খুলনায় মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হচ্ছে
jugantor
মন্ত্রিসভায় অনুমোদন
খুলনায় মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হচ্ছে

  যুগান্তর রিপোর্ট  

২২ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

খুলনায় হচ্ছে শেখ হাসিনা মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়। এজন্য ‘শেখ হাসিনা মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা, আইন, ২০২০’-এর খসড়া চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। এছাড়া বৈঠকে বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশন আইন-২০২০ সহ আরও দুটি অনুসমর্থনের প্রস্তাবে অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। সোমবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে ভার্চুয়াল মন্ত্রিসভা বৈঠকে এ অনুমোদন দেয়া হয়। প্রধানমন্ত্রী গণভবন থেকে এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীরা সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে বৈঠকে যুক্ত হন। বৈঠক শেষে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের উল্লিখিত তথ্য জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম। তিনি বলেন, এর আগেও (১৩ জুলাই) এটি নীতিগত অনুমোদনের জন্য এসেছিল, তখন বিস্তারিত আলাপ-আলোচনা করে এটা অনুমোদন দেয়া হয়। লেজিসলেটিভ বিভাগের মতামত পাওয়ার পর স্বাস্থ্য শিক্ষা বিভাগ থেকে এটা চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য পাঠানো হয়েছে। স্নাতকোত্তর পর্যায়ে চিকিৎসা শিক্ষা ও গবেষণা এবং স্নাতক পর্যায়ে চিকিৎসা শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনার জন্য খুলনায় একটা মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা প্রয়োজন। এটা প্রতিষ্ঠিত হলে খুলনা অঞ্চলের মধ্যে যত মেডিকেল কলেজ, নার্সিং ইন্সটিটিউট বা অন্য চিকিৎসা-সংক্রান্ত যেসব ইন্সটিটিউট থাকবে সবই এই খুলনা শেখ হাসিনা মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে চলে আসবে। এর আগে রাজশাহী, চট্টগ্রাম ও সিলেট মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য যে আইন প্রণয়ন করা হয়েছিল এর সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে একই রকম আইন করা হয়েছে বলেও জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব।

আইনে মোট ৫৫টি ধারা রয়েছে জানিয়ে খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, এতে বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন, এখতিয়ার এবং ক্ষমতার বিষয়ে বর্ণনা করা হয়েছে। পরিদর্শন ও আর্থিক বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের ভূমিকা উল্লেখ রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য, উপ-উপাচার্য, কোষাধ্যক্ষ, রেজিস্ট্রার, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ও কর্মচারীদের নিয়োগ প্রক্রিয়া, ক্ষমতা ও দায়িত্ব বর্ণনা করা হয়েছে আইনে।

রহিত হচ্ছে চিকিৎসা ডিগ্রি আইন : মন্ত্রিপরিষদ সচিব জানান, ‘চিকিৎসা ডিগ্রি (দ্য মেডিকেল ডিগ্রিস) (রহিতকরণ) আইন, ২০২০’ এর খসড়া নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।

সেইন্ট কিটস-ডোমেনিকার সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন : দুই ক্যারিবীয় দ্বীপ রাষ্ট্র সেইন্ট কিটস অ্যান্ড নেভিস ও কমনওয়েলথ অব ডোমেনিকার মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ সরকার। এজন্য কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন সংক্রান্ত যৌথ ঘোষণাপত্রের খসড়া অনুসমর্থনের প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। এ প্রসঙ্গে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে প্রস্তাব আনা হয়েছিল। ক্যারিবীয় দ্বীপপুঞ্জের অন্তর্গত দু’টি দ্বীপ নিয়ে সেইন্ট কিটস অ্যান্ড নেভিস একটা ছোট রাষ্ট্র। আমাদের সঙ্গে তাদের কূটনৈতিক সম্পর্ক নেই। যার ফলে আমাদের দেশের কিছু লোক ওখানে থাকে এবং কাজকর্ম করে। তাদের জন্য একটু প্রতিবন্ধকতার সম্মুখীন হতে হয়। দেশটি জাতিসংঘ, কমনওয়েলথ, আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত, ক্যারিবিয়ান কমিউনিটি, অর্গানাইজেশন অব ক্যারিবিয়ান স্টেটসসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার সদস্য।

