লক্ষ্মীপুরে কলেজছাত্রকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ
jugantor
লক্ষ্মীপুরে কলেজছাত্রকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ

  লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি  

২৫ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

লক্ষ্মীপুরে প্রেমসংক্রান্ত ঘটনাকে কেন্দ্র করে মো. জাবেদ হোসেন নামে এক কলেজছাত্রকে ফোনে ডেকে নিয়ে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে।

ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে নিহতের লাশ ফ্যানের সঙ্গে ঝুলিয়ে আত্মহত্যার নাটক সাজানো হয়েছে বলে দাবি নিহতের স্বজনদের। বৃহস্পতিবার দুপুরে সদর উপজেলার বিজয়নগর গ্রামে প্রেমিকার নানার বাড়ি (ইন্দ্র পণ্ডিত বাড়ি) থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় ওই ছাত্রের লাশ উদ্ধার করা হয়। জাবেদ একই ইউনিয়নের হাসন্দী গ্রামের শরীফ উল্যার ছেলে। সে লক্ষ্মীপুর দালাল বাজার ডিগ্রি কলেজের একাদশ শ্রেণির ছাত্র।

নিহতের স্বজনদের দাবি, সদর উপজেলার উত্তর হামছাদী ইউনিয়নের পূর্ব হাসন্দী গ্রামের সেলিমের মেয়ের সঙ্গে জাবেদের প্রেমের সম্পর্ক রয়েছে। বিষয়টি জানাজানি হওয়ায় ক্ষিপ্ত হয় মেয়ের পরিবারের লোকজন। একপর্যায়ে দু’জনই পালিয়ে বিয়ে করার সিদ্ধান্ত নেয়। বৃহস্পতিবার সকালে বিষয়টি টের পেয়ে মেয়ের ভাই ফরহাদ, রুবেল ও লিটনসহ কয়েকজন কৌশলে ফোনে জাবেদকে মেয়ের নানার বাড়িতে ডেকে নেয়। এরপর পিটিয়ে হত্যা করে। ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে লাশ ঘরের ফ্যানের সঙ্গে ঝুলিয়ে রাখা হয় বলে অভিযোগ নিহতের স্বজনদের। হত্যার বিষয় অস্বীকার করে মেয়ের স্বজনরা দাবি করেন, পালিয়ে যাওয়ার জন্য দু’জন বিজয়নগর মেয়ের নানার বাড়িতে একত্রিত হয়।

কিন্তু মেয়ে পালাতে রাজি না হওয়ায় ক্ষোভে বসতঘরের দরজা লাগিয়ে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে জাবেদ আত্মহত্যা করে। ঘটনার সঙ্গে তারা কেউই জড়িত নন।

লক্ষ্মীপুরে কলেজছাত্রকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ

 লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি 
২৫ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

লক্ষ্মীপুরে প্রেমসংক্রান্ত ঘটনাকে কেন্দ্র করে মো. জাবেদ হোসেন নামে এক কলেজছাত্রকে ফোনে ডেকে নিয়ে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে।

ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে নিহতের লাশ ফ্যানের সঙ্গে ঝুলিয়ে আত্মহত্যার নাটক সাজানো হয়েছে বলে দাবি নিহতের স্বজনদের। বৃহস্পতিবার দুপুরে সদর উপজেলার বিজয়নগর গ্রামে প্রেমিকার নানার বাড়ি (ইন্দ্র পণ্ডিত বাড়ি) থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় ওই ছাত্রের লাশ উদ্ধার করা হয়। জাবেদ একই ইউনিয়নের হাসন্দী গ্রামের শরীফ উল্যার ছেলে। সে লক্ষ্মীপুর দালাল বাজার ডিগ্রি কলেজের একাদশ শ্রেণির ছাত্র।

নিহতের স্বজনদের দাবি, সদর উপজেলার উত্তর হামছাদী ইউনিয়নের পূর্ব হাসন্দী গ্রামের সেলিমের মেয়ের সঙ্গে জাবেদের প্রেমের সম্পর্ক রয়েছে। বিষয়টি জানাজানি হওয়ায় ক্ষিপ্ত হয় মেয়ের পরিবারের লোকজন। একপর্যায়ে দু’জনই পালিয়ে বিয়ে করার সিদ্ধান্ত নেয়। বৃহস্পতিবার সকালে বিষয়টি টের পেয়ে মেয়ের ভাই ফরহাদ, রুবেল ও লিটনসহ কয়েকজন কৌশলে ফোনে জাবেদকে মেয়ের নানার বাড়িতে ডেকে নেয়। এরপর পিটিয়ে হত্যা করে। ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে লাশ ঘরের ফ্যানের সঙ্গে ঝুলিয়ে রাখা হয় বলে অভিযোগ নিহতের স্বজনদের। হত্যার বিষয় অস্বীকার করে মেয়ের স্বজনরা দাবি করেন, পালিয়ে যাওয়ার জন্য দু’জন বিজয়নগর মেয়ের নানার বাড়িতে একত্রিত হয়।

কিন্তু মেয়ে পালাতে রাজি না হওয়ায় ক্ষোভে বসতঘরের দরজা লাগিয়ে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে জাবেদ আত্মহত্যা করে। ঘটনার সঙ্গে তারা কেউই জড়িত নন।