বিএসএফের ধাওয়ায় নিখোঁজের ১১ দিন পর নদী থেকে লাশ উদ্ধার
jugantor
বিএসএফের ধাওয়ায় নিখোঁজের ১১ দিন পর নদী থেকে লাশ উদ্ধার

  ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি  

০১ অক্টোবর ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার কোটপাড়া সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের ধাওয়া খেয়ে নাগর নদীতে ঝাঁপ দিয়ে নিখোঁজ হওয়া বাংলাদেশি কৃষকের লাশ ১১ দিন পর উদ্ধার করা হয়েছে।

মারা যাওয়া আবদুল আলীম ওরফে আদু মিয়া বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার যুগিহার তারাঞ্জু বাড়ি গ্রামের মো. এজাবুলের ছেলে। বালিয়াডাঙ্গীর রত্নাই বিওপির সীমান্ত পিলারের কাছে বাংলাদেশের ৩০ গজ ভেতরে নাগর নদীতে মঙ্গলবার বিকালে স্থানীয়রা ভাসমান একটি লাশ দেখতে পায়।

পরে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) রত্নাই বিওপিতে জানালে তারা গিয়ে লাশটি উদ্ধার করে। আমজানখোর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আকালু ও বালিয়াডাঙ্গী থানার ওসি হাবিবুল হক প্রধান জানান, ১৮ সেপ্টেম্বর ভোরে কোটপাড়া সীমান্ত ফাঁড়ির ৩৮৩/২ নম্বর পিলারের কাছে ভারতের অভ্যন্তরে আয়রন ব্রিজের নিচ দিয়ে ৭-৮ বাংলাদেশি গরু আনার জন্য ভারতে প্রবেশ করে। এ সময় ভারতের ১৭১ সোনামতি বিএসএফ টহল দল তাদের ধাওয়া দিলে তারা সবাই নাগর নদীতে ঝাঁপ দেন। অন্যরা ফিরে এলেও আদু মিয়া নিখোঁজ হন।

বিএসএফের ধাওয়ায় নিখোঁজের ১১ দিন পর নদী থেকে লাশ উদ্ধার

 ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি 
০১ অক্টোবর ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার কোটপাড়া সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের ধাওয়া খেয়ে নাগর নদীতে ঝাঁপ দিয়ে নিখোঁজ হওয়া বাংলাদেশি কৃষকের লাশ ১১ দিন পর উদ্ধার করা হয়েছে।

মারা যাওয়া আবদুল আলীম ওরফে আদু মিয়া বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার যুগিহার তারাঞ্জু বাড়ি গ্রামের মো. এজাবুলের ছেলে। বালিয়াডাঙ্গীর রত্নাই বিওপির সীমান্ত পিলারের কাছে বাংলাদেশের ৩০ গজ ভেতরে নাগর নদীতে মঙ্গলবার বিকালে স্থানীয়রা ভাসমান একটি লাশ দেখতে পায়।

পরে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) রত্নাই বিওপিতে জানালে তারা গিয়ে লাশটি উদ্ধার করে। আমজানখোর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আকালু ও বালিয়াডাঙ্গী থানার ওসি হাবিবুল হক প্রধান জানান, ১৮ সেপ্টেম্বর ভোরে কোটপাড়া সীমান্ত ফাঁড়ির ৩৮৩/২ নম্বর পিলারের কাছে ভারতের অভ্যন্তরে আয়রন ব্রিজের নিচ দিয়ে ৭-৮ বাংলাদেশি গরু আনার জন্য ভারতে প্রবেশ করে। এ সময় ভারতের ১৭১ সোনামতি বিএসএফ টহল দল তাদের ধাওয়া দিলে তারা সবাই নাগর নদীতে ঝাঁপ দেন। অন্যরা ফিরে এলেও আদু মিয়া নিখোঁজ হন।