ফরিদপুরে ২ ওসিসহ সাত পুলিশের বিরুদ্ধে মামলা
jugantor
যুবলীগ নেতাকে চোখ বেঁধে নির্যাতন
ফরিদপুরে ২ ওসিসহ সাত পুলিশের বিরুদ্ধে মামলা

  ভাঙ্গা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি  

০৮ অক্টোবর ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ফরিদপুর জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের কার্যালয়ে যুবলীগ নেতাকে চোখ বেঁধে নির্যাতনের ঘটনায় দুই ওসিসহ ৭ পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। মঙ্গলবার ফরিদপুর ১নং আমলি আদালতে মামলাটি করেন ওই যুবলীগ নেতা আরাফাত হোসেন। আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. ফারুক হোসেন মামলাটি আমলে নিয়ে পিবিআই (পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন) ফরিদপুরকে তদন্ত করে রিপোর্ট প্রদানের নির্দেশ দেন।

রাতে মামলার ঘটনা জেলায় ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি ‘টক অব দ্য জেলায়’ পরিণত হয়। যুবলীগ নেতা আরাফাত কাউলিবেড়া ইউনিয়নের শেখপুরা গ্রামের মোশাররফ হোসেনের ছেলে ও ভাঙ্গা উপজেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন। মামলায় আসামি সাত পুলিশ সদস্য হলেন- ভাঙ্গা থানার ওসি মো. শফিকুর রহমান, ফরিদপুর ডিবি পুলিশের সাবেক ওসি আহাদুজ্জামান আহাদ, ভাঙ্গা থানার চার উপ-পরিদর্শক (এসআই) এবাদুল হক মোল্ল, আনিসুর রহমান, শামসুল হক সুমন ও রেজওয়ান মামুন এবং গোয়েন্দা পুলিশের এসআই মো. শাহীন।

বাদীপক্ষের আইনজীবী মো. কামালউদ্দিন বলেন, আদালত আরাফাতের মামলাটি আমলে নিয়ে পিবিআইকে তদন্তের দায়িত্ব দিয়েছেন। মামলার পরবর্তী দিন ধার্য করা হয়েছে ৭ জানুয়ারি।

প্রসঙ্গত ২১ সেপ্টেম্বর ডিবি কার্যালয়ে নির্যাতনের একটি ভিডিও ফেসবুক আইডিতে আপলোড করেন আরাফাত। এ ঘটনার পর সারা দেশে ব্যাপক আলোচনার ঝড় উঠে।

ফরিদপুরের পুলিশ সুপার মো. আলিমুজ্জামান বলেন, আদালত এ বিষয়টি তদন্তের জন্য পিবিআইকে নির্দেশ দিয়েছেন। পিবিআই তদন্ত করবে। পাশাপাশি আমরাও তদন্ত করছি। তদন্ত প্রতিবেদনের আলোকে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

যুবলীগ নেতাকে চোখ বেঁধে নির্যাতন

ফরিদপুরে ২ ওসিসহ সাত পুলিশের বিরুদ্ধে মামলা

 ভাঙ্গা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি 
০৮ অক্টোবর ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ফরিদপুর জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের কার্যালয়ে যুবলীগ নেতাকে চোখ বেঁধে নির্যাতনের ঘটনায় দুই ওসিসহ ৭ পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। মঙ্গলবার ফরিদপুর ১নং আমলি আদালতে মামলাটি করেন ওই যুবলীগ নেতা আরাফাত হোসেন। আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. ফারুক হোসেন মামলাটি আমলে নিয়ে পিবিআই (পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন) ফরিদপুরকে তদন্ত করে রিপোর্ট প্রদানের নির্দেশ দেন।

রাতে মামলার ঘটনা জেলায় ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি ‘টক অব দ্য জেলায়’ পরিণত হয়। যুবলীগ নেতা আরাফাত কাউলিবেড়া ইউনিয়নের শেখপুরা গ্রামের মোশাররফ হোসেনের ছেলে ও ভাঙ্গা উপজেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন। মামলায় আসামি সাত পুলিশ সদস্য হলেন- ভাঙ্গা থানার ওসি মো. শফিকুর রহমান, ফরিদপুর ডিবি পুলিশের সাবেক ওসি আহাদুজ্জামান আহাদ, ভাঙ্গা থানার চার উপ-পরিদর্শক (এসআই) এবাদুল হক মোল্ল, আনিসুর রহমান, শামসুল হক সুমন ও রেজওয়ান মামুন এবং গোয়েন্দা পুলিশের এসআই মো. শাহীন।

বাদীপক্ষের আইনজীবী মো. কামালউদ্দিন বলেন, আদালত আরাফাতের মামলাটি আমলে নিয়ে পিবিআইকে তদন্তের দায়িত্ব দিয়েছেন। মামলার পরবর্তী দিন ধার্য করা হয়েছে ৭ জানুয়ারি।

প্রসঙ্গত ২১ সেপ্টেম্বর ডিবি কার্যালয়ে নির্যাতনের একটি ভিডিও ফেসবুক আইডিতে আপলোড করেন আরাফাত। এ ঘটনার পর সারা দেশে ব্যাপক আলোচনার ঝড় উঠে।

ফরিদপুরের পুলিশ সুপার মো. আলিমুজ্জামান বলেন, আদালত এ বিষয়টি তদন্তের জন্য পিবিআইকে নির্দেশ দিয়েছেন। পিবিআই তদন্ত করবে। পাশাপাশি আমরাও তদন্ত করছি। তদন্ত প্রতিবেদনের আলোকে ব্যবস্থা নেয়া হবে।