বরুড়া শ্রীনগর ও গৌরনদীতে তিন কিশোরীকে ধর্ষণ
jugantor
বরুড়া শ্রীনগর ও গৌরনদীতে তিন কিশোরীকে ধর্ষণ

  যুগান্তর ডেস্ক  

০১ অক্টোবর ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

কুমিল্লার বরুড়ায়, মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগরে ও বরিশালের গৌরনদীতে তিন কিশোরীকে ধর্ষণ করা হয়েছে। শ্রীনগরের ঘটনায় এক বখাটেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ব্যুরো ও প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর-

কুমিল্লা : বরুড়ায় প্রতিবন্ধী এক বৌদ্ধ কিশোরীকে ধর্ষণ করা হয়েছে। উপজেলার লগ্নসার গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। থানায় মামলা দায়েরের দু’দিনেও গ্রেফতার হয়নি ধর্ষক আবদুল কাদেরের ছেলে ইমাম হোসেন। উল্টো ধর্ষণের ঘটনা ধামাচাপা দিতে এবং ধর্ষককে বাঁচাতে তৎপর হয়ে উঠেছে এলাকার একটি প্রভাবশালী মহল। এরই মাঝে সালিশের নামে অর্থের প্রলোভন দেখিয়ে নির্যাতিতা কিশোরীর বাবার কাছ থেকে খালি স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নিয়েছে প্রভাবশালীরা। বুধবার বিকাল পর্যন্ত অভিযুক্তকে গ্রেফতার ও স্ট্যাম্প উদ্ধার করা যায়নি বলে জানিয়েছে পুলিশ।

শ্রীনগর (মুন্সীগঞ্জ) : শ্রীনগরে ১২ বছরের মানসিক প্রতিবন্ধী এক কিশোরীকে ধর্ষণের সময় জনতা মো. কাফি নামে এক বখাটে কিশোরকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে। মঙ্গলবার রাতে উপজেলার হাসাড়া ঢালীপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ধর্ষক কাফি ওই গ্রামের মতিউর রহমানের ছেলে। এ ঘটনায় কিশোরীর বাবা কাফির বিরুদ্ধে শ্রীনগর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেছেন।

গৌরনদী (বরিশাল) : বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে গৌরনদীতে এনে এক কিশোরীকে ধর্ষণ করা হয়েছে। এ ঘটনায় কিশোরীর বাবা সুমন মণ্ডলসহ ২ জনকে আসামি করে মঙ্গলবার রাতে গৌরনদী থানায় একটি ধর্ষণ মামলা করেছেন। পুলিশ বুধবার দুপুরে গৌরনদীর গোরঙ্গডোবা গ্রামে অভিযান চালিয়ে সহযোগী ইতি দাসকে গ্রেফতার করেছে। সুমন মণ্ডল মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলার দক্ষিণ রমজানপুর গ্রামের রমেশ মণ্ডলের ছেলে ও মুদি দোকানদার।

বরুড়া শ্রীনগর ও গৌরনদীতে তিন কিশোরীকে ধর্ষণ

 যুগান্তর ডেস্ক 
০১ অক্টোবর ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

কুমিল্লার বরুড়ায়, মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগরে ও বরিশালের গৌরনদীতে তিন কিশোরীকে ধর্ষণ করা হয়েছে। শ্রীনগরের ঘটনায় এক বখাটেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ব্যুরো ও প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর-

কুমিল্লা : বরুড়ায় প্রতিবন্ধী এক বৌদ্ধ কিশোরীকে ধর্ষণ করা হয়েছে। উপজেলার লগ্নসার গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। থানায় মামলা দায়েরের দু’দিনেও গ্রেফতার হয়নি ধর্ষক আবদুল কাদেরের ছেলে ইমাম হোসেন। উল্টো ধর্ষণের ঘটনা ধামাচাপা দিতে এবং ধর্ষককে বাঁচাতে তৎপর হয়ে উঠেছে এলাকার একটি প্রভাবশালী মহল। এরই মাঝে সালিশের নামে অর্থের প্রলোভন দেখিয়ে নির্যাতিতা কিশোরীর বাবার কাছ থেকে খালি স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নিয়েছে প্রভাবশালীরা। বুধবার বিকাল পর্যন্ত অভিযুক্তকে গ্রেফতার ও স্ট্যাম্প উদ্ধার করা যায়নি বলে জানিয়েছে পুলিশ।

শ্রীনগর (মুন্সীগঞ্জ) : শ্রীনগরে ১২ বছরের মানসিক প্রতিবন্ধী এক কিশোরীকে ধর্ষণের সময় জনতা মো. কাফি নামে এক বখাটে কিশোরকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে। মঙ্গলবার রাতে উপজেলার হাসাড়া ঢালীপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ধর্ষক কাফি ওই গ্রামের মতিউর রহমানের ছেলে। এ ঘটনায় কিশোরীর বাবা কাফির বিরুদ্ধে শ্রীনগর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেছেন।

গৌরনদী (বরিশাল) : বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে গৌরনদীতে এনে এক কিশোরীকে ধর্ষণ করা হয়েছে। এ ঘটনায় কিশোরীর বাবা সুমন মণ্ডলসহ ২ জনকে আসামি করে মঙ্গলবার রাতে গৌরনদী থানায় একটি ধর্ষণ মামলা করেছেন। পুলিশ বুধবার দুপুরে গৌরনদীর গোরঙ্গডোবা গ্রামে অভিযান চালিয়ে সহযোগী ইতি দাসকে গ্রেফতার করেছে। সুমন মণ্ডল মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলার দক্ষিণ রমজানপুর গ্রামের রমেশ মণ্ডলের ছেলে ও মুদি দোকানদার।