মন্ত্রিসভায় অনুমোদন

খুলনায় মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হচ্ছে

 যুগান্তর রিপোর্ট 
২২ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

খুলনায় হচ্ছে শেখ হাসিনা মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়। এজন্য ‘শেখ হাসিনা মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা, আইন, ২০২০’-এর খসড়া চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। এছাড়া বৈঠকে বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশন আইন-২০২০ সহ আরও দুটি অনুসমর্থনের প্রস্তাবে অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। সোমবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে ভার্চুয়াল মন্ত্রিসভা বৈঠকে এ অনুমোদন দেয়া হয়। প্রধানমন্ত্রী গণভবন থেকে এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীরা সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে বৈঠকে যুক্ত হন। বৈঠক শেষে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের উল্লিখিত তথ্য জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম। তিনি বলেন, এর আগেও (১৩ জুলাই) এটি নীতিগত অনুমোদনের জন্য এসেছিল, তখন বিস্তারিত আলাপ-আলোচনা করে এটা অনুমোদন দেয়া হয়। লেজিসলেটিভ বিভাগের মতামত পাওয়ার পর স্বাস্থ্য শিক্ষা বিভাগ থেকে এটা চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য পাঠানো হয়েছে। স্নাতকোত্তর পর্যায়ে চিকিৎসা শিক্ষা ও গবেষণা এবং স্নাতক পর্যায়ে চিকিৎসা শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনার জন্য খুলনায় একটা মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা প্রয়োজন। এটা প্রতিষ্ঠিত হলে খুলনা অঞ্চলের মধ্যে যত মেডিকেল কলেজ, নার্সিং ইন্সটিটিউট বা অন্য চিকিৎসা-সংক্রান্ত যেসব ইন্সটিটিউট থাকবে সবই এই খুলনা শেখ হাসিনা মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে চলে আসবে। এর আগে রাজশাহী, চট্টগ্রাম ও সিলেট মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য যে আইন প্রণয়ন করা হয়েছিল এর সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে একই রকম আইন করা হয়েছে বলেও জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব।

আইনে মোট ৫৫টি ধারা রয়েছে জানিয়ে খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, এতে বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন, এখতিয়ার এবং ক্ষমতার বিষয়ে বর্ণনা করা হয়েছে। পরিদর্শন ও আর্থিক বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের ভূমিকা উল্লেখ রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য, উপ-উপাচার্য, কোষাধ্যক্ষ, রেজিস্ট্রার, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ও কর্মচারীদের নিয়োগ প্রক্রিয়া, ক্ষমতা ও দায়িত্ব বর্ণনা করা হয়েছে আইনে।

রহিত হচ্ছে চিকিৎসা ডিগ্রি আইন : মন্ত্রিপরিষদ সচিব জানান, ‘চিকিৎসা ডিগ্রি (দ্য মেডিকেল ডিগ্রিস) (রহিতকরণ) আইন, ২০২০’ এর খসড়া নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।

সেইন্ট কিটস-ডোমেনিকার সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন : দুই ক্যারিবীয় দ্বীপ রাষ্ট্র সেইন্ট কিটস অ্যান্ড নেভিস ও কমনওয়েলথ অব ডোমেনিকার মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ সরকার। এজন্য কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন সংক্রান্ত যৌথ ঘোষণাপত্রের খসড়া অনুসমর্থনের প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। এ প্রসঙ্গে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে প্রস্তাব আনা হয়েছিল। ক্যারিবীয় দ্বীপপুঞ্জের অন্তর্গত দু’টি দ্বীপ নিয়ে সেইন্ট কিটস অ্যান্ড নেভিস একটা ছোট রাষ্ট্র। আমাদের সঙ্গে তাদের কূটনৈতিক সম্পর্ক নেই। যার ফলে আমাদের দেশের কিছু লোক ওখানে থাকে এবং কাজকর্ম করে। তাদের জন্য একটু প্রতিবন্ধকতার সম্মুখীন হতে হয়। দেশটি জাতিসংঘ, কমনওয়েলথ, আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত, ক্যারিবিয়ান কমিউনিটি, অর্গানাইজেশন অব ক্যারিবিয়ান স্টেটসসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার সদস্য।