্যার দায়ে স্বামীর যাবজ্জীবন

 ফরিদপুর ব্যুরো 
২২ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ফরিদপুরে স্ত্রী হাসি বেগমকে হত্যার দায়ে স্বামী জাহাঙ্গীর মীরের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হয়েছে। সোমবার সকালে ফরিদপুরের বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. মতিয়ার রহমান এ আদেশ দেন। পাশাপাশি তাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানা অনাদায়ে আরও ছয় মাস বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে জাহাঙ্গীরকে।

জাহাঙ্গীর ফরিদপুর সদরের বঙ্গেশ্বর্দী গ্রামের বাসিন্দা। তিনি পেশায় কাঠমিস্ত্রি ছিলেন। হাসি বেগম পাশের বোয়ালমারী উপজেলার সাতৈর গ্রামের আবু মৃধার মেয়ে।

আদালতের পেশকার সাধন কুমার বালা মামলার এজাহার উল্লেখ করে জানান, ২০১৮ সালের ২০ এপ্রিল দুপুরে পারিবারিক কলহের এক পর্যায়ে স্ত্রীকে কিল-ঘুষি থাপ্পড় মারতে থাকেন জাহাঙ্গীর। এক পর্যায়ে হাসি বেগম মারা যান। তখন জাহাঙ্গীর স্ত্রীর গলায় ওড়না পেঁচিয়ে ফাঁস দিয়ে তাকে ঘরের আঁড়ার সঙ্গে ঝুলিয়ে রাখেন।

এ ঘটনায় বঙ্গেশ্বর্দী গ্রামের দফাদার আয়নাল মোল্লা বাদী হয়ে ফরিদপুর কোতোয়ালি থানায় একটি মামলা করেন। ২০১৮ সালের ২৪ আগস্ট এ মামলার অভিযোগপত্র দেন তদন্ত কর্মকর্তা ফরিদপুর কোতোয়ালি থানার এসআই মো. আসলাম উদ্দিন।

২০১৮ সালের ২ জুন গ্রেফতার করা হয় জাহাঙ্গীরকে। গ্রেফতারের পর থেকে তিনি জেলহাজতে ছিলেন। রায়ের সময় তাকে আদালতে হাজির করা হয়। জেলা কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়।