কেন্দুয়ায় অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে ছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ
jugantor
কেন্দুয়ায় অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে ছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ

  কেন্দুয়া (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি  

২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলায় ফাজিল দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন ছাত্রীর মা। ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ অস্বীকার করে অধ্যক্ষ জানান, ওই ছাত্রী তার স্ত্রী এবং স্ত্রীকে নিজ বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার জন্য আদালতে তিনি মামলাও করেছেন।

জানা গেছে, কেন্দুয়া উপজেলার রোয়াইলবাড়ী ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ সাইদুর রহমান। নান্দাইল উপজেলার ঝাউগড়া গ্রামের মৃত আবেদ আলীর মুন্সীর ছেলে তিনি। রোয়াইলবাড়ী (তাঁতীপাড়া) গ্রামের ওমর ফারুকের বাড়িতে ভাড়া থাকেন। ১৮ জুলাই তিনি উপবৃত্তি ফরমে স্বাক্ষর করার কথা বলে মাদ্রাসাছাত্রী নান্দাইল উপজেলার সুন্দাইল গ্রামের দোয়াত মিয়ার মেয়ে শারমিন আক্তারকে ভাড়া বাড়িতে ডেকে আনেন। এরপর শারমিনকে নিকাহনামায় স্বাক্ষর দিতে বলেন। এতে রাজি না হলে তিনি তাকে ধর্ষণের চেষ্টা চালান। শারমিনের চিৎকারে প্রতিবেশীরা ছুটে এসে তাকে ধর্ষণের কবল থেকে উদ্ধার করে। ঘটনা গোপন রেখে ১০ আগস্ট শারমিনের বিয়ে দেন পরিবারের লোকজন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে অধ্যক্ষ সাইদুর বিয়ে ভেঙে দিতে শারমিনের পরিবারকে বিভিন্নভাবে হুমকি দেন। এ অবস্থায় ১৮ সেপ্টেম্বর শারমিন আক্তারের মা শিপন আক্তার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে সাইদুর রহমানের বিরুদ্ধে কেন্দুয়া থানায় মামলা করেন। ২২ সেপ্টেম্বর মাদ্রাসার গর্ভনিং বডি সাইদুর রহমানকে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের পদ থেকে অব্যাহতি দেয়। এদিকে মাদ্রাসা ছাত্রী শারমিনকে নিজের স্ত্রী দাবি করে ময়মনসিংহ আদালতে মামলা করেছেন অধ্যক্ষ সাইদুর রহমান।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও কেন্দুয়া থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) জানান, মাদ্রাসা ছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের বাড়িতে গিয়ে পুলিশ তাকে পায়নি বলে জানান তিনি।

কেন্দুয়ায় অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে ছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ

 কেন্দুয়া (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি 
২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলায় ফাজিল দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন ছাত্রীর মা। ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ অস্বীকার করে অধ্যক্ষ জানান, ওই ছাত্রী তার স্ত্রী এবং স্ত্রীকে নিজ বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার জন্য আদালতে তিনি মামলাও করেছেন।

জানা গেছে, কেন্দুয়া উপজেলার রোয়াইলবাড়ী ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ সাইদুর রহমান। নান্দাইল উপজেলার ঝাউগড়া গ্রামের মৃত আবেদ আলীর মুন্সীর ছেলে তিনি। রোয়াইলবাড়ী (তাঁতীপাড়া) গ্রামের ওমর ফারুকের বাড়িতে ভাড়া থাকেন। ১৮ জুলাই তিনি উপবৃত্তি ফরমে স্বাক্ষর করার কথা বলে মাদ্রাসাছাত্রী নান্দাইল উপজেলার সুন্দাইল গ্রামের দোয়াত মিয়ার মেয়ে শারমিন আক্তারকে ভাড়া বাড়িতে ডেকে আনেন। এরপর শারমিনকে নিকাহনামায় স্বাক্ষর দিতে বলেন। এতে রাজি না হলে তিনি তাকে ধর্ষণের চেষ্টা চালান। শারমিনের চিৎকারে প্রতিবেশীরা ছুটে এসে তাকে ধর্ষণের কবল থেকে উদ্ধার করে। ঘটনা গোপন রেখে ১০ আগস্ট শারমিনের বিয়ে দেন পরিবারের লোকজন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে অধ্যক্ষ সাইদুর বিয়ে ভেঙে দিতে শারমিনের পরিবারকে বিভিন্নভাবে হুমকি দেন। এ অবস্থায় ১৮ সেপ্টেম্বর শারমিন আক্তারের মা শিপন আক্তার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে সাইদুর রহমানের বিরুদ্ধে কেন্দুয়া থানায় মামলা করেন। ২২ সেপ্টেম্বর মাদ্রাসার গর্ভনিং বডি সাইদুর রহমানকে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের পদ থেকে অব্যাহতি দেয়। এদিকে মাদ্রাসা ছাত্রী শারমিনকে নিজের স্ত্রী দাবি করে ময়মনসিংহ আদালতে মামলা করেছেন অধ্যক্ষ সাইদুর রহমান।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও কেন্দুয়া থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) জানান, মাদ্রাসা ছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের বাড়িতে গিয়ে পুলিশ তাকে পায়নি বলে জানান তিনি।