ধর্ষকদের ভয়ে বাদী পালিয়ে বেড়াচ্ছে
jugantor
ধর্ষকদের ভয়ে বাদী পালিয়ে বেড়াচ্ছে

  নোয়াখালী প্রতিনিধি  

২৭ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

নোয়াখালীর সুধারামে গণধর্ষণে কিশোরী আঁখি আলমগীর স্বর্ণার আত্মহত্যার ঘটনার মামলার বাদীকে বিভিন্নভাবে হুমকি-ধমকি দেয়া হচ্ছে। প্রভাবশালীদের হুমকি-ধমকিতে আতঙ্কিত মামলার বাদী ও তার পরিবারের সদস্যরা। এখন ধর্ষকরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে আর ভিকটিমের পরিবার পালিয়ে বেড়াচ্ছে।

স্বর্ণার বাবা আলমগীর শনিবার নোয়াখালী প্রেস ক্লাবে এসে সাংবাদিকদের কাছে এমন অভিযোগ করেন। তিনি বলেন, বিয়ের আগে থেকেই এলাকার মো. রাকিব, মঈন, রায়হান ও জনিসহ কয়েকজন বখাটে তার মেয়েকে প্রায়ই উত্ত্যক্ত করত। এ কারণে মেয়েকে তিনি আড়াই বছর আগে তার নিজ গ্রামের আমিনুল হকের ছেলে মঈনউদ্দীনের সঙ্গে বিয়ে দেন। তিনি বলেন, বিয়ের পরও তার মেয়েকে ওই বখাটেরা বিভিন্নভাবে উত্ত্যক্ত করত। এ বছরের ৯ জুলাই নানাবাড়িতে বেড়াতে গেলে আঁখি আলমগীর স্বর্ণাকে ওই বখাটেরা গণধর্ষণ করে। এ লজ্জায় সে আত্মহত্যা করে।

আলমগীর বলেন, এ বছরের ২৭ আগস্ট তিনি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এ মামলা করেন। আদালত পিবিআই নোয়াখালীকে মামলা তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দেন। এরপর থেকে ৪ আসামি ও তাদের পরিবার এবং দলীয় ক্যাডাররা তাকে ও তার পরিবারকে মামলা তুলে নিতে চাপ দিচ্ছে। মামলা না তুললে তাদেরকে হত্যার হুমকি দিচ্ছে। সুধারাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নবির হোসেন বলেন, কোর্টে মামলার খবরও তিনি জানেন না। তবে তাকে বা তার পরিবারকে কেউ হুমকি দিলে তিনি থানায় সাধারণ ডায়েরি করতে পারেন। সে অনুযায়ী আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

ধর্ষকদের ভয়ে বাদী পালিয়ে বেড়াচ্ছে

 নোয়াখালী প্রতিনিধি 
২৭ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

নোয়াখালীর সুধারামে গণধর্ষণে কিশোরী আঁখি আলমগীর স্বর্ণার আত্মহত্যার ঘটনার মামলার বাদীকে বিভিন্নভাবে হুমকি-ধমকি দেয়া হচ্ছে। প্রভাবশালীদের হুমকি-ধমকিতে আতঙ্কিত মামলার বাদী ও তার পরিবারের সদস্যরা। এখন ধর্ষকরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে আর ভিকটিমের পরিবার পালিয়ে বেড়াচ্ছে।

স্বর্ণার বাবা আলমগীর শনিবার নোয়াখালী প্রেস ক্লাবে এসে সাংবাদিকদের কাছে এমন অভিযোগ করেন। তিনি বলেন, বিয়ের আগে থেকেই এলাকার মো. রাকিব, মঈন, রায়হান ও জনিসহ কয়েকজন বখাটে তার মেয়েকে প্রায়ই উত্ত্যক্ত করত। এ কারণে মেয়েকে তিনি আড়াই বছর আগে তার নিজ গ্রামের আমিনুল হকের ছেলে মঈনউদ্দীনের সঙ্গে বিয়ে দেন। তিনি বলেন, বিয়ের পরও তার মেয়েকে ওই বখাটেরা বিভিন্নভাবে উত্ত্যক্ত করত। এ বছরের ৯ জুলাই নানাবাড়িতে বেড়াতে গেলে আঁখি আলমগীর স্বর্ণাকে ওই বখাটেরা গণধর্ষণ করে। এ লজ্জায় সে আত্মহত্যা করে।

আলমগীর বলেন, এ বছরের ২৭ আগস্ট তিনি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এ মামলা করেন। আদালত পিবিআই নোয়াখালীকে মামলা তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দেন। এরপর থেকে ৪ আসামি ও তাদের পরিবার এবং দলীয় ক্যাডাররা তাকে ও তার পরিবারকে মামলা তুলে নিতে চাপ দিচ্ছে। মামলা না তুললে তাদেরকে হত্যার হুমকি দিচ্ছে। সুধারাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নবির হোসেন বলেন, কোর্টে মামলার খবরও তিনি জানেন না। তবে তাকে বা তার পরিবারকে কেউ হুমকি দিলে তিনি থানায় সাধারণ ডায়েরি করতে পারেন। সে অনুযায়ী আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